Malda: প্রকাশ্য দিবালোকে নদীর মাটি কেটে পাচার, তৃণমূলের বিরুদ্ধে মদতের অভিযোগ
নদী ভাঙ্গন মালদায় প্রতি বছরের সমস্যা। বর্ষাকালে ভাঙ্গনের তীব্রতা বাড়ায় নদীগর্ভে তলিয়ে যায় বিঘার পর বিঘা জমি, বাড়ি, বাগান সর্বস্ব। জেলার প্রধান তিনটি নদীর মধ্যে গঙ্গা এবং ফুলাহার এই দুটি নদীর ভাঙন প্রতি বছর সর্বস্বান্ত করে বহু মানুষকে। আর সেই ফুলহার নদী থেকে বেআইনিভাবে মাটি কেটে পাচারের অভিযোগ উঠেছে মাফিয়াদের বিরুদ্ধে।
রণজয় সিংহ: প্রকাশ্য দিবালোকে নদীর মাটি কেটে পাচার। মালদার মানিকচকের নাজিরপুর এলাকায় ফুলহার নদীর মাটি কেটে পাচার হচ্ছে প্রকাশ্য দিবালোকে। জেলাশাসকের কাছে লিখিত অভিযোগ দায়ের করলেন বিজেপি যুব মোর্চার নেতার। এভাবে মাটি কাটা হলে বর্ষাকালে ভয়াবহ ভাঙ্গন দেখা দিবে ফুলহার নদীতে আশঙ্কা স্থানীয়দের।
শাসকের মদতেই চলছে মাটি পাচারের কাজ অভিযোগ বিজেপির। বেআইনি কাজ হলে প্রশাসন আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেবে প্রতিক্রিয়া তৃণমূলের। লিখিত অভিযোগে বিডিও এবং বিএলআরও-কে ঘটনার তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন মালদার জেলা শাসক।
নদী ভাঙ্গন মালদায় প্রতি বছরের সমস্যা। বর্ষাকালে ভাঙ্গনের তীব্রতা বাড়ায় নদীগর্ভে তলিয়ে যায় বিঘার পর বিঘা জমি, বাড়ি, বাগান সর্বস্ব। জেলার প্রধান তিনটি নদীর মধ্যে গঙ্গা এবং ফুলাহার এই দুটি নদীর ভাঙন প্রতি বছর সর্বস্বান্ত করে বহু মানুষকে। আর সেই ফুলহার নদী থেকে বেআইনিভাবে মাটি কেটে পাচারের অভিযোগ উঠেছে মাফিয়াদের বিরুদ্ধে। আর এই বিষয়ে মালদার জেলা শাসকের কাছে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন বিজেপি যুব মোর্চার নেতা সুভাষ যাদব।
আরও পড়ুন: Anubrata Mondal: কেষ্টর দিল্লি যাত্রা নিয়ে টানাপোড়েন অব্যাহত! ফিসচুলার সমস্যায় হাসপাতালে অনুব্রত
সুভাষ যাদবের অভিযোগ তৃণমূল কংগ্রেসের নেতাদের মদতেই বিআইনিভাবে ফুলহার নদী থেকে মাটি কাটা হচ্ছে। এইভাবে মাটি কাটা হলে বর্ষাকালে ভয়াবহ আকার ধারণ করবে ফুলহার নদী। এই ঘটনায় আতঙ্কিত এলাকার বাসিন্দারা। আর প্রকাশ্য দিবালোকে এইভাবে মাটিকাটা নিয়ে তৃণমূল এবং বিজেপির শুরু হয়েছে চাপানউতোর।
আরও পড়ুন: Weather Today: আরও বাড়বে তাপমাত্রার পারদ? বসন্তের মরসুমে উষ্ণ শহর!
বিজেপির অভিযোগ শাসকের মদতে প্রকাশ্য দিবালোকে এই ধরনের কাজ চলছে। তাই প্রশাসন নির্বিকার। যদিও তৃণমূল নেতৃত্বে দাবি অভিযোগ করা হলে প্রশাসন আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেবে। এই বিষয়ে মালদার জেলাশাসক নীতিন সিঙ্ঘানিয়া জানিয়েছেন, ‘লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। মানিকচকের বিডিও এবং বিএলআরও-কে ঘটনার তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কারো বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা হবে’।