খাস কলকাতায় সক্রিয় পর্নোগ্রাফি চক্র, সিরিয়ালে সুযোগের টোপ দিয়ে নীল ছবিতে আনা হয় জুনিয়র আর্টিস্টদের

খোদ কলকাতায় সক্রিয় পর্নোগ্রাফি  চক্র। প্রথমে সিরিয়ালের টোপ দিয়ে টানা হয় জুনিয়র আর্টিস্টদের। এরপর পর্নো ছবি তৈরি করে ছড়িয়ে দেওয়া হত ওয়েবসাইটে। পিছনে সক্রিয় বড়সড় চক্র। সোমবার সল্টলেকের একটি বাড়ি থেকে ২৮জনকে গ্রেফতার করে এই চক্রের সন্ধান পায় পুলিস।

Updated By: Dec 22, 2015, 08:32 PM IST
খাস কলকাতায় সক্রিয় পর্নোগ্রাফি  চক্র, সিরিয়ালে সুযোগের টোপ দিয়ে নীল ছবিতে আনা হয় জুনিয়র আর্টিস্টদের

ওয়েব ডেস্ক: খোদ কলকাতায় সক্রিয় পর্নোগ্রাফি  চক্র। প্রথমে সিরিয়ালের টোপ দিয়ে টানা হয় জুনিয়র আর্টিস্টদের। এরপর পর্নো ছবি তৈরি করে ছড়িয়ে দেওয়া হত ওয়েবসাইটে। পিছনে সক্রিয় বড়সড় চক্র। সোমবার সল্টলেকের একটি বাড়ি থেকে ২৮জনকে গ্রেফতার করে এই চক্রের সন্ধান পায় পুলিস।

পর্নো জাল
চক্র জেলায় জেলায়

দিনেদুপুরে শহরে পর্নোগ্রাফির শুটিং।  নিছক বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়। এর পিছনে রয়েছে একটি বড়সড় চক্র। সোমবার ডিডি ব্লকের ওই বাড়ি থেকে গ্রেফতার হয় ২৮জন।  তাদের জেরায় মিলিছে চাঞ্চল্যকর তথ্য। রীতিমত প্ল্যান করে রাজ্যজুড়ে জাল বিস্তার করেছিল এই চক্র।

পর্নো ছবি তৈরির জন্য এই চক্রের টার্গেট  উঠতি জুনিয়র আর্টিস্টরা। প্রথমে বড় কোনও সিরিয়ালে অভিনয়ের টোপ দেওয়া হত। এরপর বেশি টাকায় অন্য কাজের প্রস্তাব। পর্নো ছবিতে কাজ করলে সিরিয়ালে অভিনয়ের সুযোগ নিশ্চিত, এই টোপও দেওয়া হত। মেয়েদের দৈনিক পারিশ্রমিক পাঁচ হাজার টাকা। পুরুষের পারিশ্রমিক দৈনিক আড়াই হাজার টাকা।

শুধু কলকাতা নয়।  গোয়েন্দারা জানতে পেরেছেন, দুই চব্বিশ পরগনা, নদিয়া, বীরভূম সহ বিভিন্ন এলাকায় পর্নোগ্রাফির শুটিং করেছে এই চক্র। সল্টলেকের ডিডি ব্লকের এই বাড়িতেও আগে অন্তত দুবার শুটিং হয়েছে। তবে কলকাতার এই চক্রটি শুধু ছবি তৈরির কাজ করত।

দশ থেকে পনেরো মিনিটের ছোট ছবি বা মশালা পর্ন তৈরি  হত। পাঠানো হত দিল্লির একটি সংস্থাকে। ওই সংস্থাই বিভিন্ন ওয়েবসাইটে ছবিগুলি আপলোড করত। মুনাফা ভাগ হত আধাআধি। এই পর্যন্ত চক্রটি প্রায় ষাটটি পর্নো ছবি তৈরি করেছে। চক্রটির সিনেমাটোগ্রাফির লাইসেন্স ছিল না।

দিল্লির ওই সংস্থা সম্পর্কে ইতিমধ্যে খোঁজ নিচ্ছেন গোয়েন্দারা। চিঠি দেওয়া হয়েছে ওয়েবসাইটগুলিকেও।  গোয়েন্দারা জানতে পেরেছেন, ছবি তৈরির পাশাপাশি বাংলাদেশ, নেপালে পর্নো ছবির সিডিও পাচার করা হত। বিধাননগরের গোয়েন্দাদের অনুমান, গোটা চক্রের পিছনে রয়েছেন প্রভাবশালী কোনও ব্যক্তি। জানা গিয়েছে, শুধু ওয়েবসাইট আপলোড নয়। সিডি তৈরি করে বাংলাদেশ, নেপালে পাঠানো হত। রাজ্যজুড়ে জাল। চাঁই- প্রভাবশালী।