Food Adulteration: এভারেস্ট ফিস কারি মশলায় বিপজ্জ্বনক মাত্রায় কীটনাশক। তারপরই দেশ থেকে এই মশলা নিষিদ্ধ করল সিঙ্গাপুর সরকার। ভারত থেকে বিপুল পরিমাণ এভারেস্ট ফিস কারি মশলা আমদানি করে সিঙ্গাপুর।

জি ২৪ ঘণ্টা ডিজিটাল ব্যুরো: এভারেস্ট মশলায় নাকি ক্ষতিকারণ পদার্থ আছে। আর সে কারণেই তা ব্যবহার করা অস্বাস্থ্যকর। বিশেষ করে এভারেস্ট ফিস কারি মশলায় কীটনাশকের উপস্থিতির মারাত্মক অভিযোগ। ভারত থেকে আমদানি করা মশলা ফেরতের নির্দেশ সিঙ্গাপুর সরকারের। এমনকী তাদের খাদ্য তালিকা থেকেও বাদ করল এই মশলা। বৃহস্পতিবার এই নির্দেশ জারি করেছে সিঙ্গাপুর ফুড এজেন্সি (এসএফএ)।
ভারত থেকে বিপুল পরিমাণ এভারেস্ট ফিস কারি মশলা আমদানি করে সিঙ্গাপুর। এক বিবৃতিতে সিঙ্গাপুরের খাদ্য সুরক্ষা দফতর জানিয়েছে, ‘হংকং-এর খাদ্য নিরাপত্তা কেন্দ্র ভারত থেকে আনানো এভারেস্ট ফিস কারি মশলা আমদানি বন্ধের বিষয়ে একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে। সিঙ্গাপুর ফুড এজেন্সি জানিয়েছে, এই মশলায় ইথিলিন অক্সাইডের পরিমাণ অনেক বেশি। এটি মানুষের ব্যবহারের জন্য উপযুক্ত নয়। ইথিলিন অক্সাইড একটি কীটনাশক। এটি খাবারে ব্যবহার করা যাবে না।
এসএফএ বলেছে যে ইথিলিন অক্সাইড খাদ্যে ব্যবহারের জন্য অনুমোদিত নয় এবং মাইক্রোবায়াল দূষণ রোধ করার জন্য শুধুমাত্র কৃষি পণ্যে দিতে ব্যবহৃত হয়। সিঙ্গাপুরের খাদ্য সংক্রান্ত নিয়মের অধীনে, মশলা জীবাণুমুক্ত করার জন্য ইথিলিন অক্সাইড ব্যবহার করার অনুমতি দেওয়া হয়েছে। প্রসঙ্গত, কিছুদিন আগে বর্নভিটা-সহ একাধিক হেলথ ড্রিঙ্ক নিষিদ্ধ করেছে কেন্দ্র। এরপর বহুজাতিক সংস্থা নেসলের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে যে শিশু খাদ্য সেরেল্যাকে বিপজ্জ্নক মাত্রায় চিনি মেশায় তারা।
তবে এই খবর প্রকাশ্যে আসতেই পাল্টা বিবৃতি দিয়েছে ব্র্যান্ড। এভারেস্টের তরফে বলা হয়েছে, এটি একটি 50 বছরের পুরনো নামী ব্র্যান্ড। কোম্পানির সব প্রোডাক্ট কঠোর পরীক্ষার পরে তৈরি ও রপ্তানি করা হয়।
(দেশ, দুনিয়া, রাজ্য, কলকাতা, বিনোদন, খেলা, লাইফস্টাইল স্বাস্থ্য, প্রযুক্তির টাটকা খবর, আপডেট এবং ভিডিয়ো পেতে ডাউনলোড-লাইক-ফলো-সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের App, Facebook, Whatsapp Channel, X (Twitter), Youtube, Instagram পেজ-চ্যানেল)