Baruipur Murder: দু'হাত ও কোমরের নীচ থেকে নেই! বারুইপুরে মিলল প্রাক্তন নৌসেনার দেহাংশ

হাত-পা কিছু নেই। মুখও প্লাস্টিক দিয়ে আটকানো। শরীরের বাকি অংশ কোথায়, তার খোঁজে তল্লাশি শুরু করেছে বারুইপুর থানার পুলিস।

Updated By: Nov 18, 2022, 11:54 AM IST
Baruipur Murder: দু'হাত ও কোমরের নীচ থেকে নেই! বারুইপুরে মিলল প্রাক্তন নৌসেনার দেহাংশ

তথাগত চক্রবর্তী: বারুইপুরের আইনজীবী খুনের পর এবার প্রাক্তন নৌসেনার দেহাংশ উদ্ধার। এক প্রাক্তন নৌসেনার দেহাংশ উদ্ধারকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্য ছড়াল। বৃহস্পতিবার রাতে ঘটনাটি ঘটেছে দক্ষিণ ২৪ পরগনার বারুইপুর এলাকায়। মৃতের নাম উজ্জ্বল চক্রবর্তী। ৫৪ বছর বয়সী ওই প্রাক্তন নৌসেনার দুটি হাত ও কোমরের নীচ থেকে শরীরের বাকি অংশের কোনও খোঁজ মেলেনি। পাশাপাশি তাঁর মুখও প্লাস্টিক দিয়ে আটকানো ছিল। 

পুলিসের প্রাথমিক অনুমান খুন করা হয়েছে উজ্জ্বল চক্রবর্তীকে। বৃহস্পতিবার রাতে বারুইপুর-মল্লিকপুর রোডের ডিহি এলাকার একটি পুকুর থেকে উদ্ধার হয় উজ্জ্বল চক্রবর্তীর অর্ধেক দেহ। ঘটনার খবর পেয়ে বারুইপুর থানার পুলিস ঘটনাস্থলে গিয়ে দেহ উদ্ধার করে। আজ দেহটি ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হচ্ছে। তবে কে বা কারা প্রাক্তন নৌসেনাকে খুন করল? তা এখনও জানা যায়নি। খুনের কারণ নিয়েও ধোঁয়াশা রয়েছে। গোটা ঘটনায় ধন্দে পুলিস। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে বারুইপুর থানার পুলিস। 

পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, ১৪ নভেম্বর থেকে নিখোঁজ ছিলেন উজ্জ্বল চক্রবর্তী। আগে নৌসেনা বাহিনীতে কর্মরত থাকলেও বর্তমানে তিনি একটি সংস্থায় নিরাপত্তারক্ষীর কাজ করতেন। ১৪ নভেম্বর কাজ থেকে বাড়ি ফেরার পর বেড়িয়ে আর ফেরেননি। তাঁর নেশা করার অভ্যাস ছিল। প্রতিদিনই সন্ধ্যায় তিনি বেরতেন। কিন্তু ১৪ তারিখ বেরিয়ে তিনি আর ফেরেননি। পরিবারের সদস্যরা বারুইপুর থানায় এই বিষয়ে নিখোঁজ ডায়েরি করেন। এরপরই বৃহস্পতিবার রাতে উদ্ধার হল দেহ।

পাশাপাশি আরও জানা গিয়েছে, প্রতিবেশী এক পরিবারের সাথে কিছুদিন আগেই অশান্তি হয়েছিল উজ্জ্বল চক্রবর্তীর। খুনের সঙ্গে সেই ঘটনার কোনও যোগসূত্র আছে কিনা, তা এখনও পরিষ্কার নয়। সবদিক খতিয়ে দেখে তদন্ত শুরু করেছে পুলিস। সেইসঙ্গে উজ্জ্বল চক্রবর্তীর শরীরের বাকি অংশ কোথায়, তার খোঁজে তল্লাশি শুরু করেছে বারুইপুর থানার পুলিস। প্রসঙ্গত, বুধবার সকালেই মাঝেরহাটে একটি পানাপুকুর থেকে উদ্ধার হয় বারুইপুরের আইনজীবীর দেহ।

আরও পড়ুন, Nadia Murder: দেওরের সঙ্গে পরকীয়া-বিয়ে বৌদির! ছেলের হাতে খুন হয়ে গেলেন বাবা, আশঙ্কাজনক মা-ও

সেই খুনের তদন্তে নেমে উঠে আসে চাঞ্চল্যকর তথ্য। মোবাইলে রাস্তায় প্রস্রাব করার ভিডিয়ো রেকর্ডিং করেছিলেন আইনজীবী সঞ্জয় মিত্র। আর সেই কারণেই খুন হতে হয় তাঁকে। খুনের ঘটনায় একজন গ্রেফতারও হয়েছে। পুলিস সূত্রে জানা যায়, ধৃত আজাদ সরদার 'পাবলিক প্লেসে' প্রস্রাব করছিল। যা দেখে বেশ কয়েকজন ছাত্র প্রতিবাদ করে। সেই সময় আইনজীবী সঞ্জয় মিত্র ওই ঘটনার ভিডিয়ো করেন নিজের মোবাইলে। ওই ভিডিয়ো রেকর্ড করার জন্যই আজাদ সরদার ও তার বেশ কয়েকজন সঙ্গী মিলে আইনজীবী সঞ্জয় মিত্রকে খুন করে। 

(Zee 24 Ghanta App দেশ, দুনিয়া, রাজ্য, কলকাতা, বিনোদন, খেলা, লাইফস্টাইল স্বাস্থ্য, প্রযুক্তির লেটেস্ট খবর পড়তে ডাউনলোড করুন Zee 24 Ghanta App)