ফিরে দেখা বলিউডের উল্লেখযোগ্য কিছু যুদ্ধের ছবি

যুদ্ধ লেগেছে বলিউডে। এই যুদ্ধ স্ক্রিন জুড়ে। কখনও ইতিহাসকে সাক্ষী রেখে, কখনও যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে প্রেমের ছোঁয়া। একের পর এক যুদ্ধের ছবি মুক্তির অপেক্ষায় বলিউডে। শাহিদ, সৈফ কঙ্গণার রঙ্গুন বা রানা, তাপসির দ্য গাজি অ্যাটাক। এই আবহে, ফিরে দেখা যাক বলিউডের কিছু উল্লেখযোগ্য যুদ্ধের ছবি।

Updated By: Jan 17, 2017, 03:27 PM IST
ফিরে দেখা বলিউডের উল্লেখযোগ্য কিছু যুদ্ধের ছবি

ওয়েব ডেস্ক: যুদ্ধ লেগেছে বলিউডে। এই যুদ্ধ স্ক্রিন জুড়ে। কখনও ইতিহাসকে সাক্ষী রেখে, কখনও যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে প্রেমের ছোঁয়া। একের পর এক যুদ্ধের ছবি মুক্তির অপেক্ষায় বলিউডে। শাহিদ, সৈফ কঙ্গণার রঙ্গুন বা রানা, তাপসির দ্য গাজি অ্যাটাক। এই আবহে, ফিরে দেখা যাক বলিউডের কিছু উল্লেখযোগ্য যুদ্ধের ছবি।

পর্দা জুড়ে ধুন্ধুমার লড়াই। বোমার তোপ, গুলি বিনিময়ে হিরো, ভিলেনের। এমন ছবি কে না দেখেছে বলিউডে। আর এই ছবিতে যদি থাকে জাতীয়তাবাদের ছোঁয়া, তা হলে তো কথাই নেই। ছবি সুপারহিট। এমন উদাহরণ অনেক রয়েছে বলিউডে। প্রথমেই আসবে বর্ডার ছবির কথা। মাল্টিস্টারার এই ছবি নিপুন ভাবে ফুটিয়ে তুলেছিল ভারতীয় জওয়ানের জীবন। বর্ডার সুরক্ষায় মোতায়ন যেই মানুষগুলোর জীবনের সুখ দুঃখ চোখে জল এনেছিল সবার। বক্স অফিসে সাড়াও মিলেছিল। সাতানব্বই সালেই প্রায় একষট্টি কোটির ব্যবসা করেছিল ছবি। সঙ্গে তো টেলিভিশন সত্ব রয়েছেই। কারণ স্বাধীনতা দিবস হোক বা প্রজাতন্ত্র,  প্রায়সই এই ছবি টিভিতে দেখতে অভ্যস্ত আমরা।

আরও পড়ুন খুল্লাম খুল্লায় বাবা রাজকাপুরকে নিয়ে একাধিক বোমা ফাটালেন ঋষি কাপুর

একই রকম ছবি এল ও সি কার্গিল। কার্গিল যুদ্ধের উত্তাপ ছবিতে তুলে ধরেছিলেন এক ঝাঁক তারকা। পর্দায় সেই লড়াই, এবং যুদ্ধে দেশের জয়ে উচ্ছ্বসিত হয়েছিল দেশবাসীও। বক্স অফিসে পড়েছিল তার প্রভাব। চল্লিশ কোটির ছবিতে, মুনাফা হয়েছিল ষাট কোটি। এখনও মাঝে মধ্যেই কার্গিল যুদ্ধ জয়ের ছবি, জাতীয়তাবাদের নাড়া দিয়ে যায় মনে।

দেশভক্তিকে ভর করে আরো যুদ্ধের ছবি পেয়েছি আমরা। মঙ্গল পান্ডে এমনই এক ছবি। এই ছবির জন্য পরিশ্রম কম করেননি আমির। মোটা গোঁফ, লম্বা চুলে মঙ্গল পান্ডে হিসেবে খুব একটা যে মানিয়েছিল তাঁকে, তেমনটা নয়। বক্স অফিসেও তেমন সাড়া মেলেনি। ব্যবসায়িক সাফল্যও তাই অধরা ছিল।

শুধুই যে দেশপ্রেম এমন নয়। প্রেমের গল্পের প্রেক্ষাপটেও, কখনও এসেছে যুদ্ধ। যেমন মিশন কাশ্মীর বা লক্ষ্য। দুটো ছবিতেই হিরো হৃতিক রোশন ছিলেন বাড়তি আকর্ষণ। মিশন কাশ্মীরের ব্যবসা প্রায় একশ কোটি, লক্ষ্যের বাজার ছিল তেত্রিশ কোটি। দুটো ছবিই লাভের মুখ দেখেছিল। তালিকায় রয়েছে সুজিত সরকার পরিচালিত মাদ্রাজ ক্যাফেও। এলটিটিইর সঙ্গে ভারতরে যুদ্ধ এবং রাজীব গান্ধীকে হত্যার ঘটনা, টানটান চিত্রনাট্যে ফুটিয়ে তুলেছিলেন পরিচালক। ব্যবসায়িক সাফল্যও এসেছিল। পয়ত্রিশ কোটি খরচের এই ছবির ব্যবসা করেছিল একান্ন কোটি।

আরও পড়ুন বেবো ডার্লিংয়ের প্রাক্তন এবং বর্তমানের সঙ্গে জমিয়ে রোম্যান্স বলিউড কুইনের

উল্লেখযোগ্য চিটাগং ছবিটিও। নাসার বিজ্ঞানী বেদব্রত পাইনের তৈরি ছবি, চট্টোগ্রামের অস্ত্রভান্ডার লুঠের প্রেক্ষাপটে। শোরগোল পড়েছিল ছবি নিয়ে, ব্যবসাও খারাপ হয়নি। তবে ছবিতে যে রেড ক্যামেরা প্রযুক্তি ব্যবহৃত হয়েছিল, সেটাই আলোচিত হয়েছিল বেশি।

এছাড়া রয়েছে বাহুবলি মত ছবি. ছবির বিষয়ে যুদ্ধ ছিল, এবং তা বিশালাকারে তুলে ধরা হযেছিল ছবিতে. ব্যবসায়িক সাফল্য এসেছিল নিঃসন্দেহে। এই সব ছবিই আশা জাগাচ্ছে, রঙ্গুন এবং দ্যা গাজি অ্যাটাকের পরিচালক প্রযোজকদের। পর্দায় হিরোর যুদ্ধ জয়। জয় আনে বক্স অফিসে। আগের ছবিগুলোই তার উদাহরণ। লিস্টে রয়েছে সলমানের টিউবলাইটও। ভারত চিনের যুদ্ধ থাকবে ছবিতে। সলমন মানেই যেহেতু ব্যাপক বক্স অফিস কালেকশন, তাই ব্যবসার ব্যাপারে নিশ্চিত হওয়াই যায়।