নিজস্ব প্রতিবেদন: রাজস্থানে নির্বাচনী প্রচারের আজ শেষ দিন। কংগ্রেস-বিজেপির কাদা ছোড়াছুড়ি চরমে উঠল। সকালে আলওয়ারের মালাখেরায় কংগ্রেস সভাপতি রাহুল গান্ধী কটাক্ষ সুরে বলেন, ‘ভারত মাতা কি জয়’ না বলে প্রধানমন্ত্রীর বলা উচিত, অনিল-মেহুল-নীরব কিংবা ললিত মোদীর জয়। দুপুরে সিকারে মোদীর পাল্টা তীর, ‘ভারত মাতা কি জয়’ বলার যোগ্যতা নেই কংগ্রেসের। ফের বিকালে উদয়পুরের এক সভায়, রাহুল গান্ধী একহাত নিলেন, “আপনি ভারত মাতার জয় বলেন, আর কাজ করেন অনিল অম্বানীর।” মঙ্গলবার অন্তিমলগ্নে এভাবেই মরুরাজ্য রণক্ষেত্র হয়ে উঠল রাহুল-মোদীর বাকযুদ্ধে।
Add Zee News as a Preferred Source
আরও পড়ুন- ইন্সপেক্টর খুনের ঘটনায় পুলিসের বিরুদ্ধে কোনও পদক্ষেপ নয়, সাফ জানালো যোগীর প্রশাসন
আগামী শুক্রবার ২০০টি আসনে ভোটগ্রহণ হবে রাজস্থানে। বিজেপি ক্ষমতায় থাকায় সরকার বিরোধী ক্ষোভ রয়েছে সাধারণ মানুষের। এবারে মরুরাজ্য কার হবে, তা নিয়ে আড়াআড়ি রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের মধ্যে। বিজেপির পালে যে হাওয়া নেই, এমনটা মনে করছেন না রাজনৈতিক শিবির। একাংশের মতে, বসুন্ধরা রাজের বিরুদ্ধে ক্ষোভ থাকলেও রাজপুত-মারোয়াররা ভরসা রাখছেন মোদীর উপরই। বিজেপির হিন্দুত্বের রাজনীতিই ভোটের বৈতরণী পার করতে পারে। কিন্তু আর একদল মনে করছে, সরকার বিরোধী ক্ষোভ নির্বাচনী প্রচারে সুকৌশলে কাজে লাগানোয় অনেকটাই এগিয়ে কংগ্রেস। মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে সচিন পাইলট কিংবা অশোক গেহলট যেই হোক রাজ্যে পরিবর্তন চাইছে মানুষ।
আরও পড়ুন- রাম মন্দিরের লক্ষ্যে ভোটের ময়দান ছাড়ার ঘোষণা উমা ভারতীর
তবে, এ দিন রাজ্যের উন্নয়নের প্রতিশ্রুতির চেয়ে কংগ্রেসকে তুলোধনা করতে বেশি ব্যস্ত ছিলেন প্রধানমন্ত্রী। নরেন্দ্র মোদী বলেন, “ভারত মাতা কি জয় বলে র্যালি শুরু না করার ফতোয়া দিতে চাইছে কংগ্রেস। কেমন করে এটা করে? তাদের লজ্জা হওয়া উচিত এমন কথা বলার জন্য।” গত সপ্তাহে বিজেপি সভাপতি অমিত শাহ অভিযোগ করেন, কংগ্রেস কর্মীদের ভারত মাতার জয়ের বদলে সনিয়া গান্ধীর জয় বলতে চাপ সৃষ্টি করা হয়।
বিজেপি সভাপতির এই অভিযোগের জবাবে আজ রাহুল বলেন, প্রধানমন্ত্রীর তো অনিল অম্বানী, মেহুল চোকসী, নীরব মোদী, ললিত মোদীর জয় বলা উচিত। এমনকি রাহুলের আরও কটাক্ষ, দেশের মুষ্টিমেয় প্রভাবশালী মানুষের হাতে বিপুল পরিমাণ অর্থ তুলে দিচ্ছেন মোদী, তাতে অনিল যোজনা, নীরব মোদী যোজনা, বিজয় মালিয়া যোজনা হওয়া উচিত।