Hyderabad: চাই ৮ কোটি! আবদার না মেটানোয় ৮০০ কিমি টেনে নিয়ে স্বামীকে পোড়াল যুবতী...

Hyderabad: স্বামীর থেকে ৮ কোটি টাকা চেয়েছিলেন স্ত্রী। টাকা দিতে রাজি না হওয়ায় চরম পরিণতি হয় স্বামীর।

Updated By: Oct 28, 2024, 05:58 PM IST
Hyderabad: চাই ৮ কোটি! আবদার না মেটানোয় ৮০০ কিমি টেনে নিয়ে স্বামীকে পোড়াল যুবতী...
প্রতীকী ছবি

জি ২৪ ঘণ্টা ডিজিটাল ব্যুরো: ৮ কোটির জন্য নিজের স্বামীকে খুন করে স্ত্রী। ঘটনার প্রায় এক মাস পর সিসিটিভি ফুটেজের সূত্র ধরে সেই খুনের কিনারা করে পুলিস। জানা গিয়েছে, কর্ণাটকে প্রেমিককে সঙ্গে নিয়ে ব্যবসায়ী স্বামীকে খুন করে। শুধু তাই নয়, খুনের পর দেহ লোপাটের জন্য বাড়ি থেকে ৮০০ কিলোমিটার দূরে ফেলে তার দেহ। জানা গিয়েছে, স্বামীর থেকে ৮ কোটি টাকা চেয়েছিলেন স্ত্রী। টাকা দিতে রাজি না হওয়ায় চরম পরিণতি হয় স্বামীর।

Add Zee News as a Preferred Source

জানা গিয়েছে, ৮ অক্টোবর কর্ণাটকের কোডাগুর সুন্টিকোপ্পার কাছে একটি কফি বাগানে একটি পোড়া মৃতদেহ খুঁজে পায় পুলিস। মৃতদেহ শনাক্ত করার প্রচেষ্টা ব্যর্থ হলে, পুলিস ওই এলাকার সিসিটিভি খতিয়ে দেখা শুরু করে। তখনই তাদের নজরে লাল মার্সিডিজ বেঞ্জ। সেটি নিয়ে তদন্তে নামলে পুলিস জানতে পারে, গাড়িটি ৫৪ বছর বয়সী রমেশ নামে একজনের নামে বরাদ্দ। তার স্ত্রী সম্প্রতি তাঁরই নিখোঁজের অভিযোগ দায়ের করেছিলেন।

তদন্ত এগিয়ে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে পুলিসের রমেশের স্ত্রী নীহারিকার উপর সন্দেহ জাগে। পুলিসের লাগাতার জেরার মুখে নীহারিকা স্বীকার করেন, প্রেমিক নিখিল ও তার এক বন্ধু অঙ্কুরের মদতে স্বামীকে খুন করেছে। গত ১ অক্টোবর হায়দরাবাদের উপ্পলে রমেশকে গলা টিপে খুন করেন নীহারিকা ও তার প্রেমিক। এরপর তারা গাড়িতে দেহ নিয়ে কর্ণাটকের উদ্দেশে রওনা দেয়। উপ্পল থেকে ৮০০ কিমি দূরে কোদাগুতে একটি কফি জমিতে নিয়ে তারা মৃতদেহে আগুন ধরিয়ে দেয়। মরদেহ কম্বলে মুড়ে পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছিল। সব কাজ শেষ করার পর সকলে হায়দরাবাদ চলে আসে তারা। হায়দরাবাদে ফিরে এসে এক সপ্তাহ অপেক্ষা করার পর জিডি করেছিলেন নীহারিকা। 

আরও পড়ুন:Census: দেশের জনসংখ্যা ১৫ বছরে কত বাড়ল.... জানতে গণনা শুরু...

পুলিস সূত্রে জানা যায়, নীহারিকার ছোটবেলা ছিল খুবই কষ্টের। ১৬ বছর বয়সে তাঁর বাবা মারা যায়। তারপরেই মা আবার বিয়ে করে। পড়াশোনায় পারদর্শী হওয়ায় ইঞ্জিনিয়ারিং পাশ করেন। চাকরি করেন। তারপরেই খুব তাড়াতাড়ি বিয়ে করেন, মা হন এবং পরে আলাদাও হয়ে যান। ক পর্যায়ে, যখন তিনি হরিয়ানায় ছিলেন, তখন তিনি আর্থিক প্রতারণার মামলায় জড়িত হয়ে পড়েন এবং জেলে যান। জেলেই অঙ্কুরের সঙ্গে দেখা হয়। 

জেল থেকে বেরিয়ে এসে নীহারিকা রমেশকে বিয়ে করেন। রমেশকে বিয়ের পর থেকে শুরু হয় নীহারিকার বিলাসবহুল জীবন। তবে স্বামীর বয়স অনেক বেশি হওয়ায় রমেশের সঙ্গে তার সম্পর্ক ভালো ছিল না। এরপর এক পশু চিকিৎসক নিখিলের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্কে জড়িয়ে পড়ে নীহারিকা। রমেশের কাছে ৮ কোটি না পেয়ে প্রেমিকের সঙ্গে মিলে খুনের ষড়যন্ত্র তৈরি করে নীহারিকা।

 

(দেশ, দুনিয়া, রাজ্য, কলকাতা, বিনোদন, খেলা, লাইফস্টাইল স্বাস্থ্য, প্রযুক্তির টাটকা খবর, আপডেট এবং ভিডিয়ো পেতে ডাউনলোড-লাইক-ফলো-সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের AppFacebookWhatsapp ChannelX (Twitter)YoutubeInstagram পেজ-চ্যানেল)

.