close

News WrapGet Handpicked Stories from our editors directly to your mailbox

সঙ্গিন অবস্থাতেও যাদবপুরের স্টলে রেকর্ড টাকার অঙ্কে বই বিক্রি সিপিএমের

 উত্তর চব্বিশ পরগনা জেলার স্টলগুলিতে এন‌আরসি সংক্রান্ত পুস্তিকা বেশি বিক্রি হয়েছে বলে দাবি সিপিএমের। 

Moumita Chakrabortty | Updated: Oct 9, 2019, 10:38 PM IST
সঙ্গিন অবস্থাতেও যাদবপুরের স্টলে রেকর্ড টাকার অঙ্কে বই বিক্রি সিপিএমের

মৌমিতা চক্রবর্তী

লোকসভা ভোটে পশ্চিমবঙ্গে একটাও আসন জোটেনি সিপিএমের। ভোটে থাবা বসিয়েছে বিজেপি। আর তার জেরে সিপিএমের ভোট নেমে গিয়েছে ৬.২৮ শতাংশে। কিন্তু এমন সংকটেও পুজোয় বই বিক্রিতে ভাটা পড়েনি। বরং বামপন্থী বইপত্তরের বিক্রি বেড়েছে বলে দাবি করল সিপিএম। তাদের দাবি, শুধু যাদবপুরের বুক স্টলে বই বিক্রি অঙ্ক ৩ লক্ষ টাকা ছাড়িয়েছে। 

রাজ্যে সিপিএমের অবস্থা সঙ্গিন। বিরোধী পরিসরের দখল নিয়েছে গেরুয়া শিবির। যাদবপুরের মতো কেন্দ্রেও তৃতীয় হয়েছেন সিপিএমের বিকাশ ভট্টাচার্য। তবে এবারও পুজোয় বিভিন্ন জেলাতে বুক স্টল দেওয়াতে বিজেপিকে মাত দিয়েছে সিপিএম। আর বিক্রিবাটাও বেশ ভালো হয়েছে বলে দাবি করেছে আলিমুদ্দিন। সিপিএমের দাবি, যাদবপুরে মার্কসীয় ও শিশু প্রগতিশীল সাহিত্য বিক্রয় কেন্দ্রে ৩ লক্ষ টাকার বেশি বই বিক্রি হয়েছে। এমন অভূতপূর্ব সাড়ায় বিস্মিত নেতারাও। আরও একটা ব্যাপার, হট কেকের মতো বিকিয়েছে সিপিএমের গঠনতন্ত্র থেকে মার্কসবাদের নীতি, উদ্বাস্তু আন্দোলনে বামপন্থীদের ভূমিকার মতো গুরুগম্ভীর বিষয় নিয়ে ব‌ই। আর সে কারণে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত স্টল চালু রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। 

      
যাদবপুরের স্টলে গিয়েছিলেন বামফ্রন্ট চেয়ারম্যান বিমান বসু, নন্দিনী মুখোপাধ্যায় ও, মহম্মদ সেলিম রবীন দেবের মতো নেতানেত্রীরা। বই বিক্রির সাফল্য উদযাপনে দেখা গিয়েছে সুরকার দেবজ্যোতি মিশ্র, অভিনেত্রী ঊষসী চক্রবর্তী ও পরিচালক অনীক দত্তকেও।

 উত্তর চব্বিশ পরগনা জেলার স্টলগুলিতে এন‌আরসি সংক্রান্ত পুস্তিকা বেশি বিক্রি হয়েছে বলে দাবি সিপিএমের। এছাড়া পূর্ব ও পশ্চিম বর্ধমান, মেদিনীপুরের মতো এককালের দুর্গগুলিতেও বিক্রিবাটা বেশ ভালো হয়েছে।       

কিন্তু বই বিক্রির সঙ্গে কি দলের রুগ্ন সংগঠনের পুনরুদ্ধারের সমানুপাতিক যোগ রয়েছে? রাজনৈতিক মহলের মতে, রাজ্যে বামপন্থী আন্দোলনের শুরুর দিন থেকে বিদ্বজ্জনেরা পাশে ছিলেনই। বামপন্থার প্রতি একটা অংশের 'প্যাশন' বরাবরই। ক্ষমতায় থাকা কালে সেটা সুকৌশলে প্রচারও করেছিল সিপিএম। কিন্তু ভোট রাজনীতি শুধু ওই অংশের মানুষকে দিয়ে হয় না। সংগঠনেও তেমন লাভবান হওয়ার সম্ভাবনা নেই। কারণ, সমাজের ওই অংশ ফেসবুক, টুইটারে সক্রিয় হলেও মাঠ-ময়দানের রাজনীতি থেকে তাদের কয়েক আলোকবর্ষ দূরত্ব।   

আরও পড়ুন- কাল থেকে প্রতি মিনিটে কলচার্জ ৬ পয়সা, গ্রাহকদের জন্য টপআপ রিচার্জ আনল Jio