)
নিজস্ব প্রতিবেদন: পুরসভার চেয়ারম্যান কে হবেন? দিনভর দফায় দফায় বিক্ষোভ চলল কালনায়। এমনকী, খোদ মন্ত্রীর সামনে ঝাঁপ দেওয়ারও চেষ্টা করলেন এক কাউন্সিলর! শেষপর্যন্ত আইনশৃঙ্খলার অবনতির কারণে যখন শপথগ্রহণ স্থগিত করে দিল জেলা প্রশাসন, তখন আবার ভোটাভুটিতে চেয়ারম্যান পদে জয়ী তপন পোড়েলকে বহিষ্কার করল তৃণমূল।
১৮ ওয়ার্ডের কালনা পুরসভায় এবার নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়েছে তৃণমূল। ১৭টি ওয়ার্ডেই জিতেছেন শাসকদলের প্রার্থীরা। ১ ওয়ার্ড গিয়েছে সিপিএমের দখলে। স্রেফ চেয়ারম্যান নয়, দিন দুয়েক আগে পুরসভার ভাইস চেয়ারম্যানের নামও ঘোষণা করে তৃণমূল।
এদিন কালনা শহরের পুরশ্রী হলে প্রথমে শপথ নেন পুরসভার নবনির্বাচিত ১৮ জন কাউন্সিলর-ই। কিন্তু দলের মনোনীত চেয়ারম্যান আনন্দ দত্তকে মেনে নিতে রাজি ছিলেন না তৃণমূলের বেশিরভাগ কাউন্সিলরই। এমনকী, ভোটাভুটিতে হেরেও যান তিনি। আর ভাইস চেয়ারম্যান পদে যাঁর নাম ঘোষণা করা হয়েছিল, সেই তপন পোড়েন হন চেয়ারম্যান।
দলের মনোনীত চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে কেন ভোটাভুটি? কালনার পুরশ্রী হলে শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে হাজির হন মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ। সঙ্গে পুরভোটে তৃণমূলের পর্যবেক্ষক আলোক মাজিও। এরপরই পরিস্থিতি রীতিমতো উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। স্রেফ বিক্ষোভ নয়, মন্ত্রী সামনেই দোতলার থেকে ঝাঁপ দেওয়ার চেষ্টা করেন ১০ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল কাউন্সিলর অনিল বসু। আপাতত কালনার পুরসভার চেয়ারম্যানের শপথগ্রহণ স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত নিল প্রশাসন।