"৫ এপ্রিল শক্তি প্রদর্শনের দিন, রাত ৯টায় ন' মিনিট ঘরের আলো বন্ধ রেখে জ্বালান মোমবাতি, টর্চ"

তবে এর পাশাপাশি তিনি এও আবেদন করেছেন, এই সময় যেন কেউ কোথাও ভিড় না করেন। পাড়ার মোড়ে, কিংবা গলি বা রাস্তায় যেন জমায়েত না করেন। সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখার জন্য আরও একবার আবেদন করেন প্রধানমন্ত্রী। 

Updated By: Apr 3, 2020, 10:35 AM IST
"৫ এপ্রিল শক্তি প্রদর্শনের দিন, রাত ৯টায় ন' মিনিট ঘরের আলো বন্ধ রেখে জ্বালান মোমবাতি, টর্চ"

নিজস্ব প্রতিবেদন: ৫ এপ্রিল, রবিবার রাত নটায় মাত্র ন'মিনিটের জন্য ঘরের আলো নিভিয়ে রাখুন। ঘরের বারান্দায় কিংবা বাড়ির ছাদে দাঁড়িয়ে জ্বালান মোমবাতি, টর্চ কিংবা মোবাইলের ফ্ল্যাশ। আজ সকাল ৯টায় ভিডিও বার্তায় ফের দেশবাসীর কাছে আবেদন করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। 
করোনা আতঙ্ক যেন ক্রমেই আরও ঘাড়ে চেপে বসছে। আতঙ্কিত দেশবাসীর মনে শক্তি জোগাতে তাই আরও একবার শক্তির মন্ত্রোচ্চারণ করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। বৃহস্পতিবার নিজেই টুইট করে বলেছিলেন, দেশবাসীকে ফের এক বার্তা দিতে চান তিনি। ঠিক কী বলতে চলেছেন প্রধানমন্ত্রী, তা নিয়ে উত্সুক ছিল গোটা দেশ। 
এদিন সকাল ৯টায় ভিডিও বার্তায় প্রথমেই প্রধানমন্ত্রী দেশবাসীর কাছে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন। তিনি বলেন, "করোনার বিরুদ্ধে লড়াইয়ে ভারত বিশ্বের মধ্যে নজির সৃষ্টি করেছে। " তিনি বলেন, দেশের মানুষ লকডাউন সফল করার চেষ্টা করেছেন। সরকারের আবেদনে মানুষ যেভাবে সাড়া দিয়েছে, তা অভূতপূর্ব। 
দেশবাসীর মনে জোর দিতে তিনি বলেন, "করোনার বিরুদ্ধে লড়াইয়ে আমরা কেউ একা নই। আমরা সবাই একসঙ্গে করোনার বিরুদ্ধে লড়াই করব।"

 

তিনি বলেন, "৫ এপ্রিল রবিবার, রাত নটায় মাত্র ন মিনিট আমাকে দিন। এই দিনটা আমাদের শক্তি প্রদর্শনের দিন।" রবিবার রাত নটায় ৯ মিনিট দেশবাসীকে নিজেদের ঘরের আলো বন্ধ করে বাড়ির বারান্দা কিংবা ছাদে দাঁড়িয়ে মোমবাতি, টর্চ কিংবা মোবাইলের ফ্ল্যাশ লাইট জ্বালানোর আবেদন জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। তাঁর কথায়, এই দিন গোটা দেশ একসঙ্গে শক্তি প্রদর্শন করবে। 

ঠাঁই হয়নি বাড়িতে, নৌকায় কোয়ারান্টিনে অসহায় বৃদ্ধ

 

 

তবে এর পাশাপাশি তিনি এও আবেদন করেছেন, এই সময় যেন কেউ কোথাও ভিড় না করেন। পাড়ার মোড়ে, কিংবা গলি বা রাস্তায় যেন জমায়েত না করেন। সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখার জন্য আরও একবার আবেদন করেছেন প্রধানমন্ত্রী। 
এর আগে গত রবিবার, বিকাল পাঁচটায় 'করোনা-যুদ্ধে'  যে সব 'সৈনিক' সামিল হয়েছেন, তাঁদের সম্মান প্রদর্শনে দেশবাসীকে বাড়ির ছাদে দাঁড়িয়ে কাঁসর, ঘণ্টা, থালা বাজানোর আবেদন করেছিলেন তিনি। 
কিন্তু সেক্ষেত্রে অনেকেই নিয়মভঙ্গ করেছিলেন। সামাজিক দূরত্ব বজায় না রেখে জমায়েত করেছিলেন। যা করোনার বিরুদ্ধে লড়াইয়ে একেবারেই অনুচিত। তাই এবার যাতে সেই ঘটনার পুনরাবৃত্তি না হয়, তার আবেদন জানান তিনি।