করোনার ওষুধের অতিরিক্ত দাম, কার্যকারিতা নিয়ে মিথ্যা দাবি! Glenmark-কে নোটিশ পাঠাল কেন্দ্রীয় সংস্থা

অতিরিক্ত দাম, ওষুধের কার্যকারিতা নিয়েও মিথ্যা দাবির গুরুতর অভিযোগ উঠেছে FabiFlu-র বিরুদ্ধে! সে জন্য Glenmark-কে নোটিশ পাঠাল DCGI...

Edited By: সুদীপ দে | Updated By: Jul 19, 2020, 09:14 PM IST
করোনার ওষুধের অতিরিক্ত দাম, কার্যকারিতা নিয়ে মিথ্যা দাবি! Glenmark-কে নোটিশ পাঠাল কেন্দ্রীয় সংস্থা
ছবি: সংগৃহীত।

নিজস্ব প্রতিবেদন: জুন মাসের শেষের দিকে ভারতের বাজারে লঞ্চ করে করোনা চিকিৎসার কার্যকরী ওষুধ FabiFlu! করোনা-রোধী Favipiravir-এর জেরেরিক ওষুধ FabiFlu নামে বাজারে আনে Glenmark Pharma। FabiFlu-এর একপাতা ওষুধের দাম ছিল ৩,৫০০ টাকা। একপাতায় মোট ৩৪টি ট্যাবলেট থাকে। অর্থাৎ, এক একটি FabiFlu-এর দাম ১০৩ টাকা করে। এ বার এই ওষুধের মাত্রাতিরিক্ত দাম আর কার্যকারিতা নিয়ে মিথ্যা দাবির গুরুতর অভিযোগ উঠেছে!

জানা গিয়েছে, ইতিমধ্যেই এই দুই অভিযোগের ভিত্তিতে FabiFlu প্রস্তুতকারক সংস্থা Glenmark Pharma-কে নোটিশ পাঠাল কেন্দ্রীয় নিয়ন্ত্রক সংস্থা ড্রাগ কন্ট্রোলার জেনারেল অব ইন্ডিয়ার (DCGI)। এই প্রসঙ্গে নিয়ন্ত্রক সংস্থা DCGI-এর প্রধান ডঃ ভি জি সোমানি (Dr V G Somani) জানান, FabiFlu সম্পর্কে Glenmark-এর পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছিল যে এই ওষুধ করোনা সংক্রমণ কমানোর পাশাপাশি ডায়াবেটিস, হাইপারটেনশনের মতো আনুসাঙ্গিক সমস্যাগুলিকেও নিয়ন্ত্রণে রাখতে সক্ষম। কিন্তু বাস্তবে এই ওষুধের এমন কোনও কার্যকারিতা লক্ষ করা যায়নি। কেন সংস্থার পক্ষ থেকে করোনার ওষুধ সম্পর্কে এমন মিথ্যা দাবি করা হল, তার ব্যাখ্যা চাওয়া হয়েছে Glenmark-এর কাছে।

FabiFlu-এর দাম প্রসঙ্গে ডঃ ভি জি সোমানি বলেন, “Glenmark-এর এই ওষুধ হয়তো কোনও ভাবেই দেশের মধ্যবিত্ত, নিম্ন মধ্যবিত্ত বা দরিদ্র মানুষের কথা ভেবে তৈরি করা হয়নি। সংস্থা এই ওষুধের যা দাম ধরেছে, তা দেখে অন্তত তেমনই মনে হয়।”

আরও পড়ুন: নির্ধারিত সময়েই শেষ হবে পরীক্ষা-নিরীক্ষা, সেপ্টেম্বরেই মিলতে পারে অক্সফোর্ডের করোনা টিকা!

প্রসঙ্গত, FabiFlu-এর সাহায্যে করোনা রোগীর চিকিৎসা করতে দু’সপ্তাহে মোট ১২২টি ট্যাবলেটের প্রয়োজন হয়। এক একটি FabiFlu-এর দাম ১০৩ টাকা করে। অর্থাৎ, ১২২টি ট্যাবলেটের মোট দাম ১২,৫০০ টাকা। এর সঙ্গে চিকিৎসার অন্যান্য আনুসাঙ্গিক খরচও রয়েছে। স্বাভাবিক ভাবেই সব মিলিয়ে করোনা টিকিৎসার খরচ মধ্যবিত্ত, নিম্ন মধ্যবিত্ত বা দরিদ্র মানুষের নাগালের বাইরে চলে যায়। তাই এই দু’টি বিষয়ে Glenmark-এর থেকে ব্যাখ্যা চেয়ে নোটিশ পাঠিয়েছে ড্রাগ কন্ট্রোলার জেনারেল অব ইন্ডিয়ার (DCGI)।