'আমি আমার বাবার মতো' মন্তব্য সঞ্জয় কন্যা ত্রিশলার

বাবা-মেয়ের সম্পর্ক বরাবরই একটু 'স্পেশাল' হয়, এ আবার নতুন কথা কি! সে সাধারণ মানুষ হোক কিংবা, সেলিব্রিটি, একথা সবক্ষেত্রেই সত্য। অনেকেই বলে থাকেন, ''মেয়েরা মায়ের থেকে একটু বেশি বাবার ভক্তই হয়।'' একথা সত্যি কি মিথ্যা, জানি না, তবে এটুকু বলতে পারি সঞ্জয় দত্ত কন্যা ত্রিশলা দত্ত কিন্তু এক্কেবারেই তাঁর বাবার মতো। থুরি, একথা আমি নয়, বলছেন, খোদ সঞ্জয় কন্যা ত্রিশলাই।

Updated: Jul 13, 2018, 04:07 PM IST
'আমি আমার বাবার মতো' মন্তব্য সঞ্জয় কন্যা ত্রিশলার

নিজস্ব প্রতিবেদন : বাবা-মেয়ের সম্পর্ক বরাবরই একটু 'স্পেশাল' হয়, এ আবার নতুন কথা কি! সে সাধারণ মানুষ হোক কিংবা, সেলিব্রিটি, একথা সবক্ষেত্রেই সত্য। অনেকেই বলে থাকেন, ''মেয়েরা মায়ের থেকে একটু বেশি বাবার ভক্তই হয়।'' একথা সত্যি কি মিথ্যা, জানি না, তবে এটুকু বলতে পারি সঞ্জয় দত্ত কন্যা ত্রিশলা দত্ত কিন্তু এক্কেবারেই তাঁর বাবার মতো। থুরি, একথা আমি নয়, বলছেন, খোদ সঞ্জয় কন্যা ত্রিশলাই।

সম্প্রতি, ইনস্টাগ্রামে একটা নতুন ফিচার এসেছে, সেটা হল  ‘ask me any question’। এই ফিচারটা অনেক নেটিজেনই ব্য়বহার করছেন। ঠিক যেমনট করেছেন ত্রিশলা দত্তও। এই ফিচারের মাধ্যমেই তিনি তাঁর ভক্তদের নানান প্রশ্নের জবাব দিচ্ছেন। যেমন ত্রিশলাকে প্রশ্ন করা হয়েছিল সঞ্জয় দত্তের মেয়ে হিসাবে তাঁর কেমন অনুভূতি হয়? এপ্রশ্নের উত্তরে ত্রিশলার জবাব ছিল, ''আমার অনুভূতিটা এক্কেবারেই সাধারণ। যেমনটা যেকোনও মেয়ে তাঁর বাবার সম্পর্কে অনুভব করে, আমার ক্ষেত্রেও তেমনই, আলাদা কিছু নয়।'' 

ত্রিশলাকে যখন প্রশ্ন করা হয়, বাবা-মাকে ছেড়ে থাকতে কেমন অনুভূতি হয়? এক্ষেত্রে ত্রিশলার জবাব ছিল, ''আমি অনেক ছোট থেকেই বাবা-মাকে ছাড়াই থাকি, তাই তাঁদের কে ছেড়ে থাকার অনুভূতিটা আলাদা করে বুঝতে পারিনি কখনও।'' পাশাপাশি ত্রিশলাকে জিজ্ঞেস করা হয় তিনি কখন আমেরিকা গিয়েছিলেন? তিনি জানান, '' আমি এখানেই জন্মেছি, এখানেই বড় হয়েছি। '' তিনি বলিউডে আসতে চান কিনা সেপ্রশ্নের উত্তরেও সঞ্জয় কন্যা সাফ জানান, বলিউড তাঁর জন্য নয়, এতে তাঁর কোনও আগ্রহই নেই। 

পাশাপাশি ত্রিশলাকে যখন জিজ্ঞাসা করা হয়, তিনি বাবার মতো নাকি মায়ের মতো ত্রিশলা স্পষ্ট জানান, তিনি এক্কেবারেই তাঁর বাবার মতো। পাশাপাশি আরও বেশকিছু প্রশ্নের উত্তর দেন তিনি। দেখুন কী কী বলেছেন ত্রিশলা...

আরও পড়ুন-'বুড়ি' বলায় রেগে গেলেন জয়া!