ইভিএমেই হবে লোকসভা ভোট, সাফ জানিয়ে দিল নির্বাচন কমিশন

সাম্প্রতিক কালে প্রায় প্রতিটি নির্বাচনের পরই ইভিএম নিয়ে অভিযোগ তোলেন বিরোধীরা। বিজেপির বিরুদ্ধে ইভিএমে কারচুপি করে ভোটে জেতার অভিযোগে বারবার সরব হয় বিরোধী দলগুলি। তাদের তরফে ব্যালটে ভোট নেওয়ার দাবি জানানো হয়।

Updated By: Jan 24, 2019, 12:09 PM IST
ইভিএমেই হবে লোকসভা ভোট, সাফ জানিয়ে দিল নির্বাচন কমিশন

নিজস্ব প্রতিবেদন: ইভিএম বিতর্কে বিরোধীদের সব দাবিকে উড়িয়ে দিল নির্বাচন কমিশন। জানিয়ে দিল, আসন্ন লোকসভা নির্বাচনে ব্যালট ব্যবস্থা ফিরিয়ে আনার কোনও সম্ভাবনা নেই।

আরও পড়ুন: ইভিএম হ্যাকিংয়ে দাবি করতে গিয়ে মিথ্যার জাল বুনেছেন শুজা? কী কী ফাঁস হল?

সাম্প্রতিক কালে প্রায় প্রতিটি নির্বাচনের পরই ইভিএম নিয়ে অভিযোগ তোলেন বিরোধীরা। বিজেপির বিরুদ্ধে ইভিএমে কারচুপি করে ভোটে জেতার অভিযোগে বারবার সরব হয় বিরোধী দলগুলি। তাদের তরফে ব্যালটে ভোট নেওয়ার দাবি জানানো হয়।

সেই দাবিকেই বৃহস্পতিবার নাকচ করে দিলেন নির্বাচন কমিশনের সিইও সুনীল অরোরা। এদিন দিল্লিতে একটি অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, ''একটি বিষয় আমি স্পষ্ট করে দিতে চাই যে ব্যালটে ভোট নেওয়ার পদ্ধতিতে আমরা আর ফিরে যাব না।''

প্রসঙ্গত, কয়েকদিন আগেই লন্ডনে একটি সাংবাদিক বৈঠক হয়। সেখানে সৈয়দ শুজা নামে এক সাইবার বিশেষজ্ঞ দাবি করেন, ২০১৪ সালে ইভিএমে কারচুপি করেই ভোট হয়েছিল। তার পর কংগ্রেস-সহ অন্য বিরোধীরা হইচই শুরু করে দেয়।

আরও পড়ুন: শুজা কোনও দিনই কাজ করেনি, জানাল ইভিএম প্রস্তুতকারী সংস্থা

এই পরিস্থিতিতে নির্বাচনের কমিশনের এই বয়ান যথেষ্ট তাত্পর্যপূর্ণ বলেই মনে করা হচ্ছে। কারণ, সুনীল অরোরা ইভিএম নিয়ে সমস্ত সমালোচনাকে স্বাগত জানিয়েছেন। সঙ্গে বলেছেন, ''ব্যালট যুগে ফেরার কোনও প্রশ্নই নই। বরং আগামিদিনে ইভিএম ও ভিভিপ্যাট আরও বেশি করে ব্যবহার করা হবে।''

তবে এর আগে জানুয়ারির ৮ তারিখও ইভিএম নিয়ে বিরোধীদের অভিযোগের একদফা জবাব দিয়েছিল নির্বাচন কমিশন। জানিয়েছিল, ইভিএমে কোনও রকম কারচুপি সম্ভব নয়। উচ্চপর্যায়ের একটি দল ইভিএমের কার্যকারিতার উপর নজর রাখে। ফলে এর সুরক্ষা ব্যবস্থা সর্বোচ্চ পর্যায়ে রয়েছে।

আরও পড়ুন: দুইয়ের বেশি সন্তান হলে কেড়ে নেওয়া হোক সব অধিকার, নিদান রামদেবের

নির্বাচন কমিশন সূত্রে খবর, লোকসভা ভোটের প্রস্তুতি এখন চরমে রয়েছে। বিভিন্ন রাজ্যের সঙ্গে বৈঠক চলছে। স্বচ্ছ শান্তিপূর্ণ ভোট করাই নির্বাচন কমিশনের একমাত্র লক্ষ্য।