close

News WrapGet Handpicked Stories from our editors directly to your mailbox

জনস্বার্থের সঙ্গে জড়িত নয় 'জয় শ্রী রাম', মামলা খারিজ করল কলকাতা হাইকোর্ট

'জয় শ্রী রাম' নিয়ে রাজ্যে শুরু হয়েছে বিতর্ক। রঘুকুলপতি রামকে নিয়ে যুযুধান তৃণমূল ও বিজেপি। 

Updated: Jun 14, 2019, 11:04 PM IST
জনস্বার্থের সঙ্গে জড়িত নয় 'জয় শ্রী রাম', মামলা খারিজ করল কলকাতা হাইকোর্ট

নিজস্ব প্রতিবেদন: 'জয় শ্রী রাম' ধ্বনি দেওয়ায় গ্রেফতার করছে পুলিস। এহেন অভিযোগ তুলে পরিত্রাণ পেতে হাইকোর্টে দায়ের হয়েছিল জনস্বার্থ মামলা। কিন্তু মামলাটি খারিজ করে দিয়েছেন প্রধান বিচারপতি টিবি রাধাকৃষ্ণণ। 

'জয় শ্রী রাম' নিয়ে রাজ্যে শুরু হয়েছে বিতর্ক। রামকে নিয়ে যুযুধান তৃণমূল ও বিজেপি। গেরুয়া শিবিরের অভিযোগ, জয় শ্রী রাম ধ্বনি দেওয়ায় তাঁদের কর্মীদের মারধর করা হয়েছে, এমনকি হত্যাও করেছে তৃণমূল। জেলে পুরছে পুলিস। জয় শ্রী রাম ধ্বনি দেওয়ায় পুলিস গ্রেফতার করছে, এই অভিযোগেই কলকাতা হাইকোর্টে দায়ের হয় জনস্বার্থ মামলা। ওই মামলাটি খারিজ করে শুক্রবার প্রধান বিচারপতি টিবি রাধাকৃষ্ণণের পর্যবেক্ষণ, বহু মানুষ একসঙ্গে ক্ষতিগ্রস্ত হলে জনস্বার্থ মামলার যুক্তি থাকে। স্লোগান দেওয়ার জন্য যাঁদের বিরুদ্ধে পুলিশ ব্যবস্থা নিয়েছে, তাঁরা নিম্ন আদালতে যাবেন।  

গোটা বিতর্কের সূত্রপাত চন্দ্রকোনায় মুখ্যমন্ত্রীর গাড়ির কনভয়ের সামনে তিন যুবকের 'জয় শ্রী রাম' ধ্বনি দেওয়ার ঘটনায়। কনভয় থেকে নেমে মেজাজ হারান মুখ্যমন্ত্রী। ওই তিন যুবককে আটক করে পুলিস। বিষয়টি নির্বাচনী প্রচারে হাতিয়ার করে বিজেপি। সেই থেকে রামনাম নিয়ে লঙ্কাকাণ্ড বাঁধে রাজ্যে। ওই ঘটনার পর তমলুক ও ঝাড়গ্রামের সভায় মমতাকে বিদ্ধ করেছিলেন মোদী। বলেছিলেন,''সবাইকে জয় শ্রী রাম। বিশেষ করে মমতা দিদিকে জয় শ্রী রাম। দিদি জয় শ্রী রাম অভিবাদন করার জন্য লোকেদের জেলে পুরতে শুরু করে দিয়েছেন। আমার মনে হল, দিদিকে সরাসরি জয় শ্রী রাম বলি''। তার পাল্টা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মন্তব্য করেছিলেন,''বিজেপি ধর্ম নিয়ে রাজনীতি করে। তুমি ঠিক করবে আমি কী স্লোগান দেব? নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু বলেছিলেন, জয় হিন্দ। আমরা জয় হিন্দ স্লোগানটা দিই। আমরা বন্দে মাতরম বলি।

নির্বাচন মেটার পর ভাটপাড়ায় মমতার কনভয়ের সামনে ওঠে 'জয় শ্রী রাম' ধ্বনি। গাড়ি নেমে রাস্তায় পাইচারি করতে করতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছিলেন,''সব বন্ধ করে দেব। এত বড় সাহস। আমাদের খাবে, আমাদের পড়বে। গুন্ডামি মস্তানি হবে না। বেঁচে আছো আমাদের জন্য। চামড়া গুটিয়ে ছেড়ে দেবে। নাম নিয়েও নাও নাকা চেকিং হবে। তুমি তোমার মতো স্লোগান দাও। এত বড় সাহস। বাংলাকে গুজরাট বানাতে দেব না। বাংলা বাংলা থাকবে। বন্ধ করে দিলে বুঝে যাবে সব''। 

আরও পড়ুন- মৃত্যু আমার সামনে ছুটে বেড়ায়, মৃত্যুকে আমি ভয় পাই না, মৃত্যু আমাকে ভয় পায়: মমতা