রাতে ফোন করে ডাকে কেউ! সকালে বাড়ির অদূরে মিলল যুবতীর অর্ধনগ্ন ক্ষতবিক্ষত দেহ

সম্পর্কের টানাপোড়েনের জেরে খুন নাকি ধর্ষণের জেরে খুন করা হয়েছে ওই তরুণীকে?

Updated By: Jan 25, 2020, 03:41 PM IST
রাতে ফোন করে ডাকে কেউ! সকালে বাড়ির অদূরে মিলল যুবতীর অর্ধনগ্ন ক্ষতবিক্ষত দেহ

নিজস্ব প্রতিবেদন : এক যুবতীর অর্ধনগ্ন দেহ উদ্ধারকে ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়াল পশ্চিম মেদিনীপুরের কেশিয়াড়িতে। ওই যুবতীকে ধর্ষণের পর খুন করা হয়েছে বলে অভিযোগ। অভিযোগ, খুনের পর বাড়ির অদূরে ফাঁকা জমিতে দেহ ফেলে রেখে যায় দুষ্কৃতীরা। খুনের ঘটনায় ওই তরুণীর প্রেমিকের বিরুদ্ধে অভিযোগের আঙুল তুলেছে মৃতার পরিবার। গোটা ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এলাকায়। পুলিস ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।

জানা গিয়েছে, ওই যুবতী কেশিয়াড়ির সাঁতরাপুর অঞ্চলে রাংটিয়া গ্রামের বাসিন্দা ছিলেন। পুলিস সূত্রে খবর, শুক্রবার রাতে কেউ বা কারা ওই তরুণীকে ফোন করে ডাকে। তারপর পরিকল্পনামাফিক ওই যুবতীকে খুন করা হয় বলে প্রাথমিক তদন্তে অনুমান। তবে কী কারণে ওই তরুণীকে খুন করা হয়েছে, তা নিয়ে এখনও ধন্দে পুলিস। যদিও স্থানীয়দের দাবি, ধর্ষণ করা হয়েছে ওই যুবতীকে। ধর্ষণের পর খুন করা হয় তাঁকে। এদিন সকালে বাড়ি থেকে খানিকটা দূরে ফাঁকা জমি থেকে উদ্ধার হয় ওই যুবতীর ক্ষতবিক্ষত দেহ।  

অন্যদিকে পরিবার সূত্রে খবর, এলাকারই এক যুবকের সঙ্গে সম্পর্ক ছিল ওই তরুণীর।  গত ৮ বছর ধরে স্বামীর সঙ্গে তাঁর কোনও সম্পর্ক ছিল না। বাপের বাড়িতেই ছিলেন ওই যুবতী। বাপের বাড়িতে থাকাকালীনই পাশের গ্রামের তপন মান্না নামে বিবাহিত এক যুবকের সঙ্গে সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েছিলেন তিনি। খুনের ঘটনায় ওই 'প্রেমিকে'র বিরুদ্ধে অভিযোগের আঙুল তুলেছেন তাঁরা।

আরও পড়ুন, নিষেধ সত্ত্বেও জোর করে নাচানাচি, সদ্যোজাতের মৃত্যুতে বৃহন্নলাদের বিরুদ্ধে কঠোর ধারা প্রয়োগ

আরও পড়ুন, মাসে আয় ১০ হাজার! টানাটানির সংসারে চুড়িদার-নাইটি বিক্রি করেই সমাজসেবায় রত গোবিন্দবাবু

প্রাথমিক তদন্তের পর পুলিস মনে করছে, বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে গিয়ে দূরেই খুন করা হয়েছে ওই যুবতীকে। কিন্তু তারপর দেহ এনে ফেলে দেওয়া হয় বাড়ির কাছে। খুনের ঘটনায় তদন্ত শুরু করেছে পুলিস। ক্ষতবিক্ষত রক্তাক্ত দেহটি ময়নাতদন্তের জন্য পাঠিয়েছে। সম্পর্কের টানাপোড়েনের জেরে খুন নাকি ধর্ষণের জেরে খুন করা হয়েছে ওই তরুণীকে? গোটা ঘটনায় ধন্দে পুলিস, খুঁজছে উত্তর। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট হাতে এলেই মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে  জানা যাবে বলে মনে করছে পুলিস।