বৈঠক ইতিবাচক, বললেন মুখ্যমন্ত্রী

Update: May 7, 2012 15:10 IST

হিলারির সঙ্গে বৈঠক ইতিবাচক। সোমবার মার্কিন বিদেশসচিবের সঙ্গে বৈঠকের পর একথা জানালেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। প্রায় এক ঘণ্টা বৈঠকের পর মহাকরণে সাংবাদিক সম্মেলনে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, "হিলারি ক্লিনটনের সঙ্গে বৈঠক ইতিবাচক হয়েছে।"

বৈঠকে, রাজ্যে মার্কিন বিনিয়োগ নিয়ে আলোচনা হয়েছে বলে জানান মুখ্যমন্ত্রী। তিনি জানান, উত্পাদনশিল্প, তথ্যপ্রযুক্তি ও পর্যটনে মার্কিন বিনিয়োগ নিয়ে কথা হয়েছে। রাজ্য সরকারের প্রয়োজনে পাশে দাঁড়ানোর প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন হিলারি ক্লিনটন। তবে খুচরো ব্যাবসায় বিদেশি বিনিয়োগ ও তিস্তাচুক্তি নিয়ে কোনও আলোচনা হয়নি বলে জানিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

সোমবার বেলা এগারোটা নাগাদ মহাকরণে পৌঁছন হিলারি ক্লিনটন। রাজ্য প্রশাসনের সদর দফতরে তাঁকে স্বাগত জানান মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এর পর মুখ্যমন্ত্রীর ঘরে ঢুকে যান দুজনে। হিলারির সঙ্গে মহাকরণে এসেছে একটি প্রতিনিধিদল। মহাকরণে হিলারির মোট দুটি বৈঠক করার কথা। প্রথমে মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে একান্তে আলোচনা করবেন তিনি। পরে প্রতিনিধি দল নিয়ে বৈঠক করবেন মুখ্যমন্ত্রী ও মার্কিন বিদেশসচিব। মার্কিন বিদেশসচিবের বৈঠককে কেন্দ্রে করে কড়া নিরাপত্তায় মুড়ে ফেলা হয়েছে মহাকরণ। গত রাত থেকেই মহাকরণ ও সংলগ্ন এলাকা চলে গিয়েছিল এফবিআই গোয়েন্দাদের নিয়ন্ত্রণে। মহাকরণের সামনে যানবাহনও নিয়ন্ত্রণ করা হচ্ছে।

তাজ বেঙ্গল হোটেল থেকে বেরিয়ে সোমবার সকাল সাড়ে নটা নাগাদ লা মার্টিনিয়ার স্কুলে যান হিলারি ক্লিনটন। সেখানে পড়ুয়াদের সঙ্গে বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনায় অংশ নেন তিনি। সেখান থেকে হিলারির কনভয় রওনা দেয় মহাকরণের দিকে। মহাকরণে মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে প্রায় ঘণ্টাখানেকের বৈঠকের পর বিমানবন্দেরর উদ্দেশ্যে রওনা দেন তিনি। বেলা ১টা ১২ মিনিটে মার্কিন বায়ুসেনার বিমান হিলারিকে নিয়ে দিল্লি উড়ে যায়।

রবিবারই কলকাতায় এসে পৌঁছন মার্কিন বিদেশসচিব হিলারি ক্লিনটন। বেলা ১টা নাগাদ মার্কিন এয়ারফোর্সের বিশেষ বিমানে দমদম বিমানবন্দরে পৌঁছন তিনি। বিমানবন্দর থেকে সোজা তাজ বেঙ্গল হোটেলে চলে যায় হিলারি ক্লিনটনের কনভয়। বিকেল সাড়ে চারটে নাগাদ সেখান থেকে আইসিসিআর-এর উদ্দেশ্যে রওনা দেন তিনি। সেখানে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মার্কিন বিদেশসচিব। সূচী মেনে বিকেল সাড়ে পাঁচটায় ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়ালে পৌঁছন তিনি। সৌধ ঘুরে সওয়া ছটা নাগাদ তাজ বেঙ্গলে ফেরে হিলারির কনভয়।






Post Your Comment

Total Comments:3

I am a regular viewer of 24 ghanta news channel. Thank you for your good news.

nice work.

aamader garber bangla-er itihas-e aaj ekti saroniyo din hoye thakbe....rajnaitik samalochona aasbei, karon mr.macknamara-ke ek din ai kolkatate aamra ``go back`` bolechi,kalo pataka dekhiechi....kintu aaj paribartito paribese aamader CM-er sathe markin bidesh sachiber aalochana bangla-ke aag sudhu jatio prekkhapate noi,bisswa darbare-o sanmaner sathe aalochonar bisay bastu kore tulbe.

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।