পরিকল্পনা করেই গালওয়ানে ভারতীয় সোনার ওপরে হামলা করেছিল চিন, দাবি মার্কিন রিপোর্টে

গত ১৫ জুন গালওয়ান উপত্যকায় একটি চিনা অস্থায়ী তাঁবু সরানোকে কেন্দ্রে করে ভারত ও চিনা সেনার মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষ শুরু হয়ে যায়

Updated By: Dec 2, 2020, 01:17 PM IST
পরিকল্পনা করেই গালওয়ানে ভারতীয় সোনার ওপরে হামলা করেছিল চিন, দাবি মার্কিন রিপোর্টে
ইনসেটে-কর্ণেল সন্তোষবাবু

নিজস্ব প্রতিবেদন: পূর্ব লাদাখের গালওয়ানে ২০ ভারতীয় জওয়ানের মৃত্যু নিয়ে এবার মুখ খুলল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন কংগ্রেসের এক কমিটির দাবি গালওয়ানে ভারতীয় সেনার সঙ্গে পিএলও জওয়ানদের সংঘর্ষ একেবারেই চিনের পূর্ব পরিকল্পিত।

আরও পড়ুন-চলতি মাসে ব্যাঙ্ক বন্ধ থাকবে ১০দিন, জেনে নিন বাংলায় কবে কবে? 

সম্প্রতি মার্কিন কংগ্রেস নিয়ন্ত্রিত 'মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র-চিন আর্থিক ও নিরাপত্তা রিভিউ কমিশন' তার রিপোর্ট প্রকাশ করেছে। সেখানে বলা হয়েছে, 'হতাহতের কথা মাথায় রেখেই গালওয়ানের ঘটনা ঘটিয়েছে চিন। তবে ওই ঘটনার পেছেন চিনের কী মতলব ছিল তা স্পষ্ট নয়। তবে সম্ভবত গালওয়ান উপত্যকায় ভারতের বিভিন্ন ধরনের নির্মাণ ঠেকাতেই ওই হামলা করা হয়েছিল।'

উল্লেখ্য, গত ১৫ জুন গালওয়ান উপত্যকায় একটি চিনা অস্থায়ী তাঁবু সরানোকে কেন্দ্রে করে ভারত ও চিনা সেনার মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষ শুরু হয়ে যায়। একটি সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমের খবর, ঘটনার দিন সন্ধেয় ভারতীয় জওয়ানদের একটি ছোট দল গালওয়ান উপত্যকায় দেখতে যায় চিনা সেনা তাদের তাঁবু সরিয়েছে কিনা।  দেখা যায় একটি তাঁবু তখনও সেখানে রয়েছে।

আরও পড়ুন-মধ্যবিত্তের জন্য দুঃসংবাদ, একলাফে বাড়ল গ্যাসের দাম

একটি সূত্র উদ্ধৃত করে ওই সংবাদমাধ্যম জানাচ্ছে, তাঁবুর কাছাকাছি যেতেই চিনা সেনা কর্ণেল বি এ সন্তোষবাবুও ওপরে হামলা চালায়। শুরু হয়ে যায় দুপক্ষের হাতাহাতি লড়াই। চিনা সেনাদের সঙ্গে ছিল রড ও অন্যান্য অস্ত্র। সংঘর্ষের খবর পেয়েই দুপক্ষের সেনারা ঘটনাস্থলে চলে আসে। সংঘর্ষে অনেকেই আহত হলেও বহু সেনার মৃত্য়ু হয় গালওয়ানের হিমাঙ্কের নীচের তাপমাত্রায়। সংঘর্যের সময়ে অনেকেই নদীতে পড়ে  যান। এরপরই এলাকা থেকে সরে যায় চিনা সেনা।

ওই মার্কিন রিপোর্ট আরও বলা হয়েছে, গালওয়ান সংঘর্ষের আগে থেকেই চিনা সরকারি মুখপত্রে এনিয়ে উস্কানি দেওয়া হচ্ছিল। বলা হচ্ছিল, লাদাখে যা চলছে তাতে ভারত বড়সড় ধাক্কা খাবে। পাশাপাশি চিনা প্রতিরক্ষামন্ত্রী বলেছিলেন, বলপ্রয়োগ ছাড়া লাদাখ সমস্যা সমাধানের রাস্তা নেই।