২৫ জন সাংসদের সাসপেনশন: খুন হয়েছে গণতন্ত্র, মন্তব্য সোনিয়া গান্ধীর

২৫ জন দলীয় সাংসদের সাসপেনসনের প্রতিবাদে পার্লামেন্টের বাইরে ধর্নায় বসলেন সপুত্রক সোনিয়া গান্ধী। সঙ্গে রয়েছেন প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিংও। আজ কংগ্রেস সভানেত্রী সাফ জানিয়েছেন লোকসভা স্পিকারের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে সারা দেশ জুড়ে আন্দোলন গড়ে তুলবেন তাঁরা।

Updated By: Aug 4, 2015, 02:04 PM IST
২৫ জন সাংসদের সাসপেনশন: খুন হয়েছে গণতন্ত্র, মন্তব্য সোনিয়া গান্ধীর

ওয়েব ডেস্ক: ২৫ জন দলীয় সাংসদের সাসপেনসনের প্রতিবাদে পার্লামেন্টের বাইরে ধর্নায় বসলেন সপুত্রক সোনিয়া গান্ধী। সঙ্গে রয়েছেন প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিংও। আজ কংগ্রেস সভানেত্রী সাফ জানিয়েছেন লোকসভা স্পিকারের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে সারা দেশ জুড়ে আন্দোলন গড়ে তুলবেন তাঁরা।

হাতে কালো ব্যান্ড পরে আজ মহত্মা গান্ধীর মূর্তির পাদদেশে জড়ো হন কংগ্রেস সাংসদরা। কংগ্রেস সাংসদদের সঙ্গেই এই ধর্নায় যোগ দিয়েছেন ন্যাশনল কংগ্রেস পার্টির নেত্রী সুপ্রিয়া সুলে ও আরজেডি এবং সমাজবাদী পার্টির কয়েকজন সাংসদও।

''হত্যা করা হয়েছে গণতন্ত্রকে''। আজ স্পিকারের সিদ্ধান্তের বিরোধীতা করে স্পষ্ট মন্তব্য করলেন সোনিয়া।

আরও তীক্ষ্ম ভাষায় কেন্দ্রকে আক্রমণ করেছেন কংগ্রেস ভাইস প্রেসিডেন্ট রাহুল গান্ধী। ''এ ঘটনা শুধু ২৫ জনের সাংসদ বিরোধী নয়, যা হয়েছে তা দেশের বিরুদ্ধেও হয়েছে। আমরা মোটেও সুষমা স্বরাজ, বসুন্ধরা রাজে এবং শিবরাজ সিং চৌহানের উপর চাপ সৃষ্টি বন্ধ করব না।'' মন্তব্য রাহুলের।

গতকাল শাসক-বিরোধী সংঘাতের চূড়ান্ত নজির দেখল লোকসভা। ওয়েলে প্ল্যাকার্ড নিয়ে বিক্ষোভ দেখিয়ে পাঁচদিনের জন্য সাসপেন্ড হলেন ২৫ জন কংগ্রেস সাংসদ। লাগাতার, ইচ্ছাকৃতভাবে অধিবেশন পণ্ড করার অভিযোগে তাঁদের সাসপেন্ড করেন স্পিকার সুমিত্রা মহাজন।

সাসপেন্ড হওয়া ২৫ জন সাংসদের মধ্যে রয়েছেন এরাজ্যের অভিজিত্‍ মুখোপাধ্যায়, এবং আবু হাসেম খান চৌধুরী। হঠাত্‍ কেনও এই কড়া সিদ্ধান্ত? খোদ স্পিকারই তাঁর ব্যাখ্যা দেন।

অনড় সরকারপক্ষ। অনড় কংগ্রেসও। তবে সংঘাতটা এমন বেনজির জায়গায় পৌছবে তা হয়তে শুরুতে আঁচ করা যায়নি। ললিত কাণ্ডে সুষমা-বসুন্ধরা আর ব্যপমের জেরে শিবরাজ সিংয়ের ইস্তফার দাবি। এই ত্রিফলা হাতিয়ারেই বাদল অধিবেশনে আক্রমণ শানিয়েছে কংগ্রেস। বিক্ষোভের জেরে লাগাতার পণ্ড সংসদের কাজকর্ম। সোমবার সর্বদল বৈঠক ডাকলেও কোনও সমাধান সূত্র বেরোয়নি। উল্টে সংসদে আরও তীব্র হয়েছে কংগ্রেসের বিক্ষোভ। ওয়েলে নেমে প্ল্যাকার্ড হাতে সেই বিক্ষোভের ওপরই শেষ পর্যন্ত শাস্তির খাঁড়া নামান স্পিকার সুমিত্রা মহাজন।