গ্রুপের শীর্ষে থেকে আই লিগের দ্বিতীয় ডিভিসনের মূলপর্বে গেল মহামেডান গ্রুপের শীর্ষে থেকে আই লিগের দ্বিতীয় ডিভিসনের মূলপর্বে গেল মহামেডান

গ্রুপের শীর্ষে থেকে আই লিগের দ্বিতীয় ডিভিসনের মূলপর্বে গেল মহামেডান। শনিবার নিজেদের মাঠে নেরোকা এফ সি-কে এক-শূন্য গোলে হারাল সাদা-কালো। এই প্রথম ময়দানে আই লিগের দ্বিতীয় ডিভিসনের ম্যাচ হল। মহমেডানের খেলা দেখার জন্য মাঠ ভরিয়েছিলেন কয়েকজ হাজার দর্শক। তাদের নিরাশ করেনি সুব্রত ভট্টাচার্যের দল। মহমেডানের হয়ে জয়সূচক গোলটি করেন বসন্ত সিং। গোলের সুযোগ নষ্ট না করলে আরও বড়ব্যবধানে জিততে পারত সাদা-কালো। প্রথম পর্বে আটটির মধ্যে পাঁচটিতেই জিতেছে মহমেডান। আপাতত দু সপ্তাহের বিশ্রাম। ফেব্রুযারীর শুরু থেকে মূলপর্বের প্রস্তুতি নেমে পড়বে সাদা-কালো। মূলপর্বের আগে দলকে ঢেলে সাজানোর পরিকল্পনা রয়েছে মহমেডান কোচের। বিদেশি হিসাবে অভিজ্ঞ ইয়াকুবু ছাড়াও নজরে রয়েছে রয়্যাল ওয়াইন্ডোর এক বিদেশিও ।

কুপারেজে মুম্বই এফ সি-র বিরুদ্ধে প্রথম জয়ের খোঁজে ইস্টবেঙ্গল কুপারেজে মুম্বই এফ সি-র বিরুদ্ধে প্রথম জয়ের খোঁজে ইস্টবেঙ্গল

কুপারেজে মুম্বই এফ সি-র বিরুদ্ধে প্রথম জয়ের খোঁজে ইস্টবেঙ্গল। সুপার সানডেতে অ্যাওয়ে ম্যাচে খালিদ জামিলের দলের বিরুদ্ধে মাঠে নামছে লাল-হলুদ। কুপারেজে মুম্বইয়ের দলটিকে তিনবারের সাক্ষাতে একবারও হারাতে পারেনি ইস্টবেঙ্গল। রবিবার সেই ট্র্যাক রেকর্ড বদলাতে মরিয়া র‍্যান্টিরা। ওডাফাদের অ্যাওয়ে ম্যাচে বেশ আত্মবিশ্বাসী লাল-হলুদ শিবির। তবে চোটের কারণে শেহনাজ সিংয়ের না থাকাকে ধাক্কা হিসাবেই দেখছেন কোচ বিশ্বজিত ভট্টাচার্য। তারকা মিডফিল্ডারের অনুপস্থিতিতে প্রথম একাদশে বদল করতেই হচ্ছে লাল-হলুদ কোচকে। অ্যাওয়ে ম্যাচে মাঠে নামার আগে মুম্বই এফ সি-কে যথেষ্ট সমীহ করছে ইস্টবেঙ্গল। কুপারেজের ছোট মাঠও চিন্তায় রাখছে তাদের। শেহনাজের অনুপস্থিতিতে প্রথম একাদশে ফিরছেন মেহতাব হোসেন। তিন পয়েন্ট না হলেও অন্তত এক পয়েন্ট নিয়ে মুম্বই থেকে ফিরতে চাইছে লাল-হলুদ শিবির।

  আই লিগে বড় জয় পেল মোহনবাগান আই লিগে বড় জয় পেল মোহনবাগান

আই লিগে বড় জয় পেল মোহনবাগান। বারাসতে  সালগাঁওকরকে চার-দুই গোলে হারিয়ে দিল গতবারের চ্যাম্পিয়নরা। প্রথম ম্যাচে আইজলকে তিন গোল দেওয়ার পর গোয়ার দলটিকেও চার গোল দিল সঞ্জয় সেনের দল। পরপর দুম্যাচে গোল পেলেন গ্লেন,বলবন্ত। সবুজ-মেরুন জার্সিতে প্রথম ম্যাচেই গোল পেলেন ব্রাজিলীয় ডিফেন্ডার লুসিয়ানোও। তবে এত কিছুর পরও ডার্বির আগে ডিফেন্স নিয়ে চিন্তা থেকেই গেল মোহনবাগান কোচের। আটচল্লিশ মিনিটে চার গোলে এগিয়ে যাওয়ার পর দু গোল হজম করতে হল বাগান ডিফেন্সকে। আগের ম্যাচের মতই সালগাঁওকরের বিরুদ্ধেও প্রথমার্ধটা ছিল মোহনবাগানেরই। প্রথম মিনিটেই পেনাল্টি পেতে পারত সবুজ-মেরুন। তবে আট মিনিটের মধ্যেই গোল করে সবুজ-মেরুনকে এগিয়ে দেন কাতসুমি। বাইশ মিনিটে পেনাল্টি থেকে ব্যবধান বাড়ান কর্নেল গ্লেন। কয়েক মিনিটের মধ্যেই হেডে সবুজ-মেরুন জার্সিতে নিজের প্রথম গোলটা করে যান লুসিয়ানো। তখন মাঠ জুড়ে শুধুই সবুজ-মেরুন জার্সির দাপট। জ্যাঁকিচাদ-হাওকিপ-ডাফিদের সেভাবে দাঁত ফোটাতে দেননি শৌভিক-প্রণয়রা। দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই হেডে দুরন্ত গোল করে মোহনবাগানকে চার গোলে এগিয়ে দেন বলবন্ত। কিন্তু তারপরই ম্যাচের রাশ হারিয়ে ফেলে সবুজ-মেরুন। বাগান ডিফেন্সে চাপ বাড়াতে থাকেন ডাফিরা। উনসত্তর আর পঁচাশি মিনিটে দুটো গোলও করে যান সালগাঁওকরের ডাফি আর গুরজিন্দর। দেবজিত বেশ কয়েকটা সেভ না করলে স্কোরলাইন অন্যরকম হতেও পারত। বড়ম্যাচের আগে জেজে-রাজু-প্রবীরকে পরিবর্ত হিসাবে মাঠে নামিয়ে দেখে নেন সঞ্জয় সেন। ডিফেন্সে ফাঁকফোকর থাকলেও আপফ্রন্টের পারফরম্যান্স বড়ম্যাচের আগে নিঃসন্দেহে স্বস্তিতে রাখবে বাগান থিঙ্কট্যাঙ্ককে।

জয় দিয়ে আইলিগ অভিযান শুরু করল ইস্টবেঙ্গল জয় দিয়ে আইলিগ অভিযান শুরু করল ইস্টবেঙ্গল

জয় দিয়ে আইলিগ অভিযান শুরু করল ইস্টবেঙ্গল। অ্যাওয়ে ম্যাচে স্পোর্টিং ক্লুব দ্য গোয়াকে তিন-এক গোলে হারিয়ে দিল বিশ্বজিত্ ভট্টাচার্যের গোল। জোড়া গোল করে ম্যাচের নায়ক র‍্যান্টি মার্টিন্স। একটি গোল করেন বিকাশ জাইরু। স্পোর্টিংয়ের হয়ে গোল করেন ওডাফা। অন্যদিকে, সোনির কলকাতায় আসা আরও পিছল। ফলে সালগাঁওকর ম্যাচেও অনিশ্চিত সোনি নর্দি।  হাইতিয়ান তারকার কলকাতায় পৌছতে বুধবার অথবা বৃহস্পতিবার হয়ে যেতে পারে।  আই লিগের নিয়মানুয়ায়ী ম্যাচের আটচল্লিশ ঘণ্টা আগে রেজিস্ট্রেশন করাতে হয়। অনুশীলনে না দেখে মোহনবাগান কোচ কারও নামে রেজিস্ট্রশন করাতে নারাজ। ফলে বড়ম্যাচেই হয়ত মোহনবাগান জার্সিতে প্রথমবার খেলতে দেখা যাতে পারে সোনিকে।

স্পোর্টিং ম্যাচ দিয়ে আইলিগ অভিযান শুরু করছে ইস্টবেঙ্গল স্পোর্টিং ম্যাচ দিয়ে আইলিগ অভিযান শুরু করছে ইস্টবেঙ্গল

স্পোর্টিং ম্যাচ দিয়ে আইলিগ অভিযান শুরু করছে ইস্টবেঙ্গল। আরব সাগর তিরে প্রথম ম্যাচে ওকোলি ওডাফাকে সামলানোর চ্যালেঞ্জ লালহলুদের সামনে। ইস্টবেঙ্গল-স্পোর্টিং লড়াইয়ে সবার নজর ওডাফা-র‍্যান্টির দ্বৈরথের দিকে। সুপার সান্ডেতে গোয়ায় স্পোর্টিং ক্লুবের বিরুদ্ধে ম্যাচ দিয়ে আই লিগের অভিযান শুরু করছে ইস্টবেঙ্গল। আরব সাগর তিরে প্রথম ম্যাচে ওকোলি ওডাফাকে সামলানোর চ্যালেঞ্জ লালহলুদের সামনে। আই লিগে স্পোর্টিং মশাল বাহিনীর সামনে বরাবরই শক্ত গাঁট। সাম্প্রতিক অতীতে স্পোর্টিংয়ের থেকে পয়েন্ট কাড়তে বারবার বেগ পেতে হয়েছে ইস্টবেঙ্গলকে। অতীতের ট্র্যাক থেকে শিক্ষা নিয়ে সাবধানে পা ফেলতে চান বিশ্বজিত ভট্টাচার্য। গোয়ার মাটিতে স্পোর্টিং গাঁট ছাড়াতে মরিয়া লালহলুদ ব্রিগেড।

আইজল এফসিকে হারিয়ে আই লিগ অভিযান শুরু করল গতবারের চ্যাম্পিয়ন মোহনবাগান আইজল এফসিকে হারিয়ে আই লিগ অভিযান শুরু করল গতবারের চ্যাম্পিয়ন মোহনবাগান

আইজল এফসিকে তিন-এর গোলে হারিয়ে আই লিগের অভিযান শুরু করল গতবারের চ্যাম্পিয়ন মোহনবাগান। জোড়া গোল করে বাগানের জয়ের নায়ক কর্নেল গ্লেন। একটি গোল করেছেন বলবন্ত। সোনি নর্ডির অভাব  প্রথম ম্যাচে পূরণ করে দিলেন গ্লেন-বলবন্ত জুটি। কারও চোট। কেউ আবার অফিস খেলায় ব্যস্ত। এরকম পরিস্থিতিতে আইলিগের প্রথম ম্যাচের জন্য দল গড়তে কার্যত হিমশিম খেতে হয়েছিল মোহনবাগান কোচ সঞ্জয় সেনকে। তাই কেরিয়ারের অন্যতম কঠিন ম্যাচ থেকে তিন পয়েন্ট পেয়ে সন্তোষ প্রকাশ করলেন সঞ্জয় সেন। আইএসএল খেলা ফুটবলারদের পারফরম্যান্সে হতাশ সঞ্জয় সেন। আইলিগের প্রথম ম্যাচ জিতে আইএসএলের হাইপ্রোফাইল কোচদের খোঁচা দিয়ে রাখলেন বাগান কোচ। সঞ্জয়ের দাবি আইএসএল নয়। আইলিগই ফুটবলারদের জাত চেনায়।

সরকারের ক্রীড়া দিবস অনুষ্ঠানে অ্যাটলেটিকোর কর্ণধার থাকলেও আমন্ত্রণই জানানো হয়নি সবুজমেরুনকে সরকারের ক্রীড়া দিবস অনুষ্ঠানে অ্যাটলেটিকোর কর্ণধার থাকলেও আমন্ত্রণই জানানো হয়নি সবুজমেরুনকে

তিন মাস আগে এই নেতাজী ইন্ডোরে মোহনবাগানের একশো পঁচিশ বছর পূর্তির সেলিব্রেশন অনুষ্ঠানে এসে  আই লিগ চ্যাম্পিয়ন দলকে  সরকারের পক্ষ থেকে সংবর্ধনা দেওয়ার কথা ঘোষণা করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। মঙ্গলবার ইন্ডোরে হয়ে গেল রাজ্য সরকারের নিজস্ব ক্রীড়া দিবস অনুষ্ঠান। মনে করা হয়েছিল মুখ্যমন্ত্রীর প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী এই অনুষ্ঠানেই পুরস্কৃত করা হবে আই লিগ সেরাদের। তবে কোথায় কি?সংবর্ধনা তো দুরের কথা, অনুষ্ঠানের জন্য আমন্ত্রণই জানানো হয়নি সবুজমেরুনকে। । পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে তখন হাজির মোহনবাগানের কার্যকরী কমিটির দুই সদস্য সত্যজিত চ্যাটার্জি ও বিদেশ বোস। তাদের অবশ্য এতে বিশেষ হেলদোল আছে বলে মনে হল না। মঞ্চে অ্যাটলেটিকো দ্য কলকাতার কর্ণধার থাকলেও জায়গা হয়নি কলকাতার তিন প্রধানের কোনও কর্তার।