মরসুমের প্রথম গ্র্যান্ড স্লাম থেকে বিদায় ফেডের

Update: January 25, 2013 18:44 IST

অস্ট্রেলিয়ান ওপেন থেকে বিদায় নিলেন রজার ফেডেরর। এ দিনের রুদ্ধশ্বাস সেমিফাইনালে অ্যান্ডি মারের কাছে ৬-৪, ৬-৭, ৬-৩, ৬-৭, ৬-২ সেটে পরাজিত হন ফেড। এই প্রথম কোনও গ্র্যান্ড স্লামে মারে হারালেন ফেডেররকে। রবিবার বিশ্বের ১ নম্বর নোভাক জকোভিচের মুখোমুখি হবেন মারে।

মেলবোর্ন পার্কে শুরুটা দুরন্ত করেছিলেন তরুণ মারে। প্রথম সেটের দ্বিতীয় গেমেই ফেডেরারের থেকে সার্ভিস ছিনিয়ে নেন তিনি। এর পর প্রথম সেট ব্যাগে পুরতে কোনও সমস্যা হয়নি ব্রিটেনের ১ নম্বরের। পরের সেটে হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের পর টাই ব্রেকারে জেতেন ফেডেরর। তৃতীয় সেটে আবার বাজিমাত করেন লন্ডন অলিম্পিকে সোনা জেতা মারে। চতুর্থ সেটে পিছিয়ে পরেও কামব্যাক করেন ফেডেরার। যদিও নির্ণায়ক সেটে পরিচিত মেজাজে পাওয়া যায়নি ১৭টি গ্র্যান্ড স্লামের মালিককে।

দু'বার পিছিয়ে পরার পরও দারুণভাবে ম্যাচে ফিরে এসেছিলেন সুইস মহাতারকা। কিন্তু শেষরক্ষা হয়নি। নির্ণায়ক সেটে অ্যান্ডি মারের দুরন্ত টেনিসের কাছে হার মানতে হয় ফেডেরারকে। আজকের ম্যাচে মোট ১৬টা 'এস' সার্ভ করেন মারে। চলতি বছরের অস্ট্রেলিয়ান ওপেনের কোনও ম্যাচেই ৫ নম্বর দেটে যেতে হয়নি মারেকে।






Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।