১৫ আগস্ট মোদির নিরাপত্তার দায়িত্বে দেশের প্রথম মহিলা কমান্ডো বাহিনি

পরিসংখ্যান বলছে, নিরাপত্তা ক্ষেত্রে সব মিলিয়ে মাত্র সাত শতাংশ মহিলা আধিকারিক রয়েছে।

Updated By: Aug 11, 2018, 04:44 PM IST
১৫ আগস্ট মোদির নিরাপত্তার দায়িত্বে দেশের প্রথম মহিলা কমান্ডো বাহিনি

নিজস্ব প্রতিনিধি : ১৫ মাসের কঠিন ট্রেনিং। তবে গিয়ে মাঠে নামার অনুমতি এল। এই ১৫ মাসে কী শেখানো হয়নি তাঁদের! কীভাবে বড় বিল্ডিংয়ে দড়ির সাহায্যে উঠে পড়তে হয়! কীভাবে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে বোমা নিষ্ক্রিয় করতে হয়! কীভাবে প্রাকৃতিক দুর্যোগে ফেসে থাকা সাধারণ মানুষকে উদ্ধার করতে হয়, সব! ১৫ মাস ধরে তিলে তিলে তৈরি করা হয়েছে তাঁদের। বলা ভাল, গড়ে তোলা হয়েছে। ভারতের প্রথম মহিলা কমান্ডো বাহিনি। এবার থেকে দেশের সেরা কমান্ডোদের সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করবেন এই প্রমিলাবাহিনী।

আরও পড়ুন-  শপথ গ্রহণ ১৮ অগাস্ট, গাওস্কর, কপিল, সিধুকে সরকারিভাবে আমন্ত্রণ জানালেন ইমরান

৩৬ জন মহিলা কমান্ডো রয়েছেন এই ফোর্সে। অত্যাধুনিক অস্ত্র চালানোর ক্ষেত্রে বিশেষ প্রশিক্ষণ পেয়েছেন তাঁরা। দেশের প্রতিরক্ষা মন্ত্রক তাদের জঙ্গিদমনের কাজে লাগানোর কথাও ভাবতে শুরু করেছে। ১৫ মাসে ইজরায়েলের নিরাপত্তারক্ষীদের থেকে প্রশিক্ষণ নিয়েছেন এই ৩৬ জন স্পেশাল কমান্ডো। এখন তারা দেশের প্রথম সোয়াট (স্পেশাল উয়েপন্স অ্যান্ড ট্যাকটিক্স) টিম। আপাতত রাজধানীতে পাঁচজন পুরুষ কমান্ডোর সঙ্গে থেকে কাজ করবেন মহিলাদের এই কমান্ডো টিম। দিল্লি পুলিশের আধিকারিক প্রমোদ খুশওয়া বলছিলেন, ''দেশের পুরুষ কমান্ডোদের টেক্কা দিতে পারে মহিলাদের এই বিশেষ ফোর্স। মানুষের মধ্যে একটা ভুল ধারণা রয়েছে যে মহিলারা এটা পারে না, মহিলারা ওটা পারে না! সেই মিথ ভাঙার জন্যই এই মহিলারা তৈরি। আমি হলফ করে বলতে পারি, কিছু কিছু ক্ষেত্রে মহিলাদের এই টিম পুরুষদের দলেরও থেকে বেশি কার্যকরী হতে পারে।'' প্রসঙ্গত, পরিসংখ্যান বলছে, নিরাপত্তা ক্ষেত্রে সব মিলিয়ে মাত্র সাত শতাংশ মহিলা আধিকারিক রয়েছে। যদিও সরকারের পক্ষ থেকে লক্ষ্য নেওয়া হয়েছিল, অন্তত ৩৩ শতাংশ মহিলা আধিকারিক থাকতে হবে নিরাপত্তার ক্ষেত্রে।

আরও পড়ুন-  বোরখা পড়া মহিলা ব্যাঙ্ক ডাকাতের মতো, ইতিহাসবিদের মন্তব্যে বিতর্কের ঝড়

৩৬ জন মহিলাই এক্ষেত্রে দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের। ১৫ আগস্ট লাল কেল্লা থেকে প্রধানমন্ত্রীর জাতির উদ্দেশে ভাষণের দিন নিরাপত্তার দায়িত্বে রাখা হবে এই মহিলা কমান্ডো বাহিনিকে। খুশওয়া বলছিলেন, ''যে কোনওরকম নাশকতা রুখে দিতে পারবে এই ফোর্স। ওরা সবরকম অস্ত্র চালানোর প্রশিক্ষণ পেয়েছে। তাই ১৫ আগস্ট ওদের বড় দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।''