পতি, পত্নি অওর...

প্রাক্তন বিমানসেবিকা গীতিকা শর্মার আত্মহত্যায় প্ররোচনা দেওয়ার অভিযোগে গ্রেফতার হয়েছেন হরিয়ানার পদত্যাগী মন্ত্রী গোপাল কাণ্ডা। স্বামীকে বাঁচাতে গোপাল কাণ্ডার পাশে দাঁড়িয়েছেন তাঁর স্ত্রী সরস কাণ্ডা। তবে তিনিই একা নন।

Updated By: Aug 23, 2012, 12:31 PM IST

প্রাক্তন বিমানসেবিকা গীতিকা শর্মার আত্মহত্যায় প্ররোচনা দেওয়ার অভিযোগে গ্রেফতার হয়েছেন হরিয়ানার পদত্যাগী মন্ত্রী গোপাল কাণ্ডা। স্বামীকে বাঁচাতে গোপাল কাণ্ডার পাশে দাঁড়িয়েছেন তাঁর স্ত্রী সরস কাণ্ডা। তবে তিনিই একা নন। পরিসংখ্যান বলছে বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই স্বামীর জীবনে দ্বিতীয় নারীর অস্তিত্বের কথা জানা সত্ত্বেও স্বামীর পাশেই দাঁড়িয়েছেন স্ত্রীরা। বিবাহ বর্হিভূত সম্পর্কে অভিযুক্ত হয়েও কেবলমাত্র স্ত্রীদের সহনশীলতা ও সহমর্মিতার কারণেই বিয়ে ভাঙেনি সাধারণ মানুষ থেকে সেলিব্রিটি এমনকী বহু রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বের।
বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্ক। স্বামী স্ত্রীর দাম্পত্য জীবনে তৃতীয় একজনের প্রবেশকে ঘিরে অশান্তির সূত্রপাত। পরে অশান্তি চরম আকার নিলে একসময় বিবাহ-বিচ্ছেদ। উল্টোটাও অবশ্য রয়েছে অনেক ক্ষেত্রেই। স্বামীর জীবনে অন্য নারীর উপস্থিতির কথা জানতে পেরেও রক্ষণশীল সমাজ ও সন্তানদের ভবিষ্যতের কথা ভেবে অনেক সময়  স্বামীরই পাশে দাঁড়ান স্ত্রীরা। সম্প্রতি প্রাক্তন বিমান সেবিকা গীতিকা শর্মা তাঁর সুইসাইড নোটে তাঁর আত্মহত্যায় প্ররোচনা দেওয়ার জন্য হরিয়ানার প্রাক্তন মন্ত্রী গোপাল কাণ্ডাকে অভিযুক্ত করে গেছেন। রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়েও গ্রেফতারি এড়াতে পারেননি কাণ্ডা। এক্ষেত্রেও স্বামীকে বাঁচাতে আসরে নেমে পড়েছেন গোপাল কাণ্ডার স্ত্রী সরস কাণ্ডা। সেরকমই অভিনেতা ধর্মেন্দ্র, সাইনি আহুজা এমনকী চাঁদ মহম্মদের ক্ষেত্রেও তাঁদের স্ত্রীদের পাশে দাঁড়াতে দেখা গিয়েছিল। শধু ভারতেই নয়। প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিটন ক্ষেত্রেও এইভাবেই এড়ানো গিয়েছিল নিশ্চিত বিবাহ-বিচ্ছেদ।
বিশেষজ্ঞদের মতে সাধারণ মানুষের থেকে সেলিব্রিটি পত্নীরা এব্যাপারে মানসিকভাবে অনেকটাই শক্ত। সামাজে নিজেদের প্রতিষ্ঠা ও দুর্নামের কথা ভেবে আবেগমথিত হয়ে পড়েন না তাঁরা। তাই স্বামীকে নির্দোষ প্রমাণ করার পথ সহজেই বেছে নেন তাঁরা। কিন্তু কেন? বিশেষজ্ঞদের মতে ভারতবর্ষের মতো দেশের রক্ষণশীল সমাজে বেশিরভাগ নারী সামাজিক ও আর্থিক নিরাপত্তার জন্য এখনও স্বামীর ওপরই নির্ভর করেন। যদিও সংখ্যায় কম হলেও বিপরীত দিকটিও রয়েছে। অনেক বিবাহিত নারীর জীবনে অন্য পুরুষের উপস্থিতির ঘটনাও সামনে আসে। তবে তুলনামূলকভাবে পুরুষদের সহ্যের সীমা নারীদের তুলনায় অনেকটাই কম বলে দেখা গেছে সমীক্ষায়। আর এই পরিস্থিতিতে সহজেই বিয়ে ভেঙে দেওয়ার রাস্তাতেই হেঁটেছেন স্বামীরা।
 

.