ভয়ঙ্কর আশঙ্কার মুখে রাফালহীন ভারত, উদ্বিগ্ন বায়ুসেনা প্রধান

দিল্লির ‘আইএএফ’স ফোর্স স্ট্রাকচার ২০৩৫’ শীর্ষক সেমিনারে চিন বা পাকিস্তানের নাম না করে ধানোয়া বলেন, “শত্রুপক্ষ রাতারাতি রণকৌশল বদলাতে পারে। তাই ভারতকে যে কোনও পরিস্থিতে প্রস্তুত থাকতে হবে।”

Updated: Sep 12, 2018, 12:57 PM IST
ভয়ঙ্কর আশঙ্কার মুখে রাফালহীন ভারত, উদ্বিগ্ন বায়ুসেনা প্রধান
ছবি- ফেসবুক

নিজস্ব প্রতিবেদন: রাফাল এখনও ভারতে এসে পৌঁছোয়নি। তার আগেই রাফাল চুক্তি নিয়ে রাজনৈতিক শিবিরে তর্জা চরমে উঠেছে। রাফাল চুক্তিতে কোনও দুর্নীতি হয়েছে কি না তা তদন্ত সাপেক্ষ। কিন্তু ভারতের কাছে এই যুদ্ধবিমান কতটা গুরুত্বপূর্ণ, তা এদিন স্পষ্ট করলেন বায়ুসেনা প্রধান বিএস ধানোয়া। দিল্লিতে বায়ুসেনার এক আলোচনা সবায় এয়ার মার্শাল ধানোয়া বলেন, এই মুহূর্তে 'অত্যাধুনিক' রাফাল না থাকায় দেশকে ‘ভয়ঙ্কর আশঙ্কা’র মুখে পড়তে হতে পারে।

আরও পড়ুন- রাজ্যপালের কাছে আজীবন কারাদণ্ডের মুকুবের আর্জি আসারামের

দিল্লির ‘আইএএফ’স ফোর্স স্ট্রাকচার ২০৩৫’ শীর্ষক সেমিনারে চিন বা পাকিস্তানের নাম না করে ধানোয়া বলেন, “শত্রুপক্ষ রাতারাতি রণকৌশল বদলাতে পারে। তাই ভারতকে যে কোনও পরিস্থিতে প্রস্তুত থাকতে হবে।” তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করে এ-ও জানিয়েছেন, প্রতিবেশীরা ঘুমিয়ে নেই। চিনের মতো প্রতিবেশী তাদের বায়ু সেনাকে প্রতি মুহূর্তে অত্যাধুনিক ছাঁচে গড়ছে। ফলে, ভারতেরও ক্ষমতা অনুযায়ী অত্যাধুনিক সামরিক প্রযুক্তি প্রয়োজন। তিনি জানান, দেশের নিরাপত্তাকে আরও শক্তিশালী করতে রাফাল বিমান এবং এস-৪০০ ক্ষেপণাস্ত্র কিনছে কেন্দ্র।

আরও পড়ুন- প্রধানমন্ত্রীর দফতরে হাই-প্রোফাইল জালিয়াতির তালিকা পাঠিয়েছিলাম, রাজনের মন্তব্যে বিপাকে বিজেপি-কংগ্রেস

উল্লেখ্য, রাফাল নিয়ে ভারত এবং ফ্রান্স দুই সরকারের যৌথ অন্তর্বর্তী চুক্তি স্বাক্ষর হয়। জানা যাচ্ছে, ২০১৯-এর শুরুতেই মোট ৩৬টি রাফাল যুদ্ধ বিমান দেশে নিয়ে আসছে মোদী সরকার। তবে, এই চুক্তি করতে গিয়ে কেন্দ্র যে অর্থ ব্যয় করেছে, সে নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে স্বয়ং রাহুল গান্ধী-সহ বিরোধী দলগুলি। লোকসভা নির্বাচনে এই রাফাল ইস্যুকে অন্যতম অস্ত্র বানিয়ে বিজেপির বিরুদ্ধে ময়দানে নামছে কংগ্রেস-সহ বিরোধীরা।