আছে অন্তত ৩০ লক্ষ মানুষকে আশ্রয় দেওয়ার ক্ষমতা, তাও একজন রিফিউজিরও আশ্রয় হচ্ছে না সৌদিতে

৩০ লক্ষ মানুষের থাকার জন্য মজুত ১০ লক্ষ তাঁবু। তবুও একজন রিফিউজিকেও আশ্রয় দিতে নারাজ সৌদি আরব। যেখানে ইউরোপের বেশ কিছু দেশ  বাস্তুহারাদের আশ্রয় দিতে চেষ্টা করছে, সেখানে সৌদি আরব যেভাবে পিছু হটল, তাতে হতবাক সমগ্র বিশ্ব।  

Updated By: Sep 12, 2015, 04:31 PM IST
আছে অন্তত ৩০ লক্ষ মানুষকে আশ্রয় দেওয়ার ক্ষমতা, তাও একজন রিফিউজিরও আশ্রয় হচ্ছে না সৌদিতে

ওয়েব ডেস্ক: ৩০ লক্ষ মানুষের থাকার জন্য মজুত ১০ লক্ষ তাঁবু। তবুও একজন রিফিউজিকেও আশ্রয় দিতে নারাজ সৌদি আরব। যেখানে ইউরোপের বেশ কিছু দেশ  বাস্তুহারাদের আশ্রয় দিতে চেষ্টা করছে, সেখানে সৌদি আরব যেভাবে পিছু হটল, তাতে হতবাক সমগ্র বিশ্ব।  

১৯৯০ সালে সৌদি সরকার এই ১০ লক্ষ তাঁবু তৈরি করেছিল। ১৯৯৭ সালে তা আরও বিলাস বহুল ভাবে পুনঃনির্মিত হয়। প্রতিটি তাবুর আয়তন ৮ মিটার/৮ মিটার। রয়েছে স্নানঘর, শৌচালয় এবং রান্নাঘর।     

সিরিয়ায় গৃহযুদ্ধের কারণে ঘরছাড়া অন্তত ৪০ লক্ষ মানুষ। এই অবস্থায় একজন শরণার্থীকেও আশ্রয় দিতে নারাজ সৌদি।
 
ওয়াশিংটন পোস্টের প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে সৌদির মতই, কাতার, কুয়েত-এই দেশ গুলিও গৃহহীনদের আশ্রয় দিতে অস্বীকার করেছে। যদিও সৌদি আরবের সরকার দাবি করেছে ২০১১ সালে তারা ৫ লক্ষ সিরিয়া বাসিদের আশ্রয় দিয়েছে। নিজের দেশে আশ্রয়ের বদলে সৌদির প্রস্তাব, দেশের সরকার জার্মানিতে ২০০টি মসজিদ গড়ে দিতে রাজি, যেখানে অন্তত ৫ লক্ষ শরণার্থীরা আশ্রয় নিতে পারবে। মক্কায় হজ চলাকালীন এই ১০ লক্ষ তাবুর প্রয়োজন রয়েছে তাদের। তাই সেই স্থান ছাড়তে নারাজ সৌদি সরকার।

২০ কিলোমিটার জায়গা জুড়ে সৌদি আরবে তৈরি করা হয়েছে বিলাস বহুল রিসর্ট। সেখানে প্রতিটি তাবুই শীততাপ নিয়ন্ত্রিত। এই তাঁবু বছরের ৩৬৫ দিনের মধ্যে মাত্র ৫ দিনের জন্য ব্যবহার করা হয়। সেটাও হজে আগত হাজীদের জন্য।