বার্থ ডে বয় স্পেশাল- এটাই বোধহয় ধোনির জীবনের সেরা ইনিংস!

আজ মহেন্দ্র সিং ধোনির জন্মদিন। ৩৫ বছরে পা দিলেন ধোনি। টেস্ট থেকে অবসর নেওয়ার পর ধোনি এখন শুধুই ওয়ানডে আর টি টোয়েন্টি খেলেছেন। তবে একটা প্রশ্ন মাঝে মাঝেই উঠছে কতদিন তিনি এই দুটি ফর্ম্যাটে খেলা চালিয়ে যাবেন। কিন্তু অনেকেরই আশা ২০১৯ বিশ্বকাপ পর্যন্ত ওয়ানডে-তে খেলা চালিয়ে যাবেন মাহি। যাই হোক জন্মদিনটায় অন্তত অবসর নয়, কথা হোক তাঁর জীবনের সেরা ইনিংস নিয়ে। ধোনির কেরিয়ারে স্মরণীয় ইনিংসের কথা বললে অবশ্য ২০১১ বিশ্বকাপে ওয়ানংখেড়ের ইনিংসটার নামই আসবে। কিন্তু সেরা?আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ধোনি এত ম্যাচ উইনিং ইনিংস খেলেছেন সেখান থেকে বিশেষ একটার কথা বলাটা অনেকটা খড়ের গাদা থেকে সূচ খোঁজার মতই কঠিন কাজ। কিন্তু বেশির বিশেষজ্ঞই তার মধ্যে অন্যতম সেরাটা বেছে নেন সেটা হল অস্ট্রেলিয়ায় ২০১২ সালে সিবি সিরিজে খেলা এক ইনিংস।

Updated By: Jul 7, 2016, 09:43 AM IST
বার্থ ডে বয় স্পেশাল- এটাই বোধহয় ধোনির জীবনের সেরা ইনিংস!

ওয়েব ডেস্ক: আজ মহেন্দ্র সিং ধোনির জন্মদিন। ৩৫ বছরে পা দিলেন ধোনি। টেস্ট থেকে অবসর নেওয়ার পর ধোনি এখন শুধুই ওয়ানডে আর টি টোয়েন্টি খেলেছেন। তবে একটা প্রশ্ন মাঝে মাঝেই উঠছে কতদিন তিনি এই দুটি ফর্ম্যাটে খেলা চালিয়ে যাবেন। কিন্তু অনেকেরই আশা ২০১৯ বিশ্বকাপ পর্যন্ত ওয়ানডে-তে খেলা চালিয়ে যাবেন মাহি। যাই হোক জন্মদিনটায় অন্তত অবসর নয়, কথা হোক তাঁর জীবনের সেরা ইনিংস নিয়ে। ধোনির কেরিয়ারে স্মরণীয় ইনিংসের কথা বললে অবশ্য ২০১১ বিশ্বকাপে ওয়ানংখেড়ের ইনিংসটার নামই আসবে। কিন্তু সেরা?আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ধোনি এত ম্যাচ উইনিং ইনিংস খেলেছেন সেখান থেকে বিশেষ একটার কথা বলাটা অনেকটা খড়ের গাদা থেকে সূচ খোঁজার মতই কঠিন কাজ। কিন্তু বেশির বিশেষজ্ঞই তার মধ্যে অন্যতম সেরাটা বেছে নেন সেটা হল অস্ট্রেলিয়ায় ২০১২ সালে সিবি সিরিজে খেলা এক ইনিংস।

১২ ফেব্রুয়ারি এই সিরিজের চতুর্থ ম্যাচে মুখোমুখি ভারত-অস্ট্রেলিয়া। অ্যাডিলেডের এই ম্যাচে ৫০ ওভারে ভারতকে জিততে হলে করতে হবে ২৭০ রান। পেস সহায়ক পিচে বেশ কঠিন টার্গেট। ৯২ রানের দুরন্ত একটা ইনিংস খেলার পর ফিরে গিয়েছেন গম্ভীর। ভারতের স্কোর তখন ৩৪.১ ওভারে ১৭৮/৩। ধোনি যখন নামলেন দলকে জিততে হলে ৯৬ বলে করতে হবে ৯২ রান। পিচ স্ট্রোক খেলা বেশ কঠিন হয়ে আসছে। লড়লেন ধোনি। চড়াই উতরাইয়ের পর জিততে হলে শেষ ওভারে ভারতকে করতে হবে ১৩ রান। বল করতে গেলেন ক্লায়েন্ট ম্যাকই।

আরও পড়ুন ধোনির ব্যাটের সাইজ নিয়ে যা বললেন পন্টিং
 
ওভারের প্রথম বলটায় ব্যাট হাতে নামা অশ্বিন কোনও রান নিতে পারলেননা। দ্বিতীয় বলটায় সিঙ্গলস নিয়ে ধোনিকে স্ট্রাইক দিলেন অশ্বিন। ৪ বলে দরকার ১২। তৃতীয় বলটায় সোজা ওভার বাউন্ডারি মারলেন ধোনি। চতুর্থ বলটা হাই ফুল টস, সপাটে মারলেন ধোনি, তবে সোজা ফিল্ডারের হাতে, মানে ক্যাচ। কিন্তু কোমরের ওপরে বল ওঠায় সেটা নো বল হয়। ধোনি নিলেন ২ রান। এখন ৩ বলে দরকার ৩ রান। ওভারের পঞ্চম বলটায় ধোনি ঠিক তিন রান নিলেন। দু বল বাকি থাকতে ৪ উইকেটে জিতল ভারত, জেতালেন ধোনি।

আরও পড়ুন কুম্বলের পরীক্ষায় কে ফেল, কে পাস?

এরকম ইনিংস ধোনি জীবনে অনেকবার খেলেছেন। এই তো সদ্য শেষ হওয়া আইপিএলে শেষ তিন বলে ছক্কা মেরে পর্যন্ত জিতিয়েছিন। কিন্তু পিচ, পরিস্থিতির কথা মাথায় রাখলে বলতে হবে অ্যাডিলেডের সেই ইনিংসটা সত্যিই অন্যতম সেরা।