close

News WrapGet Handpicked Stories from our editors directly to your mailbox

মানুষের মনে ভয় ঢুকে গিয়েছে, জিয়াগঞ্জে সিবিআই চেয়ে প্রতিক্রিয়া দিলীপের

ওই শিক্ষক আরএসএস কর্মী এবং বিজেপি সমর্থক ছিলেন বলে দাবি করলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি। 

Updated: Oct 10, 2019, 09:14 PM IST
মানুষের মনে ভয় ঢুকে গিয়েছে, জিয়াগঞ্জে সিবিআই চেয়ে প্রতিক্রিয়া দিলীপের

নিজস্ব প্রতিবেদন: জিয়াগঞ্জে সপরিবারে শিক্ষককে খুনের ঘটনায় সিবিআই তদন্তের দাবি করলেন দিলীপ ঘোষ। মুর্শিদাবাদের বেলডাঙায় দলীয় সভার পর সাংবাদিকদের বিজেপির রাজ্য সভাপতি বলেন,''রাজ্য পুলিস ব্যর্থ। পুলিসের উপরে রাজ্যবাসীর আর ভরসা নেই। আমরা সিবিআই তদন্ত চাই।''     

বিজয়া দশমীতে দিনের আলোয় বাড়িতে ঢুকে নৃশংসভাবে খুন করা হয় জিয়াগঞ্জের শিক্ষক বন্ধুপ্রকাশ পাল, তাঁর অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রী ও ৬ বছরের সন্তানকে। ঘটনার পর প্রশাসনের বিরুদ্ধে তদন্তে গাফিলতির অভিযোগ উঠেছে। এখনও দোষীরা অধরা। বন্ধুপ্রকাশ পাল সক্রিয় আরএসএস কর্মী ছিলেন বলে দাবি করলেন দিলীপ ঘোষ। তবে নিহতের পরিবারের লোকজন সেই দাবি নস্যাত্ করেছেন। দিলীপ ঘোষ ব্যাখ্যা দিয়েছেন, ওই শিক্ষক আরএসএস কর্মী এবং বিজেপি সমর্থক ছিলেন। পরিবারের সঙ্গে উনি থাকতেন না। 

ঘটনায় কারা জড়িত? দিলীপবাবু বলেন,''আমি কী করে বলব? পুলিসের কাছে জানতে চাইছি, কেন খুন করা হল? আমরা চাই সত্য সামনে আসুক। মানুষের মনে ভয় ঢুকে গিয়েছে। আনন্দ-উত্সব করবে না সেই উপায় নেই।'' 

প্রশাসনের দিকে আঙুল তুলে বিজেপির রাজ্য সভাপতি আরও বলেন,''পুলিসের ব্যর্থতা নতুন কিছু নয়। সিবিআই তদন্ত হওয়া উচিত। কার উপরে ভরসা করবে? আইনশৃঙ্খলা বলে আর কিছু নেই। থাকলে তো উন্নতি অবনতি হয়!''

ঘটনায় তীব্র প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়। তাঁর মন্তব্য, আমার বুক ফেটে যাচ্ছে। মুর্শিদাবাদে একটা ভয়ঙ্কর খুন হয়েছে। মানবিকতাকে লজ্জায় ফেলে দিয়েছে। শিক্ষক, তাঁর স্ত্রী ও ৮ বছরের ছেলেকে খুন করা হয়েছে। কোনও প্রতিক্রিয়া দেয়নি রাজ্য প্রশাসন। এটা খুব গুরুতর ব্যাপার। আমি প্রশাসনের সঙ্গে কথা বলেছি। মানবিকতা আজ কোথায়? হিংস্র, ভয়ডরহীন হয়ে উঠেছে দুষ্কৃতীরা। স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ তদন্ত করা উচিত। নীরবতাই বলে দিচ্ছে তদন্তের গতিপ্রকৃতি। 

রাজ্যপালকে পাল্টা জবাব দিয়েছেন তৃণমূলের মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায়। তাঁর কথায়,''মুর্শিদাবাদের ঘটনাটি একটি পারিবারিক ঘটনা। তা নিয়ে এত অপপ্রচার কেন? বিজেপির গোষ্ঠীদ্বন্দ্বকে ধামাচাপা দিতেই রাজ্যপালকে আসরে নামানো হয়েছে।"

আরও পড়ুন- কাশ্মীর নিয়ে চিন্তিত বাংলার বুদ্ধিজীবীরা, জিয়াগঞ্জ নিয়ে নীরব কেন? প্রশ্ন বিজেপির