)
জি ২৪ ঘণ্টা ডিজিটাল ব্যুরো: আগামী ৩১ মে থেকে ১১ জুন-- এই সময়ের মধ্যেই উত্তর কোরিয়া কৃত্রিম উপগ্রহ উৎক্ষেপণ করবে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও তার বন্ধুদের সামরিক কর্মকাণ্ডের উপর নজরদারির জন্যই এই সামরিক কৃত্রিম উপগ্রহ উৎক্ষেপণ করতে চলেছে উত্তর কোরিয়া। দেখতে গেলে একরকম গুপ্তচরবৃত্তির জন্যই উৎক্ষেপণের এই কর্মকাণ্ড সম্পাদিত হবে। আজ, মঙ্গলবার উত্তর কোরিয়ার এক সিনিয়র প্রতিরক্ষা কর্মকর্তা সংবাদমাধ্যমে তেমনই জানিয়েছেন। তবে মূল খবরটি বেরিয়েছিল এর আগের দিনই, সোমবার। জাপান এ খবরটি জানিয়েছিল। তারা জানতে পেরেছিল, চলতি সপ্তাহেই পিয়ংইয়ং একটি কৃত্রিম উপগ্রহ উৎক্ষেপণ করতে পারে।
গত মার্চে দক্ষিণ কোরিয়া ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে বড় ধরনের যৌথ সামরিক মহড়া ফ্রিডম শিল্ড ২৩ অনুষ্ঠিত হয়েছে। এটি গত পাঁচ বছরের মধ্যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র-দক্ষিণ কোরিয়ার সবচেয়ে বড় যৌথ সামরিক মহড়া। আর এই মহড়ারই বিরোধিতা করে উত্তর কোরিয়া। সেই সময়েই মহড়ার আগে-পরে একের পর এক ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়ে নিজেদের শক্তি প্রদর্শন করে তারা।
উত্তর কোরিয়ার ক্ষমতাসীন দলের কেন্দ্রীয় সামরিক কমিশনের ভাইস চেয়ারম্যান রি পিয়ং-চোল একটি নিউজ এজেন্সিকে জানিয়েছেন, মিলিটারি রিকোনাইস্যান্স স্যাটেলাইট নাম্বার ওয়ান জুনেই উৎক্ষেপণ করা হবে। তবে এর আগে ১৩ এপ্রিল নতুন এক আন্তঃমহাদেশীয় ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষা চালিয়েছে উত্তর কোরিয়া। উত্তর কোরিয়া সরকার জানিয়েছে, এটি একটি সলিড ফুয়েল ক্ষেপণাস্ত্র।
ওই ক্ষেপণাস্ত্র উত্তর কোরিয়ার অস্ত্রভাণ্ডারের সবচেয়ে শক্তিশালী বলে জানানো হয়েছে। সলিড ফুয়েল ক্ষেপণাস্ত্রটি তুলনামূলক দ্রুত উৎক্ষেপণ করা যায়। এই ক্ষেপণাস্ত্রকে সহজে ট্র্যাক করা বা প্রতিহত করা কঠিন।
উত্তর কোরিয়ার শাসক কিম জং-উন তখন বলেছিলেন, তাদের এই আন্তঃমহাদেশীয় ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের সফল পরীক্ষা তাদের প্রতিদ্বন্দ্বী দেশগুলির মনে ভয় ও উদ্বেগ বাড়িয়ে দেবে।