ইস্পাত কলোনির পার্কে বিজেপি নেতাকে মারধর, চলল গুলি, অভিযোগ তৃণমূলের দিকে

আগামী ২৩শে ফেব্রুয়ারি ডলফিন সংস্থা একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করেছিল। যেখানে রাজ্য সরকারের মন্ত্রী শশী পাঁজা, শান্তিরাম মাহাতো, তৃণমূল জেলা সভাপতি জিতেন্দ্র তেওয়ারি-সহ শীর্ষ স্থানীয় তৃণমূলের  নেতৃত্বের উপস্থিত থাকার কথা

Updated By: Feb 22, 2020, 02:36 PM IST
ইস্পাত কলোনির পার্কে বিজেপি নেতাকে মারধর, চলল গুলি, অভিযোগ তৃণমূলের দিকে
নিজস্ব চিত্র

নিজস্ব প্রতিবেদন: ইস্পাত কলোনির পার্কে ধুন্ধুমার। বিজেপি নেতাকে মারধর। চলল গুলি। অভিযোগের তির তৃণমূল কাউন্সিলরের বিরুদ্ধে। শনিবার সকালে কুমারমঙ্গলম পার্কে ব্যাপক হামলা চালায় একদল দুষ্কৃতী। লিজ নেওয়া পার্কটির কর্নধার দেবাশীষ রায়কে ব্যাপক মারধরের অভিযোগ ওঠে। চলে তিন রাউন্ড গুলিও। পার্কের ভেতর দেবাশীষবাবুর একটি রেস্তোরাঁ ভেঙে গুঁড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগ। এমনকি রেস্তোরাঁর ভেতরে থাকা সিসিটিভি , ল্যাপটপ , কম্পিউটার ভেঙে দেওয়া হয়। ঘটনাস্থলে দুর্গাপুর থানার পুলিস-সহ কমব্যাট ফোর্স।

ঘটনার সূত্রপাত পার্কের ভিতর একটি অনুষ্ঠানের অনুমতি না দেওয়াকে কেন্দ্র করে। দূর্গাপুর ইস্পাতের এই পার্কটি লিজ নেওয়া রয়েছে এক্সল্ট সার্ভিসেস লিমিটেড নামে একটি সংস্থার। সংস্থার সঙ্গে আইনি লড়াই চলছে ইস্পাত কর্তৃপক্ষের। দেবাশীষ রায় এক্সল্ট সার্ভিসেস লিমিটেডের কর্নধার, যিনি বিজেপির কর্মী বলেও পরিচিত। ডলফিন নামের একটি সংস্থা ওই পার্কেই একটি স্ন্যাক্স কাউন্টার চালায়। 

আগামী ২৩শে ফেব্রুয়ারি ডলফিন সংস্থা একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করেছিল। যেখানে রাজ্য সরকারের মন্ত্রী শশী পাঁজা, শান্তিরাম মাহাতো, তৃণমূল জেলা সভাপতি জিতেন্দ্র তেওয়ারি-সহ শীর্ষ স্থানীয় তৃণমূলের  নেতৃত্বের উপস্থিত থাকার কথা। যেহেতু এই মুহুর্তে দূর্গাপুর ইস্পাতের সঙ্গে এক্সল্ট সার্ভিসের আইনি লড়াই চলছে , তাই এই অনুষ্ঠানের অনুমতি দেয়নি এক্সল্ট। পুলিসকেও আগাম জানানো ছিল বলে দাবি দেবাশীষবাবুর।

আরও পড়ুন- CAA বিরোধী হিংসায় ভাঙচুরের পর আগামিকাল থেকে লালগোলা পর্যন্ত চালু হচ্ছে ট্রেন পরিষেবা

এরপরই আজ সকালে এই হামলা । ঘটনায় দেবাশীষ রায়-সহ ৩ থেকে ৪ জন আহত। পার্কের এক কর্মী অতুল বাগদী জানান, শেখর নামের এক তৃণমূল কর্মী তিন রাউন্ড গুলি চালায় ও প্রায় শ'খানেক ছেলে এসে মারধর, ভাঙচুর চালায়। ১০ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর রাজীব ঘোষের নেতৃত্বেই এই হামলা বলে অভিযোগ ওই বিজেপি কর্মীর। পুলিসের সামনেই হামলাকারীরা তাণ্ডব চালায় বলে অভিযোগ।

তৃণমূলের কাউন্সিলর রাজীব ঘোষের বক্তব্য, এই পার্কের লিজ শেষ হয়ে গেছে। অনুষ্ঠানের বাধা দিয়ে ভুল করেছেন। এই পার্কে অসামাজিক কাজকর্ম হয়। তারই বহিঃপ্রকাশ এলাকাবাসীর। বিজেপির পশ্চিম বর্ধমান জেলার সভাপতি লক্ষ্মণ ঘড়ুই এর বক্তব্য, পুলিসের সামনেই ভাঙচুর মারধরের ঘটনা ঘটে। দেবাশীষ রায় বিজেপির জেলা নেতা। নিন্দনীয় ঘটনা।