সূত্রের খবর, রমজান মাস শুরুর আগেই ভোটপর্ব শেষ করতে চায় রাজ্য সরকার। তাই মে মাসের প্রথমেই পঞ্চায়েত নির্বাচন করতে পারে রাজ্য।
পঞ্চায়েত ভোটের আগে তৃণমূল কর্মীদের জন্য বড় নির্দেশ। দলীয় কর্মীদের উদ্দেশে এক বার্তায় তৃণমূলের মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায় জানিয়েছেন, পঞ্চায়েত নির্বাচনের প্রচারে শুধু মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবি-ই ব্যবহার করা যাবে।
পঞ্চায়েত ভোটের স্টিয়ারিং কমিটিতেও রাখা হয়নি কলকাতার মেয়রকে।
পাখির চোখ পঞ্চায়েত নির্বাচন। ঘাসফুলকে হারিয়ে বঙ্গে পদ্মফুলের ঝড় তুলতে মরিয়া বিজেপি। নির্বাচন জিততে একদিকে যেমন চলছে এফএম-এর মাধ্যমে জনসংযোগের ভাবনা, তেমনই চলছে দলীয় কর্মী-সমর্থকদের মনোবল চাঙ্গা করার প্রয়াসও। তবে সেই মনোবল চাঙ্গা করার বার্তার মধ্যে দিয়েই তৃণমূল কংগ্রেসের উদ্দেশে প্রচ্ছন্ন হুঁশিয়ারি দিলেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি।
পঞ্চায়েত নির্বাচনকে সামনে রেখে এবার এফএম রেডিও স্টেশন খোলার ভাবনা রাজ্য বিজেপির। রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে দলীয় মতাদর্শ এবং কেন্দ্রের কর্মসূচি তুলে ধরতেই এই ভাবনা। তবে কি দলীয় সংগঠনের ওপর ভরসা রাখতে না পেরে রেডিওকেই জনসংযোগের হাতিয়ার করতে চায় বিজেপি? প্রশ্ন উঠছে দলের অন্দরেই।
ভোট টানতে এবার মহিলাদের উন্নয়নকে হাতিয়ার করছে তৃণমূল । রাজ্যের মহিলাদের জন্য মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরকার কী করেছে, তা সামনে রেখেই এবার জোর কদমে প্রচার অভিযানে নামছে তৃণমূলের মহিলা শাখা।
সময়েই হচ্ছে পঞ্চায়েত ভোট। বৃহস্পতিবার সংরক্ষণ তালিকা প্রকাশ করল রাজ্য নির্বাচন কমিশন। আগামী ২৯ নভেম্বরের মধ্যে কারও কোন অভিযোগ থাকলে তা জানাতে হবে বলে কমিশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।
পঞ্চায়েত ভোটের আগে কল্পতরু মুখ্যমন্ত্রী। তারকেশ্বর মন্দির উন্নয়নে ৫ কোটি টাকা। জেলায় মেডিক্যাল কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়। হুগলিকে দু-হাত ভরে দিলেন মমতা। আর, উন্নয়নের কাজে যাতে ভুলচুক না হয় সে জন্য সতর্ক করে দিলেন নিজের দলের জনপ্রতিনিধিদের।
পুরসভা ও পঞ্চায়েত ভোটে জোটের পক্ষেই ঘুরিয়ে রায় দিল সিপিএম কেন্দ্রীয় কমিটি। বৈঠকে এপ্রসঙ্গে আলোচনায় কেন্দ্রীয় কমিটি সদস্যদের মত, এই ধরনের নির্বাচনে স্থানীয়ভাবে আলোচনা করেই সিদ্ধান্ত নিতে হবে। তবে বিধানসভা ও লোকসভা নির্বাচনের ক্ষেত্রে কেন্দ্রীয় কমিটির অনুমোদনের প্রয়োজন।
পঞ্চায়েতে প্রার্থী হতে চান। ফোন করুন। সদস্যপদের পর এবার প্রার্থীপদেও মোবাইল সার্ভিস বিজেপির। পূর্ব মেদিনীপুর জেলার একাধিক জায়গায় পড়েছে পোস্টার।
সামনের বছর রাজ্যে পঞ্চায়েত ভোট। তার আগে নেতাজি ইন্ডোর স্টেডিয়ামে পঞ্চায়েত সম্মেলন উপস্থিত মুখ্যমন্ত্রী। ত্রিস্তর পঞ্চায়েতে নির্বাচিত প্রতিনিধিদের সিংহভাগই তৃণমূলের। ভোটের আগে তাঁদের জন্য 'কল্পতরু' মুখ্যমন্ত্রী।
রমজান মাসে পঞ্চায়েত ভোটে আপত্তি জানিয়ে সুপ্রিম কোর্টে আপিল করল রাজ্য সরকার। শীর্ষ আদালত রাজ্যকে রিভিউ পিটিশন দাখিলের নির্দেশ দিয়েছে। রিভিউ পিটিশনের প্রক্রিয়া দীর্ঘ। তাই খুব তাড়াতাড়ি এই সমস্যার সমাধান হবে বলে মনে করছে না কোনও পক্ষই।
পাঁচ দফা নয়, বাহিনী সমস্যা মেটাতে পঞ্চায়েত ভোটকে চার দফায় করতে রাজি রাজ্য সরকার। প্রথম দফায় দোসরা জুলাই, জঙ্গলমহলের তিন জেলায় ভোট করানোর প্রস্তাব দিয়েছেন রাজ্যের অ্যাডভোকেট জেনারেল। চৌঠা জুলাই, দুই চব্বিশ পরগনা, হাওড়া, হুগলি, বর্ধমান ও পূর্ব মেদিনীপুরে ভোট করার প্রস্তাব দিয়েছে রাজ্য সরকার। ছয়ই জুলাই নদিয়া, মালদহ, মুর্শিদাবাদ ও বীরভূমে ভোট করার প্রস্তাব সরকারের।
পঞ্চায়েত ভোট শেষ না হওয়া পর্যন্ত সিপিআইএম যেখানেই সভা করবে, সেখানে হামলা চালাবে তৃণমূল। সিপিআইএম নেতাকর্মীদের গাছে বেঁধে পেটানো হবে। বর্ধমানের প্রকাশ্য সভায় হুমকি দিলেন তৃণমূল নেতা সজল পাঁজা।মন্তেশ্বর বাজারে দাঁড়িয়ে সজল পাঁজার হুমকি, এবার থেকে সিপিআইএম কর্মীরা যেন দেখেশুনে পথ চলেন। কারণরাস্তায় তাঁদের পিঠে লাঠি ভাঙতে পারেতৃণমূলকর্মীরা।
নিরাপত্তারক্ষী নিয়ে রাজ্য সরকারের সঙ্গে টানাপোড়েনের মাঝেই পর্যবেক্ষকদের জন্য একগুচ্ছ নির্দেশিকা জারি করল রাজ্য নির্বাচন কমিশন। তাত্পর্যপূর্ণ ভাবে মনোময়নপত্র জমা দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরুর আগেই পর্যবেক্ষকদের জেলায় জেলায় পৌঁছে যেতে বলা হয়েছে। হাইকোর্টের নির্দেশ মেনে প্রতিটি বুথে নিরাপত্তা ব্যবস্থা থাকছে কিনা, সে দিকে পর্যবেক্ষকদের নজর রাখতে বলা হয়েছে।
পঞ্চায়েত ভোট নিয়ে সরকারের সঙ্গে সংঘাতের জেরে আদালতের দ্বারস্থ হতে পারে রাজ্য নির্বাচন কমিশন। চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে সোমবার বৈঠকে বসবে কমিশন। রাজ্যে পঞ্চায়েত ভোট নিয়ে রাজ্য নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে সরকারের সঙ্ঘাত তুঙ্গে। সরকার একতরফা ভাবে পঞ্চায়েত ভোটের দিন ঘোষণা করে দেওয়ায় আদালতের দ্বারস্থ হতে পারে নির্বাচন কমিশন।
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সত্, একথা তিনি মানেন না। প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর এই মন্তব্যের বিরোধিতায় এবার পাল্টা আক্রমণে নামলেন তৃণমূল নেতারা। মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিমের দাবি, মুখ্যমন্ত্রীর সততা নিয়ে গোটা দেশে কোনও প্রশ্ন নেই। অথচ মানুষ নির্বাচনে যাকে প্রত্যাখ্যান করেছেন, সেই বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য এসব প্রশ্ন তুলছেন। সেই কারণে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর মানসিক ভারসাম্য নিয়েই প্রশ্ন তুললেন পুর ও নগরোন্নয়ন মন্ত্রী।
পঞ্চয়েত নির্বাচনে মানুষের রায় বানচাল করার চেষ্টা চালাবে রাজ্য সরকার এবং শাসক দল। শনিবার দমদমে দলের এক কর্মিসভায় একথা বলেন সিপিআইএম নেতা তথা রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য। পঞ্চায়েতের লড়াইয়ে দুলীয় কর্মীদের এক ইঞ্চি জমিও না ছাড়ার নির্দেশ দিয়েছেন তিনি। ডিসেম্বর মাসের শুরু থেকেই পঞ্চায়েত নির্বাচনের লক্ষ্যে সর্বাত্মকভাবে নেমে পড়ার পরিকল্পনা করেছে সিপিআইএম।
এর আগে ২০০৮-এ শরিকি ঐক্য না হওযার কারণে পঞ্চায়েতে খারাপ ফলাফল হয় বামেদের। সেইকারণেই এবার আগেভাগেই পঞ্চায়েত ভোটের জন্য ঐক্য নিশ্চিত করার কাজ শুরু করে দিলেন বাম নেতারা। বৃহস্পতিবার আলিমুদ্দিন স্ট্রিটে বামফ্রন্টের বৈঠক বসে। সিদ্ধান্ত হয়েছে, একেবারে গ্রাম স্তর থেকে বামঐক্য নিশ্চিত করতে সব রকমের পদক্ষেপ নেওয়া হবে।