৪ বছর পর উত্তরবঙ্গে সফর, দার্জিলিং-এ ফের কালো পতাকা দিলীপ-অর্জুনকে

২০১৭র অক্টোবর। দার্জিলিং-এ রীতিমত ঘাড়ধাক্কা খেতে হয়েছিল দিলীপ ঘোষকে। সেসময় বিনয় তামাঙ গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে অভিযোগের আঙুল তুলেছিলেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি। 

Updated By: Feb 23, 2021, 12:50 PM IST
৪ বছর পর উত্তরবঙ্গে সফর, দার্জিলিং-এ ফের কালো পতাকা দিলীপ-অর্জুনকে
ফাইল চিত্র

নিজস্ব প্রতিবেদন: উত্তরবঙ্গ সফর শুরুতেই বিক্ষোভের মুখে দিলীপ ঘোষ। দার্জিলিং-এ কালো পতাকা বিজেপি রাজ্য সভাপতিকে। ঘুম স্টেশনের কাছে দিলীপ ঘোষকে কালো পতাকা। গুরুং অনুগামীদের  বিরুদ্ধে অভিযোগের তির। ২০১৭র অক্টোবর। দার্জিলিং-এ রীতিমত ঘাড়ধাক্কা খেতে হয়েছিল দিলীপ ঘোষকে। সে সময় বিনয় তামাঙ গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে অভিযোগের আঙুল তুলেছিলেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি। এবার আবার সেই দার্জিলিং। ফের পাহাড়বাসীর মন জয় করতে কাঞ্চনজঙ্ঘার কোলে দিলীপ ঘোষ। পুরনো স্মৃতি ভুলে, এবার নতুন শুরুর বার্তা। ভোটের আগে পাহাড়বাসীর মন জয়ে মরিয়া গেরুয়া সেনাপতি মুছতে চাইছেন তেতো অতীত।

পরিবর্তন যাত্রার কর্মসূচির জন্য উত্তরবঙ্গ যাওয়ার পথে কলকাতা বিমানবন্দরে সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হন বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ এবং সাংসদ অর্জুন সিং। আজ কী কী কর্মসূচি, দিলীপ ঘোষ জানান, পাহাড়ে একটি যাত্রা রয়েছে।  কালিম্পং, দার্জিলিং ,কার্শিয়াং তিনটে বিধানসভা পরিক্রমা করে শিলিগুড়ির সঙ্গে মূল যাত্রার সঙ্গে ওই যাত্রা মিশবে। একটি জনসভা রয়েছে দার্জিলিং-এ। 

এ দিন বিমল গুরুং প্রসঙ্গে বিজেপির রাজ্য সভাপতির মন্তব্য, বিমল গুরুং-কে ওখানে বিরক্ত করার জন্য আমাদের পেছনে লাগানো হচ্ছে। সাধারণ মানুষ টিএমসি এবং বিমল গুরুং কারওর সঙ্গে নেই। ওখানে সবাই বিজেপির সঙ্গে যুক্ত হতে চাইছে। ওখানকার ছোট ছোট দল বিজেপির সঙ্গে যুক্ত হয়েছে এবং হচ্ছে। বিজেপি কোনও প্রতিশ্রুতি দেয়নি। সেখানকার সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করেছে। এখানকার মুখ্যমন্ত্রীর সহযোগিতা না করার জন্য ফল আসেনি। কিন্তু বিমল গুরুং যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন পাহাড়বাসীদের, তা পালন করেননি। 

দিলীপ ঘোষ আরও বলেন, নির্বাচনের দিকে তাকিয়ে বিমল গুরুং-এর ওপর থেকে কেস তুলে নিয়েছে রাজ্যসরকার। কেস দেওয়া হয়েছিল রাজনৈতিক কারণে। কেস তুলে নেওয়া হচ্ছে রাজনীতির জন্য। 
এই ধরনের রাজনৈতিক যাদের দেশদ্রোহী বলা হয়েছে তাদের সঙ্গে কাজ করছেন তাদের বিশ্বাস যোগ্যতা হারিয়ে ফেলেছে। জঙ্গলমহলেরও এদের নিজের পার্টির নেতা বানাচ্ছেন। পশ্চিমবঙ্গের মানুষ দেখছেন রাজনীতির স্বার্থে কাউকে বোকা বানানো হচ্ছে, কাউকে নেতা বানানো হচ্ছে।