)
Shah Rukh Khan, Pathaan, Rani Mukerji, Mrs Chatterjee vs Norway box office collection, জি ২৪ ঘণ্টা ডিজিটাল ব্যুরো: বেশ কয়েক বছর পর বড়পর্দায় ফিরেছেন অভিনেত্রী রানি মুখার্জি। ১৭ মার্চ মুক্তি পেয়েছে তাঁর বহু প্রতীক্ষিত ছবি ‘মিসেস চ্যাটার্জি ভার্সেস নরওয়ে’। নরওয়ের বক্স অফিসে হিন্দি ছবি হিসাবে নয়া রেকর্ড গড়েছে এই ছবি। যেহেতু ছবিটি মূলত নরওয়েকে কেন্দ্র করে আবর্তিত হয়েছে, সেই কারণেই ওই দেশের দর্শকরা ছবির মধ্যে যে সরকার বিরোধী দ্বন্দ্ব দেখানো হয়েছে সেই সম্পর্কে আরও জানার জন্য উৎসাহিত। একদিকে রয়েছে অপরিসীম কৌতূহল তো অন্যদিকে ছবিতে নরওয়ে একটি চরিত্র হিসাবেই ফুটে উঠেছে, তাই এই ছবি দেখতে নরওয়ের দর্শকরা থিয়েটারে ভিড় জমান কোনও হিন্দির ছবির জন্য যে দৃশ্য আগে কখনও দেখা যায়নি।
একটি বক্স অফিস রিপোর্ট বিশেষজ্ঞের রিপোর্ট অনুযায়ী নরওয়েতে ‘মিসেস চ্যাটার্জি ভার্সেস নরওয়ে’ ছবিটি এযাবৎ হিন্দি চলচ্চিত্রের জন্য নয়া রেকর্ড তৈরি করেছে। নরওয়েতে এই ছবিই প্রথমদিনে সর্বোচ্চ ব্যবসা করেছে। কিছু বছর আগে শাহরুখ খান অভিনীত 'রইস' ছবিটি নরওয়ের বক্স অফিসে রেকর্ড গড়েছিল। পরে সলমান খানের 'বজরঙ্গি ভাইজান' তিন দিনের রেকর্ড গড়েছিল। কিন্তু 'মিসেস চ্যাটার্জি ভার্সেস নরওয়ে' এই রেকর্ডগুলি ভেঙে দেয় এবং নরওয়েতে 'পাঠান'-এর রেকর্ডও ভেঙে দেয় এই ছবি। রানির ছবি বিদেশের বাজারে ৬০০ হাজার ডলার ব্যবসা করেছে এবং আগামী দিনে এই ছবি আরও ভাল ব্যবসা করবে বলে আশাবাদী বলিউডের ট্রেড অ্যানালিস্টরা। দেশের ব্যবসার নিরিখে এই ছবি ভারতে ১২ কোটিরও বেশি আয় করেছে।
রানি মুখোপাধ্যায়ের চরিত্রটি সাগরিকা চক্রবর্তীর জীবনের সত্য ঘটনা তুলে ধরেছে বড়পর্দায়। চাকরি সূত্রে সাগরিকা ও তাঁর স্বামী নরওয়েতে যান আর সেখানেই সংস্কৃতির বিভেদের কারণে তাঁদের দুই ছেলেমেয়েকে নরওয়ের চাইল্ড কেয়ার তাঁদের কাছ থেকে কেড়ে নেয়। সাগরিকার উপর অভিযোগ ছিল তিনি বাচ্চাদের সঠিক ভাবে মানুষ করছেন না। তাই ১৮ বছর বয়স না হলে বাচ্চাদের দায়িত্ব তাঁদের দেওয়া হবে না। নরওয়ে সরকারের এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আইনি লড়াই চালাতে শুরু করেন সাগরিকা। তাঁর সেই লড়াইয়ের কাহিনিই বড় পর্দায় তুলে ধরেছেন পরিচালক অসীমা ছিব্বর সহ রানি মুখোপাধ্যায়, অনির্বাণ ভট্টাচার্য ও অন্যান্যরা। ২০১১ সালে এই লড়াই শেষ হয় ও তাঁদের বাচ্চাদের ফিরে পান ভট্টাচার্য দম্পতি। ১৭ মার্চ মুক্তি পেয়েছে 'মিসেস চ্যাটার্জি ভার্সেস নরওয়ে'। সাগরিকা চক্রবর্তীর লেখা 'দ্য জার্নি অফ আ মাদার'-এর উপর ভিত্তি করে গল্পটি লিখেছেন সমীর সাতিজা ও রাহুল হান্ডা। সিনেমার সংগীত পরিচালনা করেছেন অমিত ত্রিবেদী।