)
ওয়েব ডেস্ক: আজ শুক্রবার ফের বিহারবাসীকে, বিজেপিকে ভোট দেবার অনুরোধ জানালেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।সেই নিজস্ব ঢংয়ে। লালু, নীতিশ এবং সোনিয়া গান্ধীকে আক্রমণ করে। ঠিক কী বললেন মোদি, জানুন। আমরা সাজিয়ে দিলাম, মোদির আজকের বক্তব্যের গুরুত্বপূর্ণ ১০ পয়েন্ট।
১) বিহারের প্রথম তিনদফার নির্বাচন শান্তিপূর্ণভাবে হয়েছে। এবার চতুর্থ দফার ভোট। সবাই আগে ভোট দিন। তারপর ‘’এনজয়’’ করুন।
২) নির্বাচন যত শেষের দিকে এগোচ্ছে, মহাজোট ততই অধৈর্য্য হয়ে পড়ছে। নীতিশবাবু, লালুজি-রা যত কাদা ছেটাবেন, বিহারে তত বেশি পদ্মফুল ফুটবে।
৩) যারা যতদিন সরকার চালিয়েছে, তাদের উচিত সাধারণ মানুষকে তাদের কাজের হিসেব দেওয়া। আমি যখন ২০১৯ লোকসভা নির্বাচনের সময় বিহারে আসব, তখন আমি সবাইকে সরকারের কাজের হিসেব দেব।
৪) কংগ্রেস বিহারে ৩৫ বছর রাজত্ব করেছে। লালুজি ১৫ বছর। নীতিশবাবুও ১০ বছর। মানে, তারা ৬০ বছর বিহারে সরকার চালিয়েছে, কিন্তু কেই কি গত ৬০ বছরের কাজের হিসেব দিয়েছে?
৫) নীতিশবাবু বলেছেন, আমি নাকি ‘’বাহারি‘’। মানে আমি বাইরে থেকে এসেছি। বিহারের মানুষ আমাকে প্রধানমন্ত্রী হওয়ার জন্য ভোট দিয়েছেন, তাহলে আমি কিভাবে বাইরের লোক হলাম। সোনিয়াজি কি এখানে থাকেন? তিনিও তো দিল্লিতে থাকেন। তাহলে তিনি বাইরের মানুষ নন!
৬) কংগ্রেস ৩৫ বছর বিহারে সরকার চালিয়ে কোনও কাজ করেনি। কোনও উন্নয়ন করেনি। বিহারের মানুষও শেষ ২৫ বছরে দেখিয়ে দিয়েছে যে, বিহারে তারা কংগ্রেসকে আর সরকার চালাতে দেবে না।
৭) আমি বা আমরা গত ১৬ মাস ধরে কেন্দ্রে সরকার চালাচ্ছি। কিন্তু কেউ আমাদের দুর্নীতির জন্য আঙুল তুলতে পারবে না। মানুষ দুর্নীতির কথা ভুলেই গিয়েছে। সম্প্রতি নীতিশ কুমারের সরকারের একজন ঘুষ নেওয়ার জন্য জেলে গিয়েছে। মানুষ কিন্তু এত সহজে এসব ভুলবে না।
৮) আমার বিহারের জন্য তিনটে নির্দিষ্ট লক্ষ্য, শিক্ষা, চাকরির সুযোগ আর সাস্থ্য।
৯) বিহারই ভারতের একমাত্র রাজ্য, যেখানে ৪০০০ গ্রামে এখনও বিদ্যুত পোঁছয়নি।
১০) বিহার গর্তে পড়ে গিয়েছে, কেন্দ্রীয় সরকার এবং আমরা বিহারকে এই গর্ত থেকে তুলব। এখানকার নতুন প্রজন্মকে ল্যাপটপ দেব।