কালিয়াচক, ফরাক্কা, ঢোলাহাট, গত নয় মাসে বার বার টার্গেট হচ্ছে পুলিস!

কালিয়াচক, ফরাক্কা, ঢোলাহাট। গত নয় মাসে বার বার টার্গেট হচ্ছে পুলিস। জনতার ভিড়ে মিশে হামলা চালাচ্ছে দুষ্কৃতীরা। রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় সুপরিকল্পিতভাবে চলছে হামলা। কারা রয়েছে পিছনে? কাদের মদতে চলছে হামলা? কেন হামলার আঁচ করতে পারছে না পুলিস? সমস্যাটা কোথায়?  জানুয়ারিতে কালিয়াচক। অগস্টে ফরাক্কা। সেপ্টেম্বরে ঢোলা হাট। তিন জায়গা, ঘটনা এক। উত্তেজিত জনতার রোষের মুখে পুলিস। থানায় হামলা। গাড়িতে আগুন।রবিবার ঢোলা হাট থানায় চড়াও হয় একদল উত্তেজিত জনতা। পুলিসের দাবি, জনতার ভিড়ে মিশে ছিল একদল দুষ্কৃতী। থানা লক্ষ্য করে যারা বোমা ছোঁড়ে। থানায় ঢুকে গুলিও চালানো হয়। প্রমাণ হিসাবে SLR-এ গুলির ছবি প্রকাশ করেছে পুলিস। প্রত্যক্ষদর্শীরাও বলছেন, ইটপাটকেলের সঙ্গে বোমাও পড়েছে। উদ্ধার হয়েছে পাইপগানও। ব্যবসায়ীর খুনিকে গ্রেফতারের দাবিতে হওয়া বিক্ষোভে বোমা এল কোথা থেকে? তবে কী হামলার ছক পূর্ব পরিকল্পিত? সেজন্যই সঙ্গে করে বোমা নিয়ে এসেছিল বিক্ষোভকারীরা? ঠিক যেমনটা ঘটেছিল ফরাক্কায়।গতমাসেই ফরাক্কাতে বিদ্যুতের দাবিতে বিক্ষোভ দেখাচ্ছিলেন গ্রামবাসীরা। ছোটখাটো বিক্ষোভ আচমকাই চেহারা নেয় রণক্ষেত্রের। পুলিসকে লক্ষ্য করে চলে গুলি,বোমা। অবস্থা নিয়ন্ত্রণের বাইরে যাওয়ায় শূণ্যে গুলি চালায় পুলিসও। ঘটনাস্থল থেকে পরে উদ্ধার হয় প্রচুর তাজা বোমা, গুলি। তবে, হামলার এই ট্র্যাডিশনের সূত্রপাত ঘটেছিল জানুয়ারিতে, মালদার কালিয়াচকে। কালিয়াচক থানায় হামলা চালায় একদল উত্তেজিত জনতা। থানায় রেকর্ড রুমে ঢুকে বেছে বেছে পুড়িয়ে দেওয়া হয় একাধিক গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্র।

Updated By: Sep 12, 2016, 07:20 PM IST
কালিয়াচক, ফরাক্কা, ঢোলাহাট, গত নয় মাসে বার বার টার্গেট হচ্ছে পুলিস!

ওয়েব ডেস্ক: কালিয়াচক, ফরাক্কা, ঢোলাহাট। গত নয় মাসে বার বার টার্গেট হচ্ছে পুলিস। জনতার ভিড়ে মিশে হামলা চালাচ্ছে দুষ্কৃতীরা। রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় সুপরিকল্পিতভাবে চলছে হামলা। কারা রয়েছে পিছনে? কাদের মদতে চলছে হামলা? কেন হামলার আঁচ করতে পারছে না পুলিস? সমস্যাটা কোথায়?  জানুয়ারিতে কালিয়াচক। অগস্টে ফরাক্কা। সেপ্টেম্বরে ঢোলা হাট। তিন জায়গা, ঘটনা এক। উত্তেজিত জনতার রোষের মুখে পুলিস। থানায় হামলা। গাড়িতে আগুন।রবিবার ঢোলা হাট থানায় চড়াও হয় একদল উত্তেজিত জনতা। পুলিসের দাবি, জনতার ভিড়ে মিশে ছিল একদল দুষ্কৃতী। থানা লক্ষ্য করে যারা বোমা ছোঁড়ে। থানায় ঢুকে গুলিও চালানো হয়। প্রমাণ হিসাবে SLR-এ গুলির ছবি প্রকাশ করেছে পুলিস। প্রত্যক্ষদর্শীরাও বলছেন, ইটপাটকেলের সঙ্গে বোমাও পড়েছে। উদ্ধার হয়েছে পাইপগানও। ব্যবসায়ীর খুনিকে গ্রেফতারের দাবিতে হওয়া বিক্ষোভে বোমা এল কোথা থেকে? তবে কী হামলার ছক পূর্ব পরিকল্পিত? সেজন্যই সঙ্গে করে বোমা নিয়ে এসেছিল বিক্ষোভকারীরা? ঠিক যেমনটা ঘটেছিল ফরাক্কায়।গতমাসেই ফরাক্কাতে বিদ্যুতের দাবিতে বিক্ষোভ দেখাচ্ছিলেন গ্রামবাসীরা। ছোটখাটো বিক্ষোভ আচমকাই চেহারা নেয় রণক্ষেত্রের। পুলিসকে লক্ষ্য করে চলে গুলি,বোমা। অবস্থা নিয়ন্ত্রণের বাইরে যাওয়ায় শূণ্যে গুলি চালায় পুলিসও। ঘটনাস্থল থেকে পরে উদ্ধার হয় প্রচুর তাজা বোমা, গুলি। তবে, হামলার এই ট্র্যাডিশনের সূত্রপাত ঘটেছিল জানুয়ারিতে, মালদার কালিয়াচকে। কালিয়াচক থানায় হামলা চালায় একদল উত্তেজিত জনতা। থানায় রেকর্ড রুমে ঢুকে বেছে বেছে পুড়িয়ে দেওয়া হয় একাধিক গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্র।

আরও পড়ুন জানেন ভারতীয় ক্রিকেটে সবথেকে কিপ্টে ক্রিকেটার কে?

কালিয়াচক হোক,ফরাক্কা বা ঢোলা হাট।পারিপার্শ্বিক পরিস্থিতি ইঙ্গিত করছে, তিনজায়গাতেই হামলা হয়েছে পরিকল্পনামাফিক। কালিয়াচকে থানার হামলার তদন্ত করে NIA। তদন্তে সামনে আসে চাঞ্চল্যকর তথ্য। কালিয়াচক থানায় হামলার সঙ্গে স্থানীয় কেউ জড়িত ছিল না। জালনোটের কারবারিরা সীমান্ত পার থেকে লোক নিয়ে এসে হামলা চালায়। পুলিসের দাবি, ফরাক্কাতে হামলার পিছনে হাত ছিল এলাকার নামী কয়েকজন দুষ্কৃতীর প্রাথমিক তদন্তে, ঢোলাহাটের ঘটনাতেও, কয়েকজন কুখ্যাত দুষ্কৃতীর নামই সামনে আসছে কালিয়াচকের মতোই ঢোলা হাটেও থানার ভিতর রেকর্ড রুমে ঢুকে আগুন লাগানোর চেষ্টা হয়। সবমিলিয়ে এটা স্পষ্ট, রাজ্যজুড়ে সক্রিয় একটি দুষ্কৃতী চক্র। জনতার ভিড়ে মিশে যারা নিশানা করছে পুলিসকে। সুপরিকল্পিতভাবে রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ভাঙার চেষ্টা চলছে। মানছেন পুলিস কর্তারাও।  একইসঙ্গে মানছেন পুলিসের খামতির দিকটাও। বার বার এধরণের ঘটনা ঘটলেও, আগে থেকে কোনও খবরই থাকছে না পুলিসের কাছে। আগে থেকে চিহ্নত করা যাচ্ছে না দুষ্কৃতীদের।  মারাত্মক গোয়েন্দা ব্যর্থতার জেরে হামলার আগের মুহুর্ত পর্যন্ত অন্ধকারে থাকছে পুলিস। তবে, আরও গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন হামলা পিছনে পরিকল্পনা কী শুধুই দুষ্কৃতীদের নাকি পিছনে রয়েছে সাম্প্রদায়িক উস্কানিও?

আরও পড়ুন  বিয়ে করতে সবাই ছুটছে যে দ্বীপে!