কুড়ি বার চুরি! চৌর্যবৃত্তিকেই পেশা করলেন ইংরেজিতে MA পাস যুবক

একটি চুরির ঘটনার কিনারা করতে গিয়ে বড়সড় ঘটনা প্রকাশ্যে এল।

Updated By: Jun 20, 2021, 06:45 PM IST
কুড়ি বার চুরি! চৌর্যবৃত্তিকেই পেশা করলেন ইংরেজিতে MA পাস যুবক
প্রতীকী ছবি

নিজস্ব প্রতিবেদন: চুরি করা পেশা ও নেশা। আর চুরি করতে গিয়েই এবার পুলিসের জালে এম এ পাশ চোর। একটি চুরির ঘটনার কিনারা করতে গিয়ে বড়সড় ঘটনা প্রকাশ্যে এল। ঘটনাটি ঘটেছে হাওড়ার সাকরাইল থানায়। চুরির জন্য গ্রেফতার হল আসানসোলের বাসিন্দা মূল পান্ডা সৌমাল্য চৌধুরী সহ মোট তিনজনক। 

ধৃতদের কাছ থেকে উদ্ধার হয়েছে প্রায় দশ লক্ষাধিক মূল্যের সোনার গহনা।পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে, সৌমাল্য চৌধুরী, ইংরেজিতে এম এ পাস।কিন্তু চুরি করাই তার নেশা। আর এটাকেই পেশা হিসেবে বেছে নিয়েছে সে। আসানসোল, হাওড়া, হুগলি জেলায় কমপক্ষে কুড়িটি চুরির ঘটনায় সে যুক্ত।

তার বাবা সরকারি অফিসার ছিলেন।মা ছিলেন শিক্ষিকা। ছেলের কু কীর্তির কথা জানতে পেরে আত্মঘাতী হন মা। এতেও তার স্বভাবে কোনও পরিবর্তন আসেনি। সৌমাল্য চুরি করাকেই পেশা করে নেয়।একবার আসানসোল পুলিসের হাতে ধরা পড়ে কয়েকমাসের জন্য জেল খেটে ছাড়াও পেয়েছে।

আরও পড়ুন, কালিয়াচককাণ্ডে মহম্মদ আসিফের ১২ দিনের পুলিসি হেফাজত, নির্দেশ আদালতের

গত ৯ জুন হাওড়ার সাকরাইল থানার অন্তর্গত দুইলা এলাকায় একটি ফ্ল্যাট থেকে প্রায় দশ ভরি সোনার গহনা চুরি করে চম্পট দেয় সে।স্কুটি করে পালাবার সময় ফ্ল্যাটের এক আবাসিক স্কুটির নম্বর লিখে নেয়। এই নম্বরের সূত্র ধরেই পাশকুড়া থেকে গ্রেফতার করা হয় সৌমাল্য চৌধুরী ও তার এক সাগরেদ প্রকাশ সাসমলকে।

এরপর পশ্চিম মেদিনীপুরের দাসপুর এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয় মাধব সামন্তকে। হাওড়া সিটি পুলিসের ডি সি সাউথ প্রতীক্ষা ঝাঁকরিয়া জানান, মাধব সামন্তকে চুরির মাল বিক্রি করেছিল এরা। হাওড়াতে বিভিন্ন এলাকায় নটি চুরি করেছে অভিযুক্তরা। ধৃতদের হাওড়া আদালতে পেশ করে নিজেদের হেফাজতে নেবার আবেদন করেছে পুলিস। কারণ পুলিসের অনুমান বাকি চুরির ঘটনার কিনারা করা যাবে তাদেরই জেরা করে।