কমিশনের নির্দেশ মেনে নিলেন মমতা, কালই বদলি কার্যকর করতে চলেছে রাজ্য

নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরোধ তুঙ্গে উঠল। আট আধিকারিককে বদলির যে নির্দেশ নির্বাচন কমিশন দিয়েছিল আজ বেলা ১১টা পর্যন্ত সেই নির্দেশিকায় সই না করলে চরম ব্যবস্থা নিতে পারে কমিশন। পিছোতে পারে সংশ্লিষ্ট পাঁচ জেলার ভোট। এমনকি ওই লোকসভা কেন্দ্রগুলিতে ভোট বাতিল হওয়ার সম্ভাবনাও থেকে যাচ্ছে। আজ নির্বাচন কমিশন সূত্রে এমনটাই জানা গেল।

Updated By: Apr 8, 2014, 08:37 PM IST

৮টা ৩০: ৩৬০ ডিগ্রি ঘুরে গিয়ে কমিশনের সিদ্ধান্ত মেনে নিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কার্যত নিম রাজি হয়েই নির্দেশ মতো কাল সকালের মধ্যেই ৫ জেলার পুলিস সুপার ও ১ জেলা শাসককে বদলি করা হবে বলে দূর্গাপুরে জানালেন মুখ্যমন্ত্রী। কমিশনের বিরুদ্ধে বিষেদগার করেন মুখ্যমন্ত্রী। রাজ্য সরকার সিদ্ধান্ত নিয়েছে, নির্বাচন শেষ হতেই, বদলি হওয়া প্রশাসনিক আধিকারিকরা নিজের নিজের জেলার দায়িত্বে ফিরে যাবেন।

সাংবাদিক বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী: LIVE UPDATE:

# আমরা কমিশনে অভিযোগ করা সত্ত্বেও ব্যবস্থা নেয়নি।
# কংগ্রেস-সিপিআইএম-বিজেপিতে জোট করেছে।
# কমিশন কংগ্রেসের নিযুক্ত।
# রাজ্যে নির্বাচনের দিন ঘোষণা নিয়ে পক্ষপাত করেছে কমিশন।
# নতুনরা কী করে কাজ করবে?
# যে পাঁচ পুলিস অফিসারকে সরানো হয়েছে। তাঁরা প্রত্যেকে যোগ্য। তবে কেন সরানো হল।
# কেন বসলি করা হল? আমাদের মত নেওয়া হয়নি।
# কাল চিঠি দেব, কেন আমাদের মত নেওয়া হয়নি
# কমিশনের নির্দেশ মেনে নিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কালই কমিশনের নির্দেশ মেনে বদলি এস-ডিম। নির্বাচন শেষ হলেই বদলি হওয়া পুলিস আধিকারিকরা নিজের নিজের জেলার দায়িত্বে ফিরে যাবেন।

৭টা ১১: মুখ্যমন্ত্রীকে পরামর্শ পাঠিয়ে নোট মুখ্যসচিবের। কমিশনের নির্দেশ মানা ছাড়া রাজ্যের কাছে কোনও পথ নেই এই মুহূর্তে। মুখ্যমন্ত্রীকে জানালেন মুখ্যসচিব। নব্বানে চলছে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক।

৬টা ২০: চড়মে সাংঘাতে মমতা-কমিশন। 'কমিশনের সিদ্ধান্ত মানব না', বললেন মুখ্যমন্ত্রী

৫টে ৫০: রাজ্যের সমস্ত সুপারিশ খারিজ। রাজ্যের নামের সুপারিশ মানল না কমিশন। আগামিকাল ১০ টার মধ্যে কমিশনের নির্দেশ কার্যকর করার নির্দেশ।

বিকেল ৫টা ১৫: বদলি নিয়ে রাজ্য-কমিশন সংঘাত। মন্তব্য এড়ালেন সিইও। 'রাজ্য ও কমিশনের বিষয়'। 'সিইও কার্যালয়ের কিছু করার নেই'।

১টা ৩৮: মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে শো-কজ করা হোক। দাবি বিজেপির।

১টা ৩১: দুপুরে দিল্লিতে বৈঠকে বসছে। সংঘাত না সন্ধি... কী হবে রাজ্যের ভোট ভবিষ্যৎ। বড় খবর আসছে কিছুক্ষণে। সঙ্গে থাকুন ২৪ ঘণ্টা

১টা ১৫: বদলি নিয়ে পিছু হঠল রাজ্য। ডিএম, এসপিদের বদলি মানল রাজ্য। কমিশনকে কৌশলী চিঠি মুখ্যসচিবের। ডিএম, এসপি, পদের নতুন নাম। কমিশনকে তালিকা পাঠাল রাজ্য। কমিশনের রাজ্যে আপত্তি রাজ্যের। পাঠানো হল নামের তালিকা।

১টা ০৮: নির্বাচন কমিশনকে চিঠি মুখ্যসচিবের। কমিশনের নির্দেশ ফের বিবেচনা করার আর্জি রাজ্যের। রাজ্যের তরফে ১টি জেলার ৩টি করে নাম সুপারিশ করা হয়েছে রাজ্যের তরফে।

LEAD STORY:

নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরোধ তুঙ্গে উঠল। আট আধিকারিককে বদলির যে নির্দেশ নির্বাচন কমিশন দিয়েছিল আজ বেলা ১১টা পর্যন্ত সেই নির্দেশিকায় সই না করলে চরম ব্যবস্থা নিতে পারে কমিশন। পিছোতে পারে সংশ্লিষ্ট পাঁচ জেলার ভোট। এমনকি ওই লোকসভা কেন্দ্রগুলিতে ভোট বাতিল হওয়ার সম্ভাবনাও থেকে যাচ্ছে। আজ নির্বাচন কমিশন সূত্রে এমনটাই জানা গেল।

গতকাল নির্বাচন কমিশন পশ্চিমবঙ্গের পাঁচ এসপি, একজন ডিএম ও দু`জন এডিএম-এর বদলির নির্দেশ দেওয়া হয়। আর এতেই চটেন মুখ্যমন্ত্রী। চ্যালেঞ্জ জানান কমিশনের নির্দেশকে। পরিস্কার জানিয়ে দেন তিনি মোটেও নির্বাচন কমিশনারের নির্দেশ মানবেন না।

ডিএম, এডিএম এবং পুলিস সুপারদের বদলির সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করতে গিয়ে নির্বাচন কমিশনকেই কাঠগড়ায় দাঁড় করালেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কমিশন এবং বিরোধী দলগুলির বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের অভিযোগ এনেছেন তিনি। সরাসরি আক্রমণ করেছেন উপ মুখ্য নির্বাচন কমিশনার বিনোদ জুত্‍ সিকেও। হুগলির পাণ্ডুয়ার সভায় সরাসরি চক্রান্তের অভিযোগ তুললেন নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে।

তবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মন্তব্যে এখনও কোনও আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া দেখানো হয়নি নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে। নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে এক আধিকারিক জানিয়েছেন ``নির্বাচন কমিশন সুষ্ঠু ও দুর্নীতি মুক্ত নির্বাচন চায়। যদি এই আধিকারিকদের বদলি করা না হয় তাহলে ওই লোকসভা কেন্দ্রগুলিতে নির্বাচন বাতিল হতে পারে।``

প্রসঙ্গত, ১৭ এপ্রিল থেকে পশ্চিমবঙ্গে পাঁচ দফার ভোট শুরু হবে।

এই আট অধিকারিকের বিরুদ্ধে পক্ষপাতদুষ্টতার অভিযোগ আসার পরেই তাঁদের বদলির নির্দেশ দেয় কমিশন।