close

News WrapGet Handpicked Stories from our editors directly to your mailbox

হাসপাতালের বেডে ফেলে রোগীকে বেধরক মারধর চিকিত্সকের! দেখুন ভিডিও

রোগীর পরিবারের অভিযোগ, বদ মেজাজের জন্য হাসপাতালে ওই চিকিত্সকের বেশ ‘নামডাক’ রয়েছে। 

Sudip Dey | Updated: Jun 5, 2019, 09:20 AM IST
হাসপাতালের বেডে ফেলে রোগীকে বেধরক মারধর চিকিত্সকের! দেখুন ভিডিও
...

নিজস্ব প্রতিবেদন: সাম্প্রতিক কালে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে সরকারি বা বেসরকারি হাসপাতালগুলিতে মারমুখী রোগীর আত্মীয়দের কাছে বার বার হেনস্থার শিকার হতে হয়েছে চিকিত্সকদের। চিকিৎসায় গাফিলতির অভিযোগে অনেক সময় চিকিত্সকদের বেধরক মারধর পর্যন্ত করা হয়েছে। বাদ যাননি হাসপাতালের সুপারও। কিন্তু এ বার একেবারে উল্টো ছবি ধরা পড়ল সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হওয়া একটি ভিডিয়োয়। ওই ভিডিয়োয় দেখা যাচ্ছে, হাসপাতালে রোগীকে বিছানায় (হাসপাতালের বেড) ফেলে বেধরক মারধর করছেন এক চিকিত্সক!

১ জুন ঘটনাটি ঘটেছে জয়পুরের একটি হাসপাতালে। রাজস্থানের জয়পুরের সোয়াই মান সিংহ হাসপাতালের এই ঘটনায় কেন এমন মারমুখী হয়ে উঠলেন ওই চিকিত্সক? রোগীর পরিবারের অভিযোগ, চিকিৎসকের কথা না শোনায় রোগীকে বেধড়ক মেরেছেন তিনি। এ রকম বদ মেজাজের জন্য হাসপাতালে ওই চিকিত্সকের বেশ ‘নামডাক’ রয়েছে। কিন্তু তাই বলে হাসপাতালের বেডের উপর চড়ে রোগীকে মারধর!

ঘটনাটি সামনে আসতেই নড়েচড়ে বসেছে রাজস্থান সরকার। রাজস্থানের স্বাস্থ্যমন্ত্রী রঘু শর্মা ঘটনার পুর্নাঙ্গ রিপোর্ট চেয়ে পাঠিয়েছেন। ঘটনার সত্যতা প্রমাণ হলে ‘উপযুক্ত ব্যবস্থা’ নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন তিনি। এই ঘটনায় রাজস্থানের মানবাধিকার কমিশনও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কাছে গোটা ঘটনার তথ্য জানতে চেয়েছে।

আরও পড়ুন: কোন ধরনের প্লাস্টিকের পাত্র কত বার ব্যবহার করা নিরাপদ? জেনে নিন

এই ঘটনায় সোয়াই মান সিংহ হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের অভিযোগ, প্রথমে ওই রোগী এক মহিলা চিকিৎসকের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করেন। পরে তাঁকে বোঝানোর চেষ্টায় বিবাদে জড়িয়ে পড়েন অন্য এক পুরুষ চিকিৎসক। চিকিত্সকদের উপর চড়াও হওয়ার চেষ্টা করলে ওই রোগীকে আটকানোর চেষ্টা করেন সেখানে উপস্থিত চিকিত্সক ও অন্যান্য রোগীর আত্মীয়রা। শেষমেশ ঘটনাটি হাতাহাতির পর্যায়ে পৌঁছে যায়। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের দাবি, ভাইরাল হওয়া ৩১ সেকেন্ডের ওই ভিডিয়োটিতে ঘটনার কিছুটা অংশ ধরা পড়েছে।

জানা গিয়েছে, ওই রোগীর নাম মুবারিক। ওই রোগী আপাতত সুস্থ। তাঁকে আর কয়েক দিনের মধ্যেই হাসপাতাল থেকে ছেড়ে দেওয়া হবে।