আমেরিকায় তেলের দাম শূন্যে, জোর ঝটকা ভারতের শেয়ার বাজারে

যে কোনও দেশের অর্থনীতির অধিকাংশটাই নিয়ন্ত্রণ করে অশোধিত তেল। বিশেষ করে ভারতের মতো প্রথম সারির তেল রফতানিকারি দেশের।

Updated By: Apr 21, 2020, 12:34 PM IST
আমেরিকায় তেলের দাম শূন্যে, জোর ঝটকা ভারতের শেয়ার বাজারে

নিজস্ব প্রতিবেদন: ‘স্থিতিশীল’ শেয়ার বাজারে ফের ঝটকা। আমেরিকায় অভিবাসনে নিষেধাজ্ঞা এবং তেলের দাম শূন্যের নীচে নেমে যাওয়ায় ভারতের শেয়ার বাজারেও দেখা গেল বড়সড় পতন। বাজার খুলতেই সেনসেক্স পড়ল প্রায় ৯০০ পয়েন্ট। নিফটি ৩০০-র কাছাকাছি। গত এক সপ্তাহে নতুন করে বড় পতন দেখা গেল শেয়ার বাজারে।

করোনা আতঙ্কে বিশ্বের প্রায় সব দেশের শেয়ার সূচক অধোগতিতে। যে হারে মৃতের সংখ্যা বাড়ছে, তার সঙ্গে অন্ধকারে তলিয়ে যাচ্ছে অর্থনীতিও। চিন, আমেরিকার মতো উন্নত দেশের অর্থনীতির মেরুদণ্ড ভেঙে গিয়েছে। উভয় সঙ্কটে দাঁড়িয়ে আমেরিকা। প্রতিদিন গড়ে দেড় হাজার করে মৃত্যু হচ্ছে। তারপরও লকডাউন শিথিল করে বাণিজ্যের মনোযোগ দেওয়ার কথা ভাবছে আমেরিকা। করোনায় না মরলে, অনাহারে মরতে হবে এমনও কথা শোনা যাচ্ছে আমেরিকাবাসীর মুখে।

আমেরিকার অর্থনীতি থমকে যাওয়ার অন্যতম নির্দশন নজিরবিহীনভাবে কমে যাওয়া অশোধিত তেলের দর। মাইনাসে নেমে গেছে তেলের দাম। এক ব্যারেল তেলের দাম মাইনাস ৩৭.৬৩ ডলার। করোনার জেরে প্রায় সব দেশে হেঁটেছে লকডাউনের পথে। এক লহমায় চাহিদা কমে যাওয়ায় তেলের দাম হু-হু কমতে থাকে। এর মধ্যে সৌদি আরবের সঙ্গে রাশিয়ার মন কষাকষি হওয়ায় আরও নেতিবাচক প্রভাব পড়ে তেলের দামে। চাহিদা না থাকা সত্ত্বেও উত্পাদন জারি রাখে সৌদি আরব। যার জেরে তেলের দাম আরও পড়তে থাকে। 

যে কোনও দেশের অর্থনীতির অধিকাংশটাই নিয়ন্ত্রণ করে অশোধিত তেল। বিশেষ করে ভারতের মতো প্রথম সারির তেল রফতানিকারি দেশের। তাই, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের তেলের দাম পড়ে যাওয়ায় তার প্রভাব দেখা গেল। অভিবাসনে সাময়িক নিষেধাজ্ঞা জারি করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। প্রথম থেকেই অভিবাসন নীতি নিয়ে তাঁর মাথাব্যাথা ছিল। এখন করোনা জুজু দেখিয়ে এই সিদ্ধান্ত তড়িঘড়ি নিতে চলেছেন তিনি। যার জেরে নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে গোটা বিশ্বেই।

.