close

News WrapGet Handpicked Stories from our editors directly to your mailbox

টাইফুন নেসাতের তাণ্ডবে লন্ডভন্ড উত্তর ফিলিপিন্স

টাইফুন নেসাতের তাণ্ডবে লন্ডভন্ড উত্তর ফিলিপিন্স। ইতিমধ্যেই বাইশ মাসের এক শিশুসহ সাতজনের মৃত্যু হয়েছে। নিখোঁজ চারজন। মঙ্গলবার ভোরে উত্তর লুজোন দ্বীপে আছড়ে পড়ে নেসাত‍। এরপর থেকেই বেড়েছে বৃষ্টির মাত্রা। অপেক্ষাকৃত নিচু এলাকাগুলি বন্যার জলে ডুবে গেছে। এরই মধ্যে বাঁধ থেকে জল ছাড়ায় কোনও কোনও এলাকায় বন্যার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। শুরু হয়েছে উদ্ধারকাজ।

Updated: Sep 27, 2011, 11:08 PM IST

টাইফুন নেসাতের তাণ্ডবে লন্ডভন্ড উত্তর ফিলিপিন্স। ইতিমধ্যেই বাইশ মাসের এক শিশুসহ সাতজনের মৃত্যু হয়েছে। নিখোঁজ চারজন। মঙ্গলবার ভোরে উত্তর লুজোন দ্বীপে আছড়ে পড়ে নেসাত‍। এরপর থেকেই বেড়েছে বৃষ্টির মাত্রা। অপেক্ষাকৃত নিচু এলাকাগুলি বন্যার জলে ডুবে গেছে। এরই মধ্যে বাঁধ থেকে জল ছাড়ায় কোনও কোনও এলাকায় বন্যার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। শুরু হয়েছে উদ্ধারকাজ। শুধু এবছরেই ষোলোবার টাউফুনের তাণ্ডব দেখল ফিলিপিন্স।কেটসানার ভয়াবহ স্মৃতি ফিরিয়ে আনছে নেসাত্‍। দুবছর আগের সেই টাইফুনের জেরে রেকর্ড বৃষ্টি হয়েছিল উত্তর ফিলিপিন্সে। মৃত্যু হয়েছিল শতাধিক মানুষের। মঙ্গলবার ঘণ্টায় প্রায় দুশ কিলোমিটার ঝোড়ো হাওয়ার সঙ্গে উত্তর লুজোন দ্বীপের ইসাবেলা এবং অরোরা প্রদেশে নেসাত্‍ আছড়ে পড়ার পর থেকে সেই আতঙ্কই তাড়া করে ফিরছে ফিলিপিন্সের বাসিন্দাদের। মনে করা হচ্ছে এবারও প্লাবিত হতে পারে বেশ কিছু এলাকা। সবচেয়ে খারাপ অবস্থা রিজালের। ক্যাটাগরি থ্রি টাইফুন নেসাত্‍ আছড়ে পড়ার পর থেকে বৃষ্টির মাত্রা বাড়ায় জলে ভাসছে অপেক্ষাকৃত নিচু এলাকা। কোথাও বুকসমান জল তো কোথাও মাথাসমান।

এরই মধ্যে বাঁধ থেকে জল ছাড়ায় বেশ কিছু জায়গায় বন্যার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। তবে, প্রশাসনের তরফে বন্যার আগাম সতর্কবার্তা দেওয়ায় ঘরের বাইরে পা রাখছেন না কেউ। সবচেয়ে শোচনীয় দশা ফুটপাতের বাসিন্দাদের।বাইট-বন্যার জল এত দ্রুত বাড়ছে যে যেভাবে হোক ওঁদের উদ্ধার করতেই হবে। ত্রাণের আশায় প্রায় একশ পরিবার বাড়ি ছেড়ে বাস্কেটবল কোর্ট এবং বিভিন্ন স্কুলবাড়িতে আশ্রয় নিয়েছে। আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, আছড়ে পড়ার পর শক্তি হারিয়ে নেসাত্‍ লুজোন দ্বীপের পশ্চিম উপকুল ছেড়ে উত্তর ভিয়েতনামের দিকে চলে যাওয়ায় প্রশান্ত মহাসাগরে একটি নিম্নচাপ দানা বেঁধেছে। এর জেরে সপ্তাহভর দুর্যোগের আশঙ্কা রয়েছে উত্তর লুজোনে।