বাম-তৃণমূলের একযোগে ভোট প্রণবকে

শেষপর্যন্ত মেলালেন তিনি। প্রণব মুখোপাধ্যায়কে রাইসিনা হিলে পৌঁছে দিতে একযোগে ভোট দিলেন সিপিআইএম-তৃণমূল এবং কংগ্রেস বিধায়ক ও সাংসদরা। রাজনৈতিক টানাপোড়েনকে দূরে সরিয়ে রেখে একই লাইনে দাঁড়িয়ে ভোট দিলেন সকলে।

Updated By: Jul 19, 2012, 09:52 PM IST

শেষপর্যন্ত মেলালেন তিনি। প্রণব মুখোপাধ্যায়কে রাইসিনা হিলে পৌঁছে দিতে একযোগে ভোট দিলেন সিপিআইএম-তৃণমূল এবং কংগ্রেস বিধায়ক ও সাংসদরা। রাজনৈতিক টানাপোড়েনকে দূরে সরিয়ে রেখে একই লাইনে দাঁড়িয়ে ভোট দিলেন সকলে। পিএ সাংমা এরাজ্য থেকে কোনও ভোট পেলেন কিনা তা জানা যাবে রবিবার। কিন্তু বৃহস্পতিবার নজিরবিহীন এক দৃশ্যের সাক্ষী থাকল সকলে।  
গত একমাস ধরে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনকে ঘিরে সকলের নজর ছিল পশ্চিমবঙ্গের দিকে। ইউপিএর জোটশরিক তৃণমূল কংগ্রেস শেষপর্যন্ত প্রণব মুখোপাধ্যায়কে সমর্থন করবে কি না তা নিয়ে জল্পনা ছিল তুঙ্গে। কারণ, প্রার্থী নির্বাচনকে কেন্দ্র করে কংগ্রেসের সঙ্গে তৃণমূলের দূরত্ব এই জল্পনাকে আরও কয়েকগুন বাড়িয়ে দেয়। সিপিআইএম এবং ফরওয়ার্ড ব্লক আগেই সিদ্ধান্ত নিয়েছিল, তারা প্রণববাবুকে ভোট দেবেন। কিন্তু, শেষপর্যন্ত অনড় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে তাঁর পক্ষে টানার একশো ভাগ কৃতিত্ব যে ক্রাইসিস ম্যানেজার দাবি করতেই পারেন তাতে কোনও সন্দেহ নেই ।  
১০টার আগেই ঢুকতে শুরু করেছিলেন বিধায়করা। ১১টা নাগাদ বিধানসভায় পৌঁছে গিয়েছিলেন বিরোধী দলনেতা সূর্যকান্ত মিশ্র। সাড়ে ১২টা নাগাদ পৌঁছন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এরপর সোজা দাঁড়িয়ে পড়েন ভোটদাতাদের লাইনে। সামনে বাম বিধায়করা। আশেপাশে কংগ্রেসের কেউ কেউ। আরএসপি, ফরওয়ার্ড ব্লক এবং এসইউসিআই ভোটদানে বিরত ছিল। তৃণমূল কংগ্রেসের দুজন বিধায়ক অসুস্থতার কারণে আসতে পারেননি। হেনস্থার আশঙ্কায় আসেননি তৃণমূলের বিদ্রোহী সাংসদ কবীর সুমন। এই ছোটখাটো ঘটনা ছাড়া ভোটদান পর্ব কিন্তু ছিল আক্ষরিক অর্থেই উত্তাপহীন। আলোচনার বিষয় ছিল একটাই, কীভাবে সব পক্ষকে মেলালেন তিনি? সারাদিনের ভোটপর্বে অনুচ্চারিত থাকল শুধু একটিই মাত্র জিজ্ঞাসা।