অবশেষে অনশনে ইতি টানলেন রামদেব
এনডিএ শিবিরের সমর্থনে মেলায় উত্সাহী রামদেব এবার বৃহত্তর পরিসরে তাঁর দুর্নীতি ও কালো টাকা বিরোধী আন্দোলন শুরু করার ইঙ্গিত দিলেন। সেই সঙ্গে মঙ্গলবার দিল্লির অম্বেদকর স্টেডিয়ামে অনশন পর্বে ইতি টানলেন যোগগুরু। অনশন প্রত্যাহারের আগে এদিন কালোটাকা ইস্যুতে মনমোহন সরকারকে ফের কড়া ভাষায় আক্রমণ করেন তিনি।
এনডিএ শিবিরের সমর্থনে মেলায় উত্সাহী রামদেব এবার বৃহত্তর পরিসরে তাঁর দুর্নীতি ও কালো টাকা বিরোধী আন্দোলন শুরু করার ইঙ্গিত দিলেন। সেই সঙ্গে মঙ্গলবার দিল্লির অম্বেদকর স্টেডিয়ামে অনশন পর্বে ইতি টানলেন যোগগুরু। অনশন প্রত্যাহারের আগে এদিন কালোটাকা ইস্যুতে মনমোহন সরকারকে ফের কড়া ভাষায় আক্রমণ করেন তিনি। রামদেবের অভিযোগ, বর্তমান সরকার মানুষের সমর্থন খুইয়েছে। কালোটাকা ইস্যুতে বিভিন্ন দলের সমর্থন থাকায় ভোট হলে সরকারের হার অবশ্যম্ভাবী বলে মন্তব্য করেন তিনি। সে কারণেই সরকার ভোট এড়াতে চাইছে বলেও অভিযোগ তাঁর। রামদেবের দাবি, আগামী নির্বাচন দেশে বড়সড় পরিবর্তন আনবে।
সোমবার সকালে রামলীলা ময়দানের মঞ্চ থেকে বিজেপি সভাপতি নীতিন গডকড়ি ও এনডিএ চেয়ারম্যান শরদ যাদবকে পাশে নিয়ে কংগ্রেসকে উত্খাত করার ডাক দেন রামদেব। এরপর সংসদ অভিযোনে অংশ নিয়ে গ্রেফতার বরণের পর মুক্তি পেয়েও দিল্লির অম্বেদকর স্টেডিয়ামে অনুগামীদের নিয়ে অবস্থান চালিয়ে যেতে থাকেন তিনি। কালো টাকা ইস্যুতে সংসদের উদ্দেশে মিছিল শুরুর পর রামলীলা ময়দান থেকে কিছুদূর এগোতেই পুলিস তাঁকে গ্রেফতার করেছিল। রামদেব ও তাঁর সঙ্গীদের প্রথমে একটি বাসে তুলে দিল্লির বাইরে বাওয়ানা নিয়ে যাওয়া হয়। বাওয়ানার রাজীব গান্ধী স্টেডিয়ামে অস্থায়ী জেলে যেতে অস্বীকার করায় যোগগুরুকে অম্বেদকর স্টেডিয়ামে নিয়ে যায় পুলিস। রাতে দিল্লি পুলিসের তরফে তাঁকে মুক্তি দেওয়ার কথা ঘোষণা করা হলেও স্টেডিয়াম ছাড়েননি রামদেব। তবে তাঁর ঘনিষ্ঠ মহল সূত্রে সংবাদমাধ্যমেকে জানান হয়, মঙ্গলবার বেলা ১১টা নাগাদ অনশন ভঙ্গ করতে পারেন তিনি। এদিন সকালে পুলিস রামদেবকে অম্বেদকর স্টেডিয়াম থেকে সরানোর চেষ্টা করলে ফের উত্তেজনা তৈরি হওয়ার আশঙ্কা ছিল। তবে দিল্লি পুলিস সংঘাত এড়াতে যথেষ্ট সতর্ক থাকায় কোনও অপ্রীতিকর পরিস্থিতি তৈরি হয়নি ।