প্রদ্যুত দাস: গত ১ এপ্রিল ঝড় বদলে দিয়েছিল জলপাইগুড়ি শহরের চালচিত্র। ঘরবাড়ি ভেঙে তছনছ শহরের বিভিন্ন এলাকার। বাড়িঘর ভেঙে, গাছ ভেঙে, বিদ্যুতের খুঁটি উপড়ে চলে গিয়েছিল ক্ষণিকের এক দুর্দান্ত ঝড়। ঝড়ের প্রভাব সবচেয়ে বেশি ছিল জলপাইগুড়ির বার্নিশ এলাকায়। সেখানে ঝড়ে মৃত্যু হয়েছিল ৪ জনের। আহত হয়েছিলেন শতাধিক।
1/6সেই ঝড়, যাকে 'মিনি টর্নেডো' বলা হচ্ছিল, তার ক্ষণিক কিন্তু ভয়ংকর দাপটে কার্যত ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছিল তিস্তাপাড়ের এই বার্নিশ গ্রামের একাংশ।
2/6তবে প্রথম থেকেই বিপদগ্রস্ত পরিবারগুলির পাশে দাঁড়িয়েছে জলপাইগুড়ি রামকৃষ্ণ মিশন।
3/6বিভিন্ন পর্যায়ে তারা সাহায্য করেছে। দ্বিতীয় পর্যায়ে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলির হাতে কর্ণাটক থেকে আনা উন্নত প্রজাতির চারাগাছ তুলে দেওয়া হল।
4/6ওই এলাকার মানুষের হাতে তুলে দেওয়া হল সুপারি, নারকেল, তেজপাতা গাছের চারা। পাশাপাশি করা হল বৃক্ষরোপণও।
5/6এই প্রসঙ্গে জলপাইগুড়ি রামকৃষ্ণ মিশন আশ্রমের সম্পাদক স্বামী শিবপ্রেমানন্দজি মহারাজ বলেন, আমরা প্রায় দুশো পরিবারকে চারা গাছ দিলাম।
6/6আগামী চার-পাঁচ বছর পর থেকেই গাছগুলি থেকেই আর্থিক সুবিধা পাবেন গ্রামবাসীরা বলে জানান স্বামী শিবপ্রেমানন্দ।