মদন মিত্র তো জামিনে ছাড়া পেলেন, কিন্তু সারদায় প্রতারিত মানুষগুলোর কী হবে?

মদন মিত্র তো জামিনে ছাড়া পেলেন। কিন্তু ওঁদের কী হবে?  কবে ফেরত পাওয়া যাবে হারানো টাকা?  আদৌ কি পাওয়া যাবে? আজও উত্তর নেই সারদা চিটফান্ড কাণ্ডে প্রতারিতদের কাছে। চার চারটে বছর ধরে ওঁদের সঙ্গী শুধু আশঙ্কা আর চোখের জল।

Updated By: Sep 10, 2016, 07:39 PM IST
মদন মিত্র তো জামিনে ছাড়া পেলেন, কিন্তু সারদায় প্রতারিত মানুষগুলোর কী হবে?

ওয়েব ডেস্ক: মদন মিত্র তো জামিনে ছাড়া পেলেন। কিন্তু ওঁদের কী হবে?  কবে ফেরত পাওয়া যাবে হারানো টাকা?  আদৌ কি পাওয়া যাবে? আজও উত্তর নেই সারদা চিটফান্ড কাণ্ডে প্রতারিতদের কাছে। চার চারটে বছর ধরে ওঁদের সঙ্গী শুধু আশঙ্কা আর চোখের জল।

জামিন পেয়েছেন মদন মিত্র। ভবানীপুর আর কামারহাটিতে কখনও হোলি, কখনও দিপাবলীর আমেজ। কিন্তু এই কয়েনের উল্টো দিকও আছে। সেখানে আছেন সারদায় প্রতারিত হাজার হাজার মানুষ।

অনুপ নস্কর। বাড়ি- দক্ষিণ বারাসত। সারদার এজেন্ট ও আমানতকারী। এভাবে যে জীবনের সব স্বপ্ন শুধু সারদার ঘায়ে ভেঙে চুরমার হয়ে যাবে ভাবেননি অনুপ নস্কর। নিজের তিন লাখ আর অন্যের কুড়ি লাখ সারদায় রেখেছিলেন অনুপ নস্কর। সেই টাকা ফেরত পাননি। জীবনের আরেকটা আমানত ছিল মেয়ে অর্পিতা। ইচ্ছে ছিল মেয়েকে বড় উকিল বানাবেন। ক্রমাগত আমানতকারীদের তাগাদায় অপমানে আত্মঘাতী হয়েছে সেই মেয়েও। চোখের জল এখন অনুপ নস্করের এক মাত্র সঙ্গী।

রেখা ব্যানার্জি। বাড়ি-মল্লিকপুর। সারদার আমানতকারী। লোকের বাড়ি কাজ করে সারদায় টাকা রেখেছিলেন রেখাদেবী। ঘরে অসুস্থ স্বামী। এখন দিন কাটে প্রায় না খেয়ে।

সমিত ঘোষ। বাড়ি- বারুই পুর আটঘড়া। সারদার এজেন্ট ও আমানতকারী। আমানতকারীদের তাগাদায় বহুদিন ঘরের মুখ দেখেননি সমিত ঘোষ। নিজের ২৫ লাখ আর অন্যের ৩৭ লাখ সারদায় রেখেছিলেন সমিত ঘোষ। সে টাকা আজও ফেরেনি। উল্টে জুটেছে বদনাম, অপবাদ। সর্বস্ব খুইয়ে পালিয়ে পালিয়ে বেড়ান সমিত ঘোষ।

অনুপ নস্কর, রেখা ব্যানার্জি বা সমিত ঘোষরা একা নন। সারা রাজ্য জুড়ে ছড়িয়ে রয়েছেন এমন হাজার হাজার প্রতারিত। যাদের সব গেছে সারদা চিটফাণ্ডে টাকা রেখে। তাঁরা এখন বিচারের অপেক্ষায়।