ফেরাল সুপ্রিম কোর্ট, প্রাণভিক্ষার আবেদন নিয়ে রাষ্ট্রপতির দ্বারস্থ নির্ভয়াকাণ্ডে মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত মুকেশ

গত সপ্তাহে দিল্লির পাটিয়ালা হাউস কোর্ট চার দোষী মুকেশ সিং, বিনয় শর্মা, পবন গুপ্তা এবং অক্ষয় ঠাকুরের বিরুদ্ধে মৃত্যু পরোয়ানা জারি করে

Updated By: Jan 14, 2020, 07:51 PM IST
ফেরাল সুপ্রিম কোর্ট, প্রাণভিক্ষার আবেদন নিয়ে রাষ্ট্রপতির দ্বারস্থ নির্ভয়াকাণ্ডে মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত মুকেশ

নিজস্ব প্রতিবেদন: সুপ্রিম কোর্টে ফিরিয়ে দেওয়ার  পর এবার রাষ্ট্রপতির দ্বারস্থ দিল্লির নির্ভয়া গণধর্ষণ মামলায় ফাঁসির সাজাপ্রাপ্ত মুকেশ সিং। মঙ্গলবার তাদের বিরুদ্ধে দেওয়া ফাঁসির সাজা সংশোধনের আর্জি খারিজ করে দেয় সুপ্রিম কোর্ট।  একই রায় দেওয়া হয় অন্য সাজাপ্রাপ্ত বিনয় শর্মার ক্ষেত্রেও। এটাই তাদের কাছে প্রাণ বাঁচানোর শেষ উপায়।

আরও পড়ুন-যথাযথ সতর্কতা আর উপযুক্ত পদ্ধতিতে কাটা পড়া অঙ্গকেও জুড়ে দেওয়া সম্ভব!

মঙ্গলবার সুপ্রিম কোর্টের ওই রায়ের পর তিহাড় জেলের প্রাণ ভিক্ষার আবেদন জমা দেয় মুকেশ সিং। সেই আবেদন পাঠানো হবে দিল্লি সরকারের কাছে।  দিল্লি সরকার তা পাঠাবে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের কাছে। সেখান থেকে তা যাবে রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দের কাছে।

মুকেশ সিং ও বিনয় শর্মার প্রাণ ভিক্ষার আবেদন রাষ্ট্রপতির কাছে খারিজ হয়ে যাওয়ার পর বাকী দুই সাজাপ্রাপ্তও একই আবেদন করবে। ওই আবেদন খারিজ হয়ে গেলে ৪ দোষী সাব্যস্তের ২২ জানুয়ারি ফাঁসি দেওয়া হবে তিহাড় জেলে।

আরও পড়ুন-পুলওয়ামা হামলার পেছনে ডিএসপি দেবিন্দরের মতো কারও হাত ছিল! অধীরের প্রশ্নে তোলপাড় রাজনৈতিক মহল

উল্লেখ্য, গত সপ্তাহে দিল্লির পাটিয়ালা হাউস কোর্ট চার দোষী মুকেশ সিং, বিনয় শর্মা, পবন গুপ্তা এবং অক্ষয় ঠাকুরের বিরুদ্ধে মৃত্যু পরোয়ানা জারি করে। আগামী ২২ জানুয়ারি সকাল ৭টায় তাদের ফাঁসির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ইতিমধ্যেই সব রকমের প্রক্রিয়াও শুরু করে দিয়েছে জেল কর্তৃপক্ষ। ফাঁসির দড়ি প্রস্তুতের কাজ শুরু হয়েছে। সূত্রের খবর, এ দিনের সুপ্রিম কোর্টের রায় সংশোধনের আর্জি খারিজ করে দেওয়ার পর আবেদন করতে পারে বাকি পবন গুপ্ত এবং অক্ষয় কুমার সিংও। তবে, রাষ্ট্রপতির কাছে আবেদন কতটা গ্রহণযোগ্য হবে স্পষ্ট নয়।

 হায়দরাবাদ ধর্ষণ কাণ্ডে ঘটনায় খোদ রাষ্ট্রপতিই জানান, ধর্ষকদের ক্ষমাপ্রার্থনার অধিকারই থাকা উচিত নয়। এদিকে, নির্ভয়ার মা আজ সংবাদমাধ্যমে জানিয়েছেন, ফাঁসির সাজাপ্রাপ্তরা যদি রাষ্ট্রপতির কাছে প্রাণভিক্ষার আবেদন করেন তাহলে তিনিও ফাঁসির দাবিতে রাষ্ট্রপতির কাছে যাবেন।