close

News WrapGet Handpicked Stories from our editors directly to your mailbox

দার্জিলিঙের স্থায়ী সমাধান চাই, বাংলা ভেঙে গোর্খাল্যান্ড চাইলেন মুকুল?

'স্থায়ী রাজনৈতিক সমাধান' মানে কী বোঝাতে চেয়েছেন বিজেপি নেতা?

Updated: Jun 14, 2019, 07:15 PM IST
দার্জিলিঙের স্থায়ী সমাধান চাই, বাংলা ভেঙে গোর্খাল্যান্ড চাইলেন মুকুল?

নিজস্ব প্রতিবেদন: দার্জিলিঙে তৃণমূলের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক হিংসার অভিযোগ তুলে রাজ্যপালের দ্বারস্থ হলেন বিজেপি সাংসদ রাজু বিস্ত ও মুকুল রায়। রাজভবন থেকে বেরানোর পর মুকুলের মন্তব্যকে ঘিরে তৈরি হয়েছে জল্পনা। মুকুল রায় জানান, দার্জিলিঙের স্থায়ী রাজনৈতিক সমাধান চায় বিজেপি। প্রশ্ন উঠছে, তাহলে কি গোর্খাল্যান্ডের দাবি উস্কে দিলেন মুকুল? 

এদিন রাজভবনে রাজ্যপালের সঙ্গে দেখা করে মুকুলের নেতৃত্বে বিজেপির এক দল। মুকুল রায়ের সঙ্গে ছিলেন দার্জিলিঙের সাংসদ রাজু বিস্ত ও সায়ন্তন বসু। সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে মুকুল বলেন,''দার্জিলিঙে ৪ লক্ষ ভোটে জিতেছে বিজেপি। ভোটের পর সেখানে সন্ত্রাস চলছে। ১৭ জন কাউন্সিলর দলত্যাগ করেছেন। দার্জিলিং পুরসভায় সংখ্যাগরিষ্ঠ বিজেপি। তাঁদের ধরে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। জেলের ভিতরে অত্যাচার করা হচ্ছে। এর কোনও শেষ নেই। এক্ষুনি রাজ্যপালের হস্তক্ষেপ করা উচিত''। এরপরই মুকুলের সংযোজন,''আমরা দার্জিলিঙের ব্যাপারে স্থায়ী রাজনৈতিক সমাধান করতে চাই''।     

'স্থায়ী রাজনৈতিক সমাধান' মানে কী বোঝাতে চেয়েছেন বিজেপি নেতা? দীর্ঘদিন ধরে পৃথক গোর্খাল্যান্ডের দাবি করে আসছে বিমল গুরুংয়ের গোর্খা জনমুক্তি মোর্চা ও প্রয়াত সুবাস ঘিসিংয়ের গোর্খা ন্যাশনাল লিবারেশন ফ্রন্ট। রাজ্য সরকারের চাপে কোণঠাসা তারা। দীর্ঘদিনের শত্রুতা ভুলে হাত মিলিয়েছে তারা। এসআই অমিতাভ মালিকের খুনে অভিযুক্ত বিমল গুরুং গা ঢাকা দিয়েছেন। সূত্রের খবর, বিজেপির নিশ্চিত আশ্রয়ে রয়েছেন বিমল। গোপন ডেরাতেই বিমল গুরুংরা বৈঠকে বসে রাজু বিস্তকে প্রার্থী করার সিদ্ধান্ত নেন। তারপরই বিজেপির সদর দফতর থেকে রাজুকে দার্জিলিঙ লোকসভা কেন্দ্রে প্রার্থী ঘোষণা করে গেরুয়া শিবির। 

নির্বাচনে 'গোর্খাল্যান্ড' নিয়ে উচ্চবাচ্য করেননি বিজেপি নেতারা। কারণ, সেক্ষেত্রে সমতলে ধাক্কা খেত বিজেপি। কিন্তু নির্বাচন মেটার পর মুকুলের মুখে 'স্থায়ী সমাধান' শব্দবন্ধনী নিয়ে শুরু হয়েছে তুমুল জল্পনা। এর আগে দার্জিলিঙের বিজেপি সাংসদ সুরিন্দর সিং আলুওয়ালিয়াও গোর্খাল্যান্ডের দাবিকে সমর্থন করেছিলেন। আর বিজেপি যে ছোট রাজ্যের পক্ষে তা কারও অজানা নয়। অটলবিহারী বাজপেয়ীর জমানাতে মধ্যপ্রদেশ থেকে ছত্তীসগঢ়, উত্তরপ্রদেশ থেকে উত্তরাখণ্ড ও বিহার থেকে ঝাড়খণ্ডের জন্ম হয়েছিল। সবমিলিয়ে মুকুলের মন্তব্যে আরও একবার গোর্খাল্যান্ড নিয়ে জলঘোলা হতে চলেছে রাজ্য রাজনীতি। 

আরও পড়ুন- মৃত্যু আমার সামনে ছুটে বেড়ায়, মৃত্যুকে আমি ভয় পাই না, মৃত্যু আমাকে ভয় পায়: মমতা