মুখ্যমন্ত্রী শততম প্রশাসনিক বৈঠক ঘিরে উত্সবের আয়োজন

Updated By: Jul 14, 2015, 08:21 PM IST
মুখ্যমন্ত্রী শততম প্রশাসনিক বৈঠক ঘিরে উত্সবের আয়োজন

রাত পেরোলেই মুখ্যমন্ত্রীর শততম প্রশাসনিক বৈঠক। বৈঠক ঘিরে কার্যত উত্‍সবের আয়োজন। কিন্তু উন্নয়নকে দোরগোড়ায় পৌছে দিতে মমতার এই মডেল সত্যিই কতটা সফল?  

জ্যোতি বসু বলেছিলেন, তাঁর সরকার মহাকরণ থেকে চলবে না। তার আগে সিদ্ধার্থশঙ্কর রায়ও ক্ষমতার বিকেন্দ্রীকরণ চেয়েছিলেন। জেলায় গিয়ে প্রশাসনিক বৈঠক করতেন তিনিও। সিদ্ধার্থ জমানার মন্ত্রী সুব্রত মুখোপাধ্যায় কিন্তু মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কেই এগিয়ে রাখছেন।

সরকারি আমলাদের বেশিরভাগই অবশ্য মনে করেন, উন্নয়নকে তৃণমূলস্তরে নিয়ে যেতে জ্যোতি বসুর পদ্ধতিই ছিল সেরা।

জ্যোতি বসু মডেল
----------
পঞ্চায়েতী রাজ চালু করে তৃণমূলস্তর পর্যন্ত উন্নয়নকে নিয়ে যেতে পেরেছিলেন জ্যোতি বসু

পঞ্চায়েত,পঞ্চায়েত সমিতি, জেলা পরিষদ হয়ে রাজ্য স্তরে সমস্ত তথ্য এসে পৌছাত।

 ফলে প্রশাসনিকস্তরে ভুলভ্রান্তির সম্ভাবনা থাকত কম।

 এলাকার প্রয়োজনভিত্তিক উন্নয়নের কাজ হত দ্রুত।

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকারের আমলে জেলায় মহাকরণকে নিয়ে যাওয়ার সুফল মানলেও আধিকারিকদের মতে এর কয়েকটি নেতিবাচক প্রভাবও পড়ছে প্রশাসনে।

মমতা মডেল
--------
পঞ্চায়েতের গুরুত্ব কমছে, তুলনায় আধিকারিকদের ক্ষমতা বাড়ছে

জেলায় বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী অনেকসময় অধস্তন অফিসারদের সামনেই পদস্থ আমলাদের কাজে অসন্তোষ প্রকাশ করছেন

সরাসরি অফিসারদের সঙ্গে কথা বলায় মন্ত্রীদের গুরুত্ব কমছে

তবে বসু জমানাকেই এগিয়ে রাখার যুক্তি মানতে নারাজ মমতা ক্যাবিনেটের গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রী সুব্রত মুখোপাধ্যায়। বিরোধী দলনেতা অবশ্য বাম আমলের সঙ্গে মমতা মডেলের তুলনায় নারাজ। তবে পঞ্চায়েতী রাজে শুধু ক্ষমতার বিকেন্দ্রীকরণই হয়নি, দুর্নীতিও বাসা বেঁধেছিল প্রশাসনে। কিন্তু মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সিএম টু ডিএম মডেলে সেই দুর্নীতির সুযোগ অনেকটাই কমেছে, মনে করছে প্রশাসনিক মহল।