)
চিত্তরঞ্জন দাস: কীভাবে মৃত্যু? বেসরকারি ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের ফাঁকা ঘরে পাওয়া গেল ছাত্রের পচাগলা দেহ! দেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তে পাঠিয়েছে পুলিস। চাঞ্চল্য় দুর্গাপুরে।
জানা গিয়েছে, মৃত ছাত্রের নাম সৌরভ কুমার। বাড়ি, বিহারের ভাগলপুরে। দুর্গাপুর শহরের ফুলঝোড় মোড় লাগোয়া একটি বেসরকারি ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজে তৃতীয় বর্ষের ছাত্র ছিলেন তিনি। বিষয় ছিল, কম্পিউটার সায়েন্স। কলেজের বয়েজ হস্টেলে থাকতেন সৌরভ।
সহপাঠীরা জানিয়েছেন, ২২ তারিখের পর আর হস্টেলে দেখা যায়নি ওই ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ুয়াকে। খবর দেওয়া হয়েছিল বাড়িতে। এদিন যখন থানায় নিখোঁজ ডায়েরি করলেন পরিবারের লোকেরা, তখনই ছেলের পচাগলা দেহ উদ্ধার হল। কলেজ সূত্রে খবর, বয়েজ হস্টেলের চারতলায় সংস্কার কাজ চলছে। বিকেলের উপরে ওঠে দুর্গন্ধ পান মিস্ত্রিরা। এরপর একটি অব্যবহৃত ধরে সৌরভের ঝুলন্ত দেহ দেখতে পান তাঁরা। দেহে পচন ধরে গিয়েছিল।
খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে আসে দুর্গাপুরের নিউটাউনশিপ থানার পুলিস। ডাকা হয় ফরেনিক বিশেষজ্ঞদের। তবে মৃত্যুর কারণ স্পষ্ট নয় এখনও। নেপথ্যে র্যাগিং নাকি অন্য় কিছু? খতিয়ে দেখছে পুলিস।
এদিকে কলকাতায় এসএসকেএম-র হস্টেল থেকে উদ্ধার হল নার্সিং পড়ুয়ার দেহ। মৃত ছাত্রীর বাড়ি উত্তর দিনাজপুরের রায়গঞ্জে। নার্সিং কলেজের দ্বিতীয় বর্ষের পড়ুয়া ছিলেন। থাকতেন লিটল হস্টেলে। পুলিস সূত্রের খবর, গতকাল বুধবার রাতে হস্টেলের বাথরুমে গিয়েছিলেন ওই পড়ুয়া। কিন্তু অনেকটা সময়ে পেরিয়ে গেলেও, বেরোচ্ছিলেন না তিনি। কেন? হস্টেল কর্তৃপক্ষকে খবর দেন অন্য ছাত্রীরা। শেষপর্যন্ত দরজা ভেঙে যখন বাথরুমে ঢোকে, তখন ওই ছাত্রী ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার হয়।