বাড়ছে ১৪ ফসলের সহায়ক মূল্য, MSME-হকারদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার

হকার, চর্মকার, সেলুন মালিকরা ১০,০০০ ঋণ পাবেন।

Updated By: Jun 1, 2020, 09:18 PM IST
বাড়ছে ১৪ ফসলের সহায়ক মূল্য, MSME-হকারদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার

নিজস্ব প্রতিবেদন: করোনায় বেহাল অর্থনীতিকে ছন্দে ফেরাতে ২০ লাখ কোটি টাকার আর্থিক প্যাকেজ ঘোষণা করেছে কেন্দ্র। এবার দেশের কৃষক ও ছোট-মাঝারি শিল্পের জন্যও বড়সড় সিদ্ধান্ত নিল কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা।

আরও পড়ুন-ক্ষত-বিক্ষত সুন্দরবনের ফুসফুস, চিকিত্সা না হলে মানচিত্র থেকে মুছে যেতে পারে ম্যানগ্রোভ

সোমবার কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়েছে দেশের কৃষকরা অন্তত ১৪টি ফসলের ক্ষেত্রে নূন্যতম সহায়ক মূল্য বাড়ানো হবে। এতে আগের থেকে ৫০-৮৩ শতাংশ বেশি লাভ পাবেন চাষিরা। এছাড়াও অতিক্ষুদ্র, ছোট ও মাঝারি শিল্প ও হকারদের জন্যও গুরুত্বপূর্ণ কিছু সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

কৃষি

# মন্ত্রিসভার বৈঠকের পর জানানো হয় কেন্দ্রের লক্ষ্য গ্রাম-গরিব ও কিষাণ

# মোট ১৪টি ফসলে সহায়ক মূল্য বাড়ানোর সিদ্ধান্ত হয়েছে।

# এর ফলে ৫০-৮৩ শতাংশ বেশি লাভ পাবেন চাষিরা।

# ২০২০-২১ সালে ধানের নূন্যতম সহায়ক মূল্য ৫৩ টাকা বাড়িয়ে করা হয়েছে কুইন্টাল প্রতি ১৮৬৮ টাকা। জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় কৃষিমন্ত্রী নরেন্দ্র তোমার। তুলোয় প্রতি কুইন্টালে বাড়ানো হয়েছে ২৬০ টাকা। সাহায়ক মূল্য হবে প্রতি কুইন্টালে ৫৫১৫ টাকা।

# নরেন্দ্র তোমার আরও জানিয়েছেন, চাষিরা এবার ঋণ শোধ করার আরও বেশি সময় পাবেন। কিষাণ ক্রেডিট কার্ডে ঋণ দেওয়া হবে।

# দেশের যেকোনও জায়গায় চাষি তার ফসল বেচতে পারবেন। অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামনও একই কথা বলেছিলেন।

আরও পড়ুন-রাজ্যে মোট আক্রান্ত বেড়ে ৫৭৭২, মৃত বেড়ে ২৫৫, দেখে নিন আপনার জেলার করোনা পরিস্থিতি

শিল্প

#  দেশের ২ লাখ ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পের জন্য ২০,০০০ কোটি টাকা ঋণ দেওয়া হবে। বেসরকারি উদ্যোগকে উত্সাহ দিতে ৫০,০০০ কোটি টাকার ফান্ড অব ফান্ড তৈরির করা হবে।

#  হকার, চর্মকার, সেলুন মালিকরা ১০,০০০ ঋণ পাবেন।

# মাঝারি শিল্পের ক্ষেত্রে যাদের বছরে ২৫০ কোটি টাকা লেনদেন তাদের ৫০ কোটি টাকা পর্যন্ত ঋণ দেওয়া হবে।

# ক্ষুদ্র, ছোট ও মাঝারি শিল্পের ক্ষেত্রে রপ্তানি থেকে আয়কে বার্ষিক লেনদেনের অংশ হিসেবে ধরা হবে না।

# ক্ষুদ্র, মাঝারি ও ছোট শিল্পে ৭৫ লাখ বা তাদের বিনিয়োগের ১৫ শতাংশ পর্যন্ত ঋণ মিলবে।

.