)
নারায়ণ সিংহরায়: ভরা বাজারে কঙ্কাল! আর্বজনার স্তুপে মানুষের মাথার খুলি, হাড়গোড়! কোথা থেকে এল? তদন্তে নেমেছে পুলিস। ঘটনাকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্য ছড়াল শিলিগুড়ির নকশালবাড়ি এলাকায়।
এদিন সকালে নকশালবাড়ির বাজারে আর্বজনার স্তুপে একটি বস্তা পড়ে থাকতে দেখেন স্থানীয় বাসিন্দারা। কীসের বস্তা? নেহাতই কৌতুহলবশত সেই বস্তাটি খোলেন কয়েকজন, তখন চমকে ওঠেন তাঁরা। ঘটনাটি জানাজানি হতেই রীতিমতো হুড়োহুড়ি শুরু হয়ে যায় এলাকায়।কেন? দেখা যায়, ওই বস্তায় রয়েছে মানুষের মাথার খুলি, হাড়গোড়া! খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় পুলিস। বস্তাবন্দি হাড়়ঘোড় ও মাথার খুলি উদ্ধার করে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে। ওই হাড়গুলির বিভিন্ন অংশে কিছু লেখা রয়েছে। প্রাথমিক তদন্তে অনুমান, উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজে কোনও পড়ুয়াই হয়তো সেগুলি ফেলে গিয়েছে।

করোনা মোকাবিলায় তখন লকডাউন চলছে রাজ্যে। ২০২০-র জুলাই মাসে শিলিগুড়ির সুভাষপল্লির একটি বাড়ির চাল থেকে উদ্ধার হয় মাথার খুলি, মানুষের হাড়! কোথা থেকে এল এই মানুষের মাথার খুলি, হাড়গোড়? জানা গিয়েছিল, যে বাড়ির চালে মাথার খুলি, হাড়গোড় পাওয়া গিয়েছে, সেই বাড়ির বাসিন্দা ছিলেন খোকা চক্রবর্তী ও তাঁর স্ত্রী। ১৫ বছর আগে প্রয়াত হন দু'জনেই। বাবা-মায়ের সঙ্গে ওই বাড়িতে থাকতেন তাঁদের ভাগ্নে ভিক্টর চক্রবর্তী। পেশায় তিনি বেসরকারি সংস্থার নিরাপত্তারক্ষী। প্রতিবেশীদের দাবি, বাবা-মায়েক মৃত্যুর নাকি মানসিক অবসাদে ভুগছিলেন ভিক্টর। বাড়ি থেকে রীতিমতো দুর্গন্ধ বেরোচ্ছিল। এলাকার প্রাক্তন কাউন্সিলরকে খবর দেন স্থানীয় বাসিন্দারা। পুরসভার লোকজন যখন বাড়ি পরিস্কার করতে আসেন, তখন বাড়ির চাল থেকে উদ্ধার হয় থার খুলি, হাড়গোড়।
এই ঘটনার কয়েক মাস বাদে কঙ্কাল উদ্ধার হয় দক্ষিণণ ২৪ পরগনার ফলতায়। সেদিন দুপুরে স্থানীয় দেবীপুর কালিতলা গ্রাম লাগোয়া মাঠে খেলতে গিয়েছিল দুই নাবালক। তখন মাঠের ভিতরে জলাজমিতে একটি কঙ্কাল দেখতে পায় তারা। চিৎকার শুনে ঘটনাস্থলে জড়ো হন আশেপাশের লোকজন। মুহূর্তে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে এলাকায়। দেওয়া হয় থানায়। পুলিস এসে সেই কঙ্কালটিকে উদ্ধার করে। এমনকী, কঙ্কাল পাওয়া গিয়েছিল দুর্গাপুরে ঘনবসতিপূর্ণ এলাকায়ও।