দিঘায় স্নান করতে নেমে নিখোঁজ ব্যক্তির দেহ ২ দিন পর মিলল মন্দারমণিতে

বৃহস্পতিবার স্বাধীনতা দিবসের সকালে মন্দারমণির সৈকতে টহল দিচ্ছিলেন ২ নুলিয়া মইদুল ও শাহিদ আলি। তাঁরাই প্রথম বেচাবাবুর দেহ দেখতে পান। দেহ কোথা থেকে এল তা নিয়ে প্রথমে ধন্দে পড়ে যান সৈকতের আশেপাশে থাকা লোকজন।

Updated By: Aug 15, 2019, 12:31 PM IST
দিঘায় স্নান করতে নেমে নিখোঁজ ব্যক্তির দেহ ২ দিন পর মিলল মন্দারমণিতে

নিজস্ব প্রতিবেদন: দিঘায় স্নান করতে নেমে তলিয়ে যাওয়া ব্যক্তির দেহ মিলল মন্দারমণি সৈকতে। সোমবার সকালে দেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তে পাঠিয়েছে পুলিস। পূর্ব বর্ধমানের জামালপুরের বাসিন্দা ওই ব্যক্তির নাম বেচা পাত্র (৪০) বলে জানা গিয়েছে। 

পুলিস সূত্রের খবর, ৪ বন্ধুর সঙ্গে জামালপুরের আহাজারপুর থেকে দিঘা বেড়াতে এসেছিলেন বেচাবাবু। পেশায় গাড়িচালক তিনি। মঙ্গলবার পূর্ণিমার কোটালের মধ্যেই বন্ধুদের সঙ্গে সৈকতে স্নান করতে নামেন। কিছুক্ষণ পর নিখোঁজ হয়ে যান তিনি। মৃতের বন্ধুরা জানিয়েছেন, 'ভেবেছিলাম স্নান সেরে বেচা কাউকে না বলেই হোটেলে ফিরে এসেছে। কিন্তু হোটেলে ফিরে জানতে পারি সে সেখানে আসেইনি। এর পর এলাকায় কিছুক্ষণ খোঁজাখুঁজি চলে। রাত পর্যন্ত হোটেলে না ফেরায় দিঘা থানায় নিখোঁজ ডায়েরি লেখানো হয়।'

বৃহস্পতিবার স্বাধীনতা দিবসের সকালে মন্দারমণির সৈকতে টহল দিচ্ছিলেন ২ নুলিয়া মইদুল ও শাহিদ আলি। তাঁরাই প্রথম বেচাবাবুর দেহ দেখতে পান। দেহ কোথা থেকে এল তা নিয়ে প্রথমে ধন্দে পড়ে যান সৈকতের আশেপাশে থাকা লোকজন। কারণ, সমুদ্রে কেউ নিখোঁজ হলে খবর থাকে নুলিয়া ও সৈকতের দোকানিদের কাছে। কিন্তু মন্দারমণি সৈকত থেকে গত কয়েকদিনে কেউ নিখোঁজ না হয় দেহটি কোথা থেকে এল তা নিয়ে খোঁজ খবর করতে থাকেন সবাই। খবর যায় মন্দারমণি কোস্টাল থানায়। 

লালকেল্লায় স্বাধীনতা দিবসের ভাষণ শেষে শিশুদের ভিড়ে মিশে গেলেন মোদী

মন্দারমণি কোস্টাল থানা থেকে পুলিসকর্মীরা এসে দেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তে পাঠান। সেখান থেকেই দিঘা থানায় ফোন করে মঙ্গলবার বেচাবাবুর নিখোঁজ হওয়ার খবর জানা যায়। মৃতের ৩ বন্ধু মন্দারমণি গিয়ে দেহটি সনাক্ত করেন।  

Tags: