WhatsApp: ভারতে হোয়াটসঅ্যাপের ৪০০ মিলিয়নেরও বেশি ব্যবহারকারী রয়েছে। আদালতে তারা জানিয়েছে যে মানুষ হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহার করে মূলত এর গোপনীয়তা বৈশিষ্ট্যগুলির কারণে।

জি ২৪ ঘণ্টা ডিজিটাল ব্যুরো: এবার শিক্ত অবস্থান নিল মেটা। প্রয়োজনে ভারত ছেড়ে চলে যেতেও রাজি তারা। জানা গিয়েছে হোয়াটসঅ্যাপ দিল্লি হাইকোর্টকে বলেছে যে মেসেজিং প্ল্যাটফর্মটি ভারতে বন্ধ করে দেওয়া হবে যদি তাঁকে নিজেদের প্লাটফর্মের বার্তা এনক্রিপশন ভাঙতে বাধ্য হয়। এই এনক্রিপশনের মাধ্যমে প্লাটফর্মে পাঠানো বার্তা শুধুমাত্র প্রেরক এবং প্রাপক পড়তে এবং অ্যাক্সেস করতে পারেবে সেই সুরক্ষা ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হয়।
মেটা-মালিকানাধীন কোম্পানির আইনজীবী আদালতকে বলেন, ‘একটি প্ল্যাটফর্ম হিসেবে, আমরা বলছি, যদি আমাদের এনক্রিপশন ভাঙতে বলা হয়, তাহলে হোয়াটসঅ্যাপ চলে যাবে’।
হোয়াটসঅ্যাপ কেসটি কী?
হোয়াটসঅ্যাপ এবং ফেসবুকের মূল সংস্থা মেটা তথ্য প্রযুক্তি (ইন্টারমিডিয়েরি গাইডলাইনস এবং ডিজিটাল মিডিয়া এথিক্স কোড) বিধিমালা ২০২১ কে চ্যালেঞ্জ করছে। এই বিধি অনুযায়ী কোম্পানিগুলিকে চ্যাট ট্রেস করতে এবং বার্তার প্রেরকদের সনাক্ত করতে হবে।
আদালতে কী বললেন হোয়াটসঅ্যাপ?
ভারতে হোয়াটসঅ্যাপের ৪০০ মিলিয়নেরও বেশি ব্যবহারকারী রয়েছে। আদালতে তারা জানিয়েছে যে মানুষ হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহার করে মূলত এর গোপনীয়তা বৈশিষ্ট্যগুলির কারণে।
হোয়াটসঅ্যাপ যুক্তি দিয়েছে যে কোনও নিয়ম অ্যাপের এনক্রিপশনের পাশাপাশি ব্যবহারকারীদের গোপনীয়তাকে ক্ষুণ্ন করে ভারতের সংবিধানের ১৪, ১৯ এবং ২১ অনুচ্ছেদের অধীনে নিশ্চিত করা মৌলিক অধিকারগুলি লঙ্ঘন করে।
সংস্থার আইনজীবী বলেন, ‘বিশ্বের আর কোথাও এমন নিয়ম নেই। এমনকি ব্রাজিলেও নয়। আমাদের একটি সম্পূর্ণ চেইন রাখতে হবে এবং আমরা জানি না কোন বার্তাগুলিকে ডিক্রিপ্ট করতে বলা হবে। এর মানে লক্ষ লক্ষ বার্তা কয়েক বছর ধরে সংরক্ষণ করতে হবে’।
মেটা সিইও মার্ক জাকারবার্গ ভারত নিয়ে কী বললেন?
মেটা সিইও মার্ক জাকারবার্গ গত বছর মেটার বার্ষিক ইভেন্টে ভার্চুয়াল বক্তৃতায় বলেছিলেন, ‘ভারত হল এমন একটি দেশ যেটি সবচেয়ে এগিয়ে আছে... মানুষ এবং ব্যবসা কীভাবে মেসেজিংকে গ্রহণ করেছে তার পরিপ্রেক্ষিতে আপনি বিশ্বের নেতৃত্ব দিচ্ছেন’।
(দেশ, দুনিয়া, রাজ্য, কলকাতা, বিনোদন, খেলা, লাইফস্টাইল স্বাস্থ্য, প্রযুক্তির টাটকা খবর, আপডেট এবং ভিডিয়ো পেতে ডাউনলোড-লাইক-ফলো-সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের App, Facebook, Whatsapp Channel, X (Twitter), Youtube, Instagram পেজ-চ্যানেল)